চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চাঞ্চল্যকর মাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় প্রধান আসামি ছেলে মো. কাশেম (২৮) ও তার স্ত্রী নারগিছ আক্তার (২৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকা থেকে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, নিহত রেহেনা বেগম (৬২) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তার বড় ছেলে প্রবাসে থাকেন, আর ছোট ছেলে কাশেম স্ত্রীকে নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করতেন। প্রবাসী বড় ছেলে মায়ের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত টাকা পাঠালেও কাশেম সেই টাকা আত্মসাৎ করতেন। এ নিয়ে মা, ছেলে ও পুত্রবধূর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল।
মামলার তদন্তে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৫ জুন রাত ১০টা থেকে ৬ জুন সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময়ে কাশেম ও তার স্ত্রী যোগসাজশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেহেনা বেগমের গলা কেটে হত্যা করে। পরে রক্তাক্ত কাপড় ঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখা হয়। গুরুতর অবস্থায় স্বজনরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. মুক্তার আহমদ বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় ৮ জুন ২০২৫ তারিখে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১০; ধারা ৩০২/২০১/৩৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০)। ঘটনার পর থেকে আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল।
পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, তারা কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে অবস্থান করছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকা থেকে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, নিহত রেহেনা বেগম (৬২) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তার বড় ছেলে প্রবাসে থাকেন, আর ছোট ছেলে কাশেম স্ত্রীকে নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করতেন। প্রবাসী বড় ছেলে মায়ের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত টাকা পাঠালেও কাশেম সেই টাকা আত্মসাৎ করতেন। এ নিয়ে মা, ছেলে ও পুত্রবধূর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল।
মামলার তদন্তে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৫ জুন রাত ১০টা থেকে ৬ জুন সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময়ে কাশেম ও তার স্ত্রী যোগসাজশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেহেনা বেগমের গলা কেটে হত্যা করে। পরে রক্তাক্ত কাপড় ঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখা হয়। গুরুতর অবস্থায় স্বজনরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. মুক্তার আহমদ বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় ৮ জুন ২০২৫ তারিখে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১০; ধারা ৩০২/২০১/৩৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০)। ঘটনার পর থেকে আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল।
পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, তারা কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে অবস্থান করছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
নিজস্ব প্রতিবেদক