ত্বকের রং বদলে দেওয়া মুখ সাদা করা রূপটান এখন অতীত। বরং মেকআপ যে আছে, আদতে তা বোঝাই যাবে না। অথচ মুখে থাকবে জেল্লা, চটক, নিজস্ব দীপ্তি। রূপটানের যে নয়া ধারা বর্তমানে জনপ্রিয়, তাতে সৌন্দর্য হবে সাবলীল।
রূপটানে ইদানীং ত্বকের সঙ্গে মিলিয়ে ফাউন্ডেশনের রং বাছাইয়ের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তবে শুধু সঠিক শেডই যথেষ্ট নয়, তা কী ভাবে ব্যবহার করতে হবে, তারও কিছু কৌশল রয়েছে।
রূপটান শিল্পীরা বলছেন, রূপটানের পর ত্বক কতটা সজীব, সুন্দর দেখাবে তা অনেকটাই নির্ভর করে ত্বকের উপর। ত্বকের হাইড্রেশন বা আর্দ্রতা এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লন্ডনের এক রূপটান শিল্পী হিরোমে উয়েদা এক সাক্ষাৎকারে জানাচ্ছেন, এমন রূপটানে টোনার খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর পরামর্শ, তুলোয় টোনার নিয়ে খুব ভাল করে মুখে বুলিয়ে নিতে হবে। ফাউন্ডেশন মাখার অন্তত ৫ মিনিট আগে টোনার লাগিয়ে নেওয়া ভাল। তাঁর কথায়, শিট মাস্ক টোনারে ভিজিয়ে মুখ ২-৩ মিনিট রেখে, তার পর আঙুলের সাহায্যে মাসাজ করা যেতে পারে।
টোনিং-এর পর প্রয়োজন ময়েশ্চারাইজার। মুখের উপযোগী ময়েশ্চারাইজার ভাল করে মাসাজ করে নিতে হবে। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে দীর্ঘ ক্ষণ।
মুখের কালচে ভাব, খুঁত ঢাকার জন্য ব্যবহার করা হয় কনসিলার। এর পর কনসিলার দিয়ে চোখের নীচের কালি, মুখের দাগ ঢেকে দেওয়া দরকার। চাইলে কেউ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে কনসিলার মিশিয়ে নিতে পারেন। এতেও মুখে বাড়তি চটক আসে।
একেবারে নিজস্ব ত্বকের রংটি পেতে চাইলে ফাউন্ডেশন বাছতে হবে রং মিলিয়ে। ভেজা স্পঞ্জ বা মেকআপের ব্রাশের সাহায্যে ফাউন্ডেশন খুব ভাল করে মিশিয়ে দিতে হবে ত্বকের সঙ্গে। এই ধাপটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকে যত ভাল ভাবে মিশবে ফাউন্ডেশন, ততই মনে হবে এমন আভা নিজস্ব।
অনেকেই মেকআপের পুরু পরত লাগান। রূপটান শিল্পীরা এমন পন্থাও এড়িয়ে যেতে বলছেন। বরং মেকআপ যত হালকা হবে, ততই মনে হবে সৌন্দর্য নিজস্ব। ধরা যাবে না আলাদা করে ফাউন্ডেশন ব্যবহার হয়েছে, আর সেখানেই মেকআপের সাফল্য।
রূপটানে ইদানীং ত্বকের সঙ্গে মিলিয়ে ফাউন্ডেশনের রং বাছাইয়ের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তবে শুধু সঠিক শেডই যথেষ্ট নয়, তা কী ভাবে ব্যবহার করতে হবে, তারও কিছু কৌশল রয়েছে।
রূপটান শিল্পীরা বলছেন, রূপটানের পর ত্বক কতটা সজীব, সুন্দর দেখাবে তা অনেকটাই নির্ভর করে ত্বকের উপর। ত্বকের হাইড্রেশন বা আর্দ্রতা এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লন্ডনের এক রূপটান শিল্পী হিরোমে উয়েদা এক সাক্ষাৎকারে জানাচ্ছেন, এমন রূপটানে টোনার খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর পরামর্শ, তুলোয় টোনার নিয়ে খুব ভাল করে মুখে বুলিয়ে নিতে হবে। ফাউন্ডেশন মাখার অন্তত ৫ মিনিট আগে টোনার লাগিয়ে নেওয়া ভাল। তাঁর কথায়, শিট মাস্ক টোনারে ভিজিয়ে মুখ ২-৩ মিনিট রেখে, তার পর আঙুলের সাহায্যে মাসাজ করা যেতে পারে।
টোনিং-এর পর প্রয়োজন ময়েশ্চারাইজার। মুখের উপযোগী ময়েশ্চারাইজার ভাল করে মাসাজ করে নিতে হবে। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে দীর্ঘ ক্ষণ।
মুখের কালচে ভাব, খুঁত ঢাকার জন্য ব্যবহার করা হয় কনসিলার। এর পর কনসিলার দিয়ে চোখের নীচের কালি, মুখের দাগ ঢেকে দেওয়া দরকার। চাইলে কেউ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে কনসিলার মিশিয়ে নিতে পারেন। এতেও মুখে বাড়তি চটক আসে।
একেবারে নিজস্ব ত্বকের রংটি পেতে চাইলে ফাউন্ডেশন বাছতে হবে রং মিলিয়ে। ভেজা স্পঞ্জ বা মেকআপের ব্রাশের সাহায্যে ফাউন্ডেশন খুব ভাল করে মিশিয়ে দিতে হবে ত্বকের সঙ্গে। এই ধাপটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকে যত ভাল ভাবে মিশবে ফাউন্ডেশন, ততই মনে হবে এমন আভা নিজস্ব।
অনেকেই মেকআপের পুরু পরত লাগান। রূপটান শিল্পীরা এমন পন্থাও এড়িয়ে যেতে বলছেন। বরং মেকআপ যত হালকা হবে, ততই মনে হবে সৌন্দর্য নিজস্ব। ধরা যাবে না আলাদা করে ফাউন্ডেশন ব্যবহার হয়েছে, আর সেখানেই মেকআপের সাফল্য।
ফারহানা জেরিন