বিহারের নালন্দা জেলায় একটি মন্দিরে পূজা দেওয়ার সময় ব্যাপক ভিড়ের চাপে পদদলিত হয়ে অন্তত আটজন নারী পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে নালন্দা জেলার বিহার শরিফ থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে মাঘরা গ্রামের শীতলাষ্টমী মন্দিরে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
চৈত্র মাসের শেষ মঙ্গলবার হওয়ায় এদিন মন্দিরে দেবী শীতলার দর্শনের জন্য হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভিড় সামলানোর ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনার কারণেই এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং মানুষ দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ছোটাছুটি শুরু করলে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে আসা বিভিন্ন চিত্রে দেখা গেছে, অসংখ্য নারী মাটিতে অচেতন হয়ে পড়ে আছেন এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও সিপিআর দিয়ে সুস্থ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। মমতা দেবী নামের এক পুণ্যার্থী জানান, প্রতি মঙ্গলবারই এখানে ভিড় থাকে, তবে আজকের ভিড় ছিল অস্বাভাবিক।
প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেক দর্শনার্থী। অন্যদিকে অবিনাশ কুমার নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, পূজা ও আচার অনুষ্ঠানগুলো ঠিকঠাকই চলছিল, কিন্তু হঠাৎ কোনো একটি কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং হুড়োহুড়ি শুরু হয়। যদিও মন্দিরে ব্যারিকেডের ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু বিশাল জনস্রোতের সামনে তা কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।
এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল (পিএমএনআরএফ) থেকে নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারও এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ বলে তাঁর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দুর্যোগ ত্রাণ তহবিল থেকে নিহতদের পরিবারকে ৪ লাখ টাকা এবং মুখ্যমন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে আরও ২ লাখ টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে অভিহিত করেছেন এবং জানিয়েছেন যে সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে। আহতদের সুচিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনকে এ ধরনের জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে মন্দির চত্বরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ধর্মীয় উৎসবে এই আকস্মিক প্রাণহানির ঘটনায় পুরো নালন্দা জেলা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। সূত্র: এনডিটিভি
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে নালন্দা জেলার বিহার শরিফ থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে মাঘরা গ্রামের শীতলাষ্টমী মন্দিরে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
চৈত্র মাসের শেষ মঙ্গলবার হওয়ায় এদিন মন্দিরে দেবী শীতলার দর্শনের জন্য হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভিড় সামলানোর ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনার কারণেই এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং মানুষ দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ছোটাছুটি শুরু করলে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে আসা বিভিন্ন চিত্রে দেখা গেছে, অসংখ্য নারী মাটিতে অচেতন হয়ে পড়ে আছেন এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও সিপিআর দিয়ে সুস্থ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। মমতা দেবী নামের এক পুণ্যার্থী জানান, প্রতি মঙ্গলবারই এখানে ভিড় থাকে, তবে আজকের ভিড় ছিল অস্বাভাবিক।
প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেক দর্শনার্থী। অন্যদিকে অবিনাশ কুমার নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, পূজা ও আচার অনুষ্ঠানগুলো ঠিকঠাকই চলছিল, কিন্তু হঠাৎ কোনো একটি কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং হুড়োহুড়ি শুরু হয়। যদিও মন্দিরে ব্যারিকেডের ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু বিশাল জনস্রোতের সামনে তা কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।
এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল (পিএমএনআরএফ) থেকে নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারও এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ বলে তাঁর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দুর্যোগ ত্রাণ তহবিল থেকে নিহতদের পরিবারকে ৪ লাখ টাকা এবং মুখ্যমন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে আরও ২ লাখ টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে অভিহিত করেছেন এবং জানিয়েছেন যে সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে। আহতদের সুচিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনকে এ ধরনের জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে মন্দির চত্বরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ধর্মীয় উৎসবে এই আকস্মিক প্রাণহানির ঘটনায় পুরো নালন্দা জেলা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। সূত্র: এনডিটিভি
আন্তজার্তিক ডেস্ক