মধ্যপ্রাচ্যের আকাশজুড়ে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের কালো মেঘ এখন কেবল পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর উত্তাপ পৌঁছেছে ইউরোপের নীতি-নির্ধারকদের শয়নকক্ষ পর্যন্ত। ইরান ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলের চলমান সংঘাত এবং এর সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতির আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গুইডো ক্রোসেত্তো। এই সংকটের সুদূরপ্রসারী অভিঘাতে তিনি বর্তমানে চরম অনিদ্রা ও উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করছেন বলে জানিয়েছেন।
ইতালীয় প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘লা রিপাবলিকা’-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে ক্রোসেত্তো তার এই মানসিক ও কৌশলগত অস্থিরতার কথা অকপটে স্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমি চব্বিশ ঘণ্টা এই যুদ্ধ এবং এর সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে চিন্তায় আছি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে আমাকে এমন কিছু গোপন তথ্য ও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে, যা আক্ষরিক অর্থেই আমার রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।
ক্রোসেত্তোর এই ‘নির্ঘুম’ থাকার ঘোষণা মূলত পর্দার আড়ালের সেইসব রণকৌশলগত তথ্যের দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা সাধারণ জনমেষের অগোচরে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের এই সংঘাত যদি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়, তবে তার প্রথম ধাক্কা আসবে জ্বালানি বাজারে। ক্রোসেত্তো আশঙ্কা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহ বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য চরম অগ্নিপরীক্ষার সময়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা ইতালির মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য যমদূত হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সাক্ষাৎকারে ইতালীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, তার এই ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা মূলত ইতালির সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান অক্ষুণ্ণ রাখা নিয়ে। তিনি বলেন, আমি উদ্বেগের সাথে পর্যবেক্ষণ করছি যে, এই যুদ্ধ ইতালির জাতীয় অর্থনীতি এবং আমাদের নাগরিকদের প্রাত্যহিক জীবনে কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইন বিঘ্নিত হলে সাধারণ মানুষের রুটি-রুজিতে টান পড়বে— এটিই আমার প্রধান চিন্তার কারণ।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে মার্কিন প্রশাসন ও ন্যাটোর উচ্চপর্যায়ে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে যে রুদ্ধদ্বার বৈঠকগুলো হয়েছে, তাতে ইতালি সক্রিয় অংশীদার ছিল। কূটনীতিকরা মনে করছেন, ক্রোসেত্তো যে ‘জানা জিনিসের’ কথা উল্লেখ করেছেন, তা হয়তো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কোনো সামরিক ফ্রন্ট খোলার সংকেত বা পারমাণবিক উত্তজনা বৃদ্ধির আগাম বার্তা।
ইতালীয় প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘লা রিপাবলিকা’-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে ক্রোসেত্তো তার এই মানসিক ও কৌশলগত অস্থিরতার কথা অকপটে স্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমি চব্বিশ ঘণ্টা এই যুদ্ধ এবং এর সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে চিন্তায় আছি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে আমাকে এমন কিছু গোপন তথ্য ও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে, যা আক্ষরিক অর্থেই আমার রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।
ক্রোসেত্তোর এই ‘নির্ঘুম’ থাকার ঘোষণা মূলত পর্দার আড়ালের সেইসব রণকৌশলগত তথ্যের দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা সাধারণ জনমেষের অগোচরে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের এই সংঘাত যদি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়, তবে তার প্রথম ধাক্কা আসবে জ্বালানি বাজারে। ক্রোসেত্তো আশঙ্কা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহ বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য চরম অগ্নিপরীক্ষার সময়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা ইতালির মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য যমদূত হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সাক্ষাৎকারে ইতালীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, তার এই ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা মূলত ইতালির সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান অক্ষুণ্ণ রাখা নিয়ে। তিনি বলেন, আমি উদ্বেগের সাথে পর্যবেক্ষণ করছি যে, এই যুদ্ধ ইতালির জাতীয় অর্থনীতি এবং আমাদের নাগরিকদের প্রাত্যহিক জীবনে কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইন বিঘ্নিত হলে সাধারণ মানুষের রুটি-রুজিতে টান পড়বে— এটিই আমার প্রধান চিন্তার কারণ।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে মার্কিন প্রশাসন ও ন্যাটোর উচ্চপর্যায়ে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে যে রুদ্ধদ্বার বৈঠকগুলো হয়েছে, তাতে ইতালি সক্রিয় অংশীদার ছিল। কূটনীতিকরা মনে করছেন, ক্রোসেত্তো যে ‘জানা জিনিসের’ কথা উল্লেখ করেছেন, তা হয়তো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কোনো সামরিক ফ্রন্ট খোলার সংকেত বা পারমাণবিক উত্তজনা বৃদ্ধির আগাম বার্তা।
আন্তজার্তিক ডেস্ক