এক দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘প্রচ্ছন্ন’ হুমকি, অন্য দিকে ইরানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। মাঝখানে দাঁড়িয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো জোরগলায় জানালেন—কোনও পরিস্থিতিতেই ম্যাচের ভেন্যু বদলাবে না। ইরান খেলবে আমেরিকাতেই।
ইরান ফুটবল ফেডারেশন আগেই ফিফাকে অনুরোধ করেছিল, তাদের সমস্ত ম্যাচ (FIFA World Cup 2026) মেক্সিকোয় সরিয়ে দেওয়া হোক। কারণ—পশ্চিম এশিয়ায় চলমান অস্থিরতায় আমেরিকার ভূমিকা এবং ইরানের সঙ্গে তীব্র সংঘাত। এই পরিস্থিতিতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জাতীয় ও ক্লাব দলগুলোকে ‘বৈরী দেশে’ যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সেই তালিকায় স্বাভাবিকভাবে রয়েছে আমেরিকাও।
যদিও তুরস্কের আন্তালিয়ায় সফরকালে ইনফান্তিনো স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, সূচি বদলানোর প্রশ্নই নেই। বললেন, ‘না, না। ড্রতে যা ঠিক হয়েছে, ম্যাচ সেখানেই হবে!’ ফিফা সভাপতি ইরানের অনুশীলন শিবির পরিদর্শন করেন, কোস্টারিকার বিরুদ্ধে ৫-০ জয়ের খেলাও দেখেন তিনি। পরে বলেন, ‘এরা খুব শক্তিশালী দল। বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমি ইরানকে সমস্ত সাহায্য করব!’
নির্ঘণ্ট মানা হলে ইরান গ্রুপ জি-তে খেলবে। প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ড। সমস্ত ম্যাচ লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিয়াটলে।
এই পুরো পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছেন ট্রাম্প। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য, ‘ইরান জাতীয় ফুটবল দলকে বিশ্বকাপে স্বাগত। কিন্তু নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাদের আসা উচিত কিনা, সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে!’ পরে ধোঁয়াশা মুছে স্পষ্ট করেন, আমেরিকার তরফ থেকে কোনও হুমকি নেই। কিন্তু তাতে বরফ গলেনি। কথাটা তো একবার বলা হয়ে গিয়েছে। ফলে ছড়িয়েছে একরাশ সংশয়, উদ্বেগ।
প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপ শুরু ১১ জুন, শেষ ১৯ জুলাই। আয়োজক দেশ—আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকো।
ফিফা না সরালে এবং সরকারের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে ইরান কি আদৌ খেলতে পারবে? প্রশ্নের উত্তর এখনও অনিশ্চিত। তেহরান শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলাবে? নাকি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে? ফুটবলের ইতিহাসে রাজনীতি বারবার মাঠে ঢুকেছে। কিন্তু এবার ইরানের পরিস্থিতি পুরনো নজিরগুলোকেও ছাপিয়ে যাওয়ার পথে।
ইরান ফুটবল ফেডারেশন আগেই ফিফাকে অনুরোধ করেছিল, তাদের সমস্ত ম্যাচ (FIFA World Cup 2026) মেক্সিকোয় সরিয়ে দেওয়া হোক। কারণ—পশ্চিম এশিয়ায় চলমান অস্থিরতায় আমেরিকার ভূমিকা এবং ইরানের সঙ্গে তীব্র সংঘাত। এই পরিস্থিতিতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জাতীয় ও ক্লাব দলগুলোকে ‘বৈরী দেশে’ যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সেই তালিকায় স্বাভাবিকভাবে রয়েছে আমেরিকাও।
যদিও তুরস্কের আন্তালিয়ায় সফরকালে ইনফান্তিনো স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, সূচি বদলানোর প্রশ্নই নেই। বললেন, ‘না, না। ড্রতে যা ঠিক হয়েছে, ম্যাচ সেখানেই হবে!’ ফিফা সভাপতি ইরানের অনুশীলন শিবির পরিদর্শন করেন, কোস্টারিকার বিরুদ্ধে ৫-০ জয়ের খেলাও দেখেন তিনি। পরে বলেন, ‘এরা খুব শক্তিশালী দল। বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমি ইরানকে সমস্ত সাহায্য করব!’
নির্ঘণ্ট মানা হলে ইরান গ্রুপ জি-তে খেলবে। প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ড। সমস্ত ম্যাচ লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিয়াটলে।
এই পুরো পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছেন ট্রাম্প। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য, ‘ইরান জাতীয় ফুটবল দলকে বিশ্বকাপে স্বাগত। কিন্তু নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাদের আসা উচিত কিনা, সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে!’ পরে ধোঁয়াশা মুছে স্পষ্ট করেন, আমেরিকার তরফ থেকে কোনও হুমকি নেই। কিন্তু তাতে বরফ গলেনি। কথাটা তো একবার বলা হয়ে গিয়েছে। ফলে ছড়িয়েছে একরাশ সংশয়, উদ্বেগ।
প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপ শুরু ১১ জুন, শেষ ১৯ জুলাই। আয়োজক দেশ—আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকো।
ফিফা না সরালে এবং সরকারের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে ইরান কি আদৌ খেলতে পারবে? প্রশ্নের উত্তর এখনও অনিশ্চিত। তেহরান শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলাবে? নাকি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে? ফুটবলের ইতিহাসে রাজনীতি বারবার মাঠে ঢুকেছে। কিন্তু এবার ইরানের পরিস্থিতি পুরনো নজিরগুলোকেও ছাপিয়ে যাওয়ার পথে।
ক্রীড়া ডেস্ক