রাজশাহীর পুঠিয়ায় সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মানবতার ফেরিওয়ালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট শিবু দাশ। তিনি নীরবে-নিভৃতে ও নিঃস্বার্থভাবে সহযোগিতা করে আসছেন,হয়ে উঠেছেন অসহায় মানুষের আশা-ভরসার ছায়া।
সম্প্রতি তার উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। খাদ্যসামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের ব্যবস্থা করে তিনি প্রমাণ করেছেন দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক নয়, মানবিকও।
এদিকে সোমবার (৩০মার্চ) উপজেলার মাইপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর পুত্র জুয়েল রানা পুঠিয়া উপজেলা ভুমি অফিসেন একটি কাজের জন্য।তার কস্টের কথা শোনে তার প্রতি মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন এসিল্যান্ড শিবু দাশ।তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমাজের অসহায় বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও দিনমজুর পরিবারগুলোর নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন তিনি। কারো ঘরে খাবার নেই, কারো চিকিৎসার টাকা নেই,কারো শীত নিবারণের কাপড় নেই এমন খবর পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সচেতন মহর তার এই উদ্যোগকে “মানবিক প্রশাসনের বাস্তব উদাহরণ” হিসেবে উল্লেখ করছেন।
শুধু সহায়তা নয়, মানুষের সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তা সমাধানে আন্তরিক প্রচেষ্টা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও আপন করে তুলেছে। ফলে পুঠিয়ার মানুষ এখন প্রশাসনকে শুধু ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে নয়, সহানুভূতির আশ্রয় হিসেবেও দেখতে শুরু করেছেন। এমন মানবিক কর্মকাণ্ড নিঃসন্দেহে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। প্রশাসনের এই দায়িত্বশীল ও হৃদয়বান ভূমিকা অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত সেবা আর সেই সেবার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে রয়েছেন পুঠিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শিবু দাশ।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট শিবু দাশ বলেন, কাজ করি দায়িত্ববোধ ও মনের ভাল লাগা থেকে। কোন কিছু পাবার আশায় নয়। সরকারী চকরির সুবাধে যখন যেখানে যাই, সে স্থানকেই নিজের আপন ঠিকানা হিসেবে মনে করি। আমরাও চাই দেশটা একটি সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াঁক। সমাজের অসহায় ছিন্নমুল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আশার আহবান জানিয়েছেন।
সম্প্রতি তার উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। খাদ্যসামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের ব্যবস্থা করে তিনি প্রমাণ করেছেন দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক নয়, মানবিকও।
এদিকে সোমবার (৩০মার্চ) উপজেলার মাইপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর পুত্র জুয়েল রানা পুঠিয়া উপজেলা ভুমি অফিসেন একটি কাজের জন্য।তার কস্টের কথা শোনে তার প্রতি মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন এসিল্যান্ড শিবু দাশ।তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমাজের অসহায় বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও দিনমজুর পরিবারগুলোর নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন তিনি। কারো ঘরে খাবার নেই, কারো চিকিৎসার টাকা নেই,কারো শীত নিবারণের কাপড় নেই এমন খবর পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সচেতন মহর তার এই উদ্যোগকে “মানবিক প্রশাসনের বাস্তব উদাহরণ” হিসেবে উল্লেখ করছেন।
শুধু সহায়তা নয়, মানুষের সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তা সমাধানে আন্তরিক প্রচেষ্টা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও আপন করে তুলেছে। ফলে পুঠিয়ার মানুষ এখন প্রশাসনকে শুধু ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে নয়, সহানুভূতির আশ্রয় হিসেবেও দেখতে শুরু করেছেন। এমন মানবিক কর্মকাণ্ড নিঃসন্দেহে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। প্রশাসনের এই দায়িত্বশীল ও হৃদয়বান ভূমিকা অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত সেবা আর সেই সেবার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে রয়েছেন পুঠিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শিবু দাশ।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট শিবু দাশ বলেন, কাজ করি দায়িত্ববোধ ও মনের ভাল লাগা থেকে। কোন কিছু পাবার আশায় নয়। সরকারী চকরির সুবাধে যখন যেখানে যাই, সে স্থানকেই নিজের আপন ঠিকানা হিসেবে মনে করি। আমরাও চাই দেশটা একটি সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াঁক। সমাজের অসহায় ছিন্নমুল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আশার আহবান জানিয়েছেন।
আলিফ হোসেন