লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে এক গৃহবধূ (২২) ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের চরসীতা গ্রামের একটি বসতঘরে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. সোহেল (৩০) উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুশ শহিদ ভূঁইয়া দুলালের ছেলে এবং ওই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
প্রত্যক্ষদর্শী শাহিদা আক্তার জানান, রোববার দুপুরে সোহেল এক গৃহবধূ ও তার প্রেমিককে আটক করে তার (শাহিদার) বাড়িতে নিয়ে আসেন। জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ঘরের ভেতরে নিয়ে শাহিদার বাধা উপেক্ষা করেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেন সোহেল। শাহিদা জানান, সোহেল ঘর থেকে বের হওয়ার পর ওই নারীর সঙ্গে থাকা কথিত প্রেমিকও তাকে পুনরায় ধর্ষণ করে। ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে না জানাতে শাহিদাকে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বর্তমানে শাহিদা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ তার প্রেমিকের সঙ্গে এলাকায় ঘুরতে এলে সোহেল তাদের আটক করে শাহিদার ঘরে নিয়ে যান। সেখানে প্রেমিকসহ সোহেল ওই নারীকে নির্যাতন করে ছেড়ে দেন।
ধর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত সোহেল দাবি করেন, ওই গৃহবধূ ও তার প্রেমিককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে তিনি কেবল জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছেন। কোনো প্রকার শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি।
চরবাদাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন জসিম জানান, এক নারী (প্রত্যক্ষদর্শী) তাকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তিনি বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে পুলিশকে অবহিত করবেন।
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযুক্ত মো. সোহেল (৩০) উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুশ শহিদ ভূঁইয়া দুলালের ছেলে এবং ওই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
প্রত্যক্ষদর্শী শাহিদা আক্তার জানান, রোববার দুপুরে সোহেল এক গৃহবধূ ও তার প্রেমিককে আটক করে তার (শাহিদার) বাড়িতে নিয়ে আসেন। জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ঘরের ভেতরে নিয়ে শাহিদার বাধা উপেক্ষা করেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেন সোহেল। শাহিদা জানান, সোহেল ঘর থেকে বের হওয়ার পর ওই নারীর সঙ্গে থাকা কথিত প্রেমিকও তাকে পুনরায় ধর্ষণ করে। ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে না জানাতে শাহিদাকে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বর্তমানে শাহিদা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ তার প্রেমিকের সঙ্গে এলাকায় ঘুরতে এলে সোহেল তাদের আটক করে শাহিদার ঘরে নিয়ে যান। সেখানে প্রেমিকসহ সোহেল ওই নারীকে নির্যাতন করে ছেড়ে দেন।
ধর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত সোহেল দাবি করেন, ওই গৃহবধূ ও তার প্রেমিককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে তিনি কেবল জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছেন। কোনো প্রকার শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি।
চরবাদাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন জসিম জানান, এক নারী (প্রত্যক্ষদর্শী) তাকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তিনি বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে পুলিশকে অবহিত করবেন।
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক