রাজশাহীর বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে দিন দিন বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়, বিশেষ করে চিকিৎসকদের ভিজিট ফি। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষ। অনেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে না পেরে জীবন ঝুঁকিতে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ভিজিট ফি সীমিত টাকার মধ্যে থাকলেও বেসরকারি হাসপাতালে তা ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা বা তারও বেশি আদায় করা হচ্ছে। ফলে দরিদ্র রোগীদের জন্য বেসরকারি চিকিৎসাসেবা কার্যত নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধির এ পরিস্থিতি নতুন নয়। অতীতেও রাজশাহীর বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের ফি বাড়ানোর দাবিতে অস্থিরতা দেখা গেছে। এমনকি অপারেশন বন্ধ রাখার মতো ঘটনাও ঘটেছে, যা শেষ পর্যন্ত রোগীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।
স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চিকিৎসকদের ফি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার অতিরিক্ত খরচ এবং আইসিইউসহ জরুরি সেবার সীমাবদ্ধতার কারণে রোগীরা সময়মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রয়োজনীয় আইসিইউ সুবিধার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে, যা এ অঞ্চলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, টাকা না থাকলে চিকিৎসা নেই, এমন বাস্তবতায় দিন কাটছে নিম্নআয়ের মানুষের। অনেক পরিবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ঋণের বোঝা বাড়াচ্ছে, আবার কেউ কেউ চিকিৎসা ছাড়াই মৃত্যুর ঝুঁকি নিচ্ছেন।
এ পরিস্থিতিতে সচেতন মহল মনে করছে, বেসরকারি হাসপাতালের ফি নির্ধারণে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ আরোপ, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং দরিদ্রদের জন্য বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ভিজিট ফি সীমিত টাকার মধ্যে থাকলেও বেসরকারি হাসপাতালে তা ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা বা তারও বেশি আদায় করা হচ্ছে। ফলে দরিদ্র রোগীদের জন্য বেসরকারি চিকিৎসাসেবা কার্যত নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধির এ পরিস্থিতি নতুন নয়। অতীতেও রাজশাহীর বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের ফি বাড়ানোর দাবিতে অস্থিরতা দেখা গেছে। এমনকি অপারেশন বন্ধ রাখার মতো ঘটনাও ঘটেছে, যা শেষ পর্যন্ত রোগীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।
স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চিকিৎসকদের ফি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার অতিরিক্ত খরচ এবং আইসিইউসহ জরুরি সেবার সীমাবদ্ধতার কারণে রোগীরা সময়মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রয়োজনীয় আইসিইউ সুবিধার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে, যা এ অঞ্চলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, টাকা না থাকলে চিকিৎসা নেই, এমন বাস্তবতায় দিন কাটছে নিম্নআয়ের মানুষের। অনেক পরিবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ঋণের বোঝা বাড়াচ্ছে, আবার কেউ কেউ চিকিৎসা ছাড়াই মৃত্যুর ঝুঁকি নিচ্ছেন।
এ পরিস্থিতিতে সচেতন মহল মনে করছে, বেসরকারি হাসপাতালের ফি নির্ধারণে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ আরোপ, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং দরিদ্রদের জন্য বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :