লিভারের কথা আমরা সাধারণত ভাবি তখনই, যখন সমস্যা শুরু হয়। অথচ শরীরের ভিতরে নিঃশব্দে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর অনেকটাই সামলায় এই অঙ্গ— পুষ্টি প্রক্রিয়াকরণ, টক্সিন ছেঁকে ফেলা, মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ, এমনকি শক্তি জোগানোও। ভাল কথা হল, লিভারকে সুস্থ রাখতে সবসময় জটিল ডায়েট বা ডিটক্সের দরকার হয় না। প্রতিদিনের খাবারে সামান্য কিছু পরিবর্তনই বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
AIIMS-এ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ সেঠি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, লিভার ভাল রাখতে তিনি নিয়মিত তিনটি সহজলভ্য সবজি খেয়ে থাকেন। কী সেই সবজি? জেনে নেওয়া যাক।
১. বিটরুট: বিটরুটে রয়েছে ‘বেটালাইনস’ নামে এক ধরনের উপাদান, যা এটিকে গাঢ় লাল রং দেয়। এই উপাদান শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। ফলে লিভারের উপর চাপ কমে এবং তার কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে।
২. ব্রকোলি: ব্রকোলিতে থাকে ‘সালফোরাফেন’ নামের একটি উপকারী যৌগ, যা লিভারের ডিটক্স প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখে। সহজভাবে বললে, এটি লিভারকে নিজের কাজ আরও ভালভাবে করতে সাহায্য করে। ব্রকোলি না পছন্দ হলে বাঁধাকপি বা ফুলকপিও খাওয়া যেতে পারে — এগুলিতেও প্রায় একই ধরনের উপকার মেলে।
৩. করলা (উচ্ছে): করলা সাধারণত রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে বলেই পরিচিত। তবে ডা. সেঠির মতে, এটি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতেও সাহায্য করে। আর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সই ফ্যাটি লিভারের অন্যতম বড় কারণ। তাই করলা খেলে পরোক্ষভাবে লিভারও উপকৃত হয়।
এই সবজিগুলি কোনও ম্যাজিক নয়, কিন্তু নিয়মিত খেলে ধীরে ধীরে লিভারের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। হঠাৎ করে বড় পরিবর্তন না এনে, ধীরে ধীরে খাদ্যতালিকায় এগুলি যোগ করলেই মিলবে উপকার। নিয়মিত যত্নই লিভারকে সুস্থ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।
AIIMS-এ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ সেঠি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, লিভার ভাল রাখতে তিনি নিয়মিত তিনটি সহজলভ্য সবজি খেয়ে থাকেন। কী সেই সবজি? জেনে নেওয়া যাক।
১. বিটরুট: বিটরুটে রয়েছে ‘বেটালাইনস’ নামে এক ধরনের উপাদান, যা এটিকে গাঢ় লাল রং দেয়। এই উপাদান শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। ফলে লিভারের উপর চাপ কমে এবং তার কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে।
২. ব্রকোলি: ব্রকোলিতে থাকে ‘সালফোরাফেন’ নামের একটি উপকারী যৌগ, যা লিভারের ডিটক্স প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখে। সহজভাবে বললে, এটি লিভারকে নিজের কাজ আরও ভালভাবে করতে সাহায্য করে। ব্রকোলি না পছন্দ হলে বাঁধাকপি বা ফুলকপিও খাওয়া যেতে পারে — এগুলিতেও প্রায় একই ধরনের উপকার মেলে।
৩. করলা (উচ্ছে): করলা সাধারণত রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে বলেই পরিচিত। তবে ডা. সেঠির মতে, এটি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতেও সাহায্য করে। আর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সই ফ্যাটি লিভারের অন্যতম বড় কারণ। তাই করলা খেলে পরোক্ষভাবে লিভারও উপকৃত হয়।
এই সবজিগুলি কোনও ম্যাজিক নয়, কিন্তু নিয়মিত খেলে ধীরে ধীরে লিভারের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। হঠাৎ করে বড় পরিবর্তন না এনে, ধীরে ধীরে খাদ্যতালিকায় এগুলি যোগ করলেই মিলবে উপকার। নিয়মিত যত্নই লিভারকে সুস্থ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।
ফারহানা জেরিন