ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ , ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণশুনানিতে মানুষের কথা শুনছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক খাতা চ্যালেঞ্জে ইংরেজি-মুখী শিক্ষার্থীরা, রাজশাহীতে আবেদন ৯৮৭১০ হরিয়ান রেলওয়ে স্টেশনে চলন্ত ট্রেনের ওয়াগন থেকে তেল চুরির অভিযোগ জেলবন্দি ইমরান খানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে পাঠাতে হবে! নির্দেশ দিল পাক সুপ্রিম কোর্ট সল্টলেকের গেস্ট হাউসে তরুণীকে ধর্ষণ! গোপনে বাগ্‌দান সারলেন আয়শা খান এ বার সইফ আলি খানের সঙ্গে জুটিতে দেখা যাবে কিয়ারা আডবাণীকে ইদের ময়দানে মুখোমুখি সালমান-প্রভাস, ২০২৭-এর বক্সঅফিসে বড় লড়াইয়ের ইঙ্গিত! রামেক হাসপাতালে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, ৯ দফা দাবি ছাত্রদলের বদলগাছীতে চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন গুরুদাসপুরে সার ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চারঘাট সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় মদ ও মাদকসেবনের সিরাপ জব্দ ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার,গ্রেপ্তার-২ পরকীয়ার অভিযোগে নারীকে ইউপি চেয়ারম্যানের জুতাপেটা, ভিডিও ভাইরাল ‘খাসি না পেয়ে বিয়ে ভাঙা’ সেই জুনায়েদ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিয়ে করে যা বললেন মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার ও হয়রানিমুক্ত পুলিশি সেবা নিশ্চিতে এএসআইদের নির্দেশনা ফেনীতে প্রতিবন্ধী নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩ মহানগরজুড়ে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী গ্রেফতার -৫

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রভাব ফেলতে পারে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ

  • আপলোড সময় : ০১-০৪-২০২৬ ১১:০৪:৩৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০৪-২০২৬ ১১:০৪:৩৩ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রভাব ফেলতে পারে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রভাব ফেলতে পারে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড  ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য সংবিধান-প্রদত্ত জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা বাতিলের চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট-এ ট্রাম্প বনাম বারবারা মামলার শুনানি ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আমেরিকান নাগরিক স্বাধীনতা ইউনিয়ন তার এই উদ্যোগকে অসাংবিধানিক বলে চ্যালেঞ্জ করেছে।

যদি আদালত ট্রাম্পের পক্ষে রায় দেয়, তাহলে এর প্রভাব শুধু অভিবাসীদের নয়, বরং সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই পড়বে, যা হতে পারে মারাত্মক। ইতিহাস ইঙ্গিত দেয়, ১৪তম সংশোধনী দুর্বল হলে তার ফল কতটা ভয়াবহ হতে পারে।

দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই ট্রাম্প নির্বাহী আদেশ ১৪১৬০ স্বাক্ষর করেন, যার নাম 'আমেরিকান নাগরিকত্বের অর্থ ও মূল্য রক্ষা করা'। তবে সমালোচকদের মতে, এই আদেশের মাধ্যমে নাগরিকত্বের অর্থই সংকুচিত করা হচ্ছে। এতে দীর্ঘমেয়াদি কর্মভিসা, শিক্ষাভিসাধারী, ডিএসিএ (ডিএসিএ) সুবিধাভোগী এবং মানবিক সুরক্ষাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতির তুলনা করা হচ্ছে ১৪তম সংশোধনী পাস হওয়ার আগের সময়ের সঙ্গে, যখন মুক্ত কৃষ্ণাঙ্গদের নিজেদের স্বাধীনতা প্রমাণ করতে কাগজপত্র বহন করতে হতো এবং দাসত্বে পুনরায় পতিত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

১৮৫৭ সালের ড্রেড স্কট বনাম স্যান্ডফোর্ড মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেছিল যে কৃষ্ণাঙ্গরা নাগরিক নয়, যা তাদের অবস্থান আরও দুর্বল করে তোলে এবং বৈষম্য, সহিংসতা এমনকি বহিষ্কারের শিকার হতে হয়।

পরবর্তীতে চতুর্দশ সংশোধনী সেই রায় বাতিল করে এবং সাবেক দাসদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল—যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া সকল মানুষকে নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা, যাতে কারও নাগরিকত্ব অস্বীকার করা না যায়।

১৮৬৬ সালে সিনেটে এ নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল এই নাগরিকত্ব কি শুধু সাবেক দাসদের জন্য, নাকি অভিবাসীদের সন্তানদের জন্যও প্রযোজ্য হবে? শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, 'অবশ্যই তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে।'

এই নীতিটি ১৮৯৮ সালের ইউনাইটেড স্টেটস বনাম ওং কিম আর্ক মামলায় পুনরায় নিশ্চিত করা হয়, যেখানে বলা হয়—অভিবাসী বাবা-মায়ের সন্তান হলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলে সে নাগরিক।

তবে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তি দিচ্ছে, শুধুমাত্র নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দাদের সন্তানরাই 'যুক্তরাষ্ট্রের অধিক্ষেত্রের আওতাধীন' অবৈধ বা অস্থায়ী অভিবাসীদের সন্তানরা নয়।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে সংবিধানের সংশোধনী পরিবর্তন করতে পারেন না। তবুও ট্রাম্প এই নীতিকে পাল্টানোর চেষ্টা করছেন, যা অনেকের মতে যুক্তরাষ্ট্রকে আবার বৈষম্যমূলক অতীতে ফিরিয়ে নিতে পারে।

ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে 'আপনার কাগজপত্র দেখান' ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্কুল, হাসপাতাল ও জনপরিসরে জাতিগত প্রোফাইলিং বেড়েছে বলেও সমালোচনা রয়েছে।

একটি মামলায় মিনেসোটায় এক মার্কিন নাগরিককে আইসিই আটক করে, যদিও তিনি বারবার নিজেকে নাগরিক বলে দাবি করেন। অন্য এক ব্যক্তিকে গ্যাস স্টেশন থেকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, যদিও তিনি বলেন, “আমি একজন আমেরিকান নাগরিক।

ফ্লোরিডায় পিটার শন ব্রাউন নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিককে ভুলবশত আটক করে প্রায় বহিষ্কার করা হয়েছিল,যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সমালোচকদের মতে, ট্রাম্পের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে এক ধরনের শ্রেণিভেদ তৈরি হবে, যেখানে কারও নাগরিকত্ব তার জন্মস্থানের বদলে তার বাবা-মায়ের অভিবাসন অবস্থার ওপর নির্ভর করবে।

১ এপ্রিল সেসিলিয়া ওয়াং সুপ্রিম কোর্টে এই মামলায় যুক্তি উপস্থাপন করবেন। তিনি এবং তার সংগঠন সংবিধান রক্ষার পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার ভোগ করতে পারে যা যুক্তরাষ্ট্রের পুনর্গঠন যুগের একটি মৌলিক প্রতিশ্রুতি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি, জরুরি সভায় নানা অভিযোগ

রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি, জরুরি সভায় নানা অভিযোগ