ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬ , ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা অসুস্থ্য টুটুলকে দেখতে গেলেন রাসিক প্রশাসক জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন নোরা ফাতেহি মাজেদের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে রিয়েল এস্টেট কোম্পানির চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন আরএমপির ৩৪তম পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির নাটোরে ৫ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার সলঙ্গায় ১৮০ বোতল স্ক্যাফসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল জব্দ চট্টগ্রামে ১৯৭০ পিস ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেফতার গণমাধ্যমকে স্বাধীন কাঠামোর ওপর দাঁড় করাতে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী ইন্দোনেশিয়া থেকে ২ কোটি লিটার সয়াবিন তেল আনবে সরকার ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, ওদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী ফিক্সিংয়ের অভিযোগে এক ক্রিকেটারসহ ৫ জনকে শাস্তি দিলো বিসিবি শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার সময় নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত তীয় সন্তান জন্মের পর স্তন্যপানের কোন অভিজ্ঞতার কথা জানালেন ইলিয়ানা ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে চতুর্থদিনেও নোয়াখালীতে বিক্ষোভ রেমিট্যান্সে সুবাতাস, ৬ দিনেই এলো ৭৫ কোটি ডলার ভুল থাকতে পারে দৈনন্দিন অভ্যাসেই, জীবনযাপনে কোন বদল জরুরি স্মার্টফোনে জুয়া খেলায় যুবকের জেল-জরিমানা ১১৮ জনের স্বাক্ষর নিয়ে আসুন, থালাপতিকে আবারও ফিরিয়ে দিলেন গভর্নর রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময়

তানোরের আলু চাষিদের কান্না কেউ দেখে না

  • আপলোড সময় : ২৮-০৩-২০২৬ ০৭:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০৩-২০২৬ ০৭:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন
তানোরের আলু চাষিদের কান্না কেউ দেখে না তানোরের আলু চাষিদের কান্না কেউ দেখে না
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে আলু চাষিরা ফের লোকসানের মুখে পড়েছেন। আলুর ফলন তুলনামূলক ভালো। তবে দাম না থাকার সঙ্গে ঢলন প্রথায় আলু চাষিরা হতাশ। আলু বিক্রি করতে প্রতি মণে ৫ কেজি ঢলন (অতিঃ) আলু দিতে হচ্ছে।
চাষিরা বলছেন, এক সপ্তাহ আগেও জমিতে নতুন আলু ১৫ থেকে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন ১৪ টাকা।অথচ এক কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ১৮ টাকা।এর সঙ্গে হিমাগারে মজুদ করতে আনুষঙ্গিক খরচ যোগ হবে ১২ টাকা।
অন্যদিকে বস্তা নেই অজুহাতে মজুতকারি ব্যবসায়ীরা জমি থেকে সরাসরি আলু কেনা বন্ধ করেছেন। ফলে আলুর দামে বিপর্যয় নেমে এসেছে। শুক্রবার বিভিন্ন এলাকার জমিতে আলু বিক্রি হয়েছে ১৩-১৪ টাকা কেজি দরে।সব মিলিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে আলু চাষিরা।
আলু চাষিরা অভিযোগ করছেন, আলু তোলার মৌসুম শুরু হওয়ার পর বস্তা সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়েছে। কম দামে আলু কিনতেই কৃত্রিমভাবে বস্তা সংকট তৈরি করেছে হিমাগার মালিক, জুট মিলস মালিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৌসুমি মজুতকারি ব্যবসায়ী ও ফড়িয়ারা। গত বছর যে বস্তার দাম ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা সেই বস্তা এবার চাষিদের কিনতে হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে বস্তার অর্ডার করলে মিলছে দশ দিন পর।এতে অনেকে পানির দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। আলু চাষি লুৎফর বলেন, ৫০০ টাকা মজুরির শ্রমিকের মজুরি ৭০০ টাকা,৭০ টাকার বস্তা ২০০ টাকা,এক হাজার টাকা গাড়ি ভাড়া এখন তিন হাজার টাকা আলু চাষিরা যাবে কোথায়। বাড়তি দাম দিয়ে সার-কীটনাশক ও সেচ দিয়ে আলু চাষ করাটা যেনো তাদের অপরাধ। তারা আর কতো লোকসান গুনবে।
এদিকে সচেতন মহল বলছে, ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষিদের প্রণোদনা দিয়ে টিকিয়ে রাখা উচিত।কারণ বার বার লোকসান গুনতে গুনতে তারা দেউলিয়া হয়ে কৃষি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে, সারাদেশে খাদ্য ঘাটতি ও অর্থনীতির ওপর বিরুপ প্রভাব পড়বে। উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) কালনা এলাকার আলু চাষি হাবিবুর রহমান বলেন,গত বছর ৬০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করে তার প্রায় ২০ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।এবার তিনি মাত্র ১৪ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন। এবারো লোকসান হবে। আলু চাষি মাহাবুর  বলেন, গত বছর ৮ বিঘা আলু চাষ করে তার প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে।এবার তিনি মাত্র ৩ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন। এবারো লোকসান হবে।
তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, চলতি মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে  ১২ হাজার ১৯০ হেক্টর। যা গতবারের চেয়ে ১২০০ হেক্টর কম।গত মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩ হাজার ১১৫ হেক্টর। দামের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, তাদের কাজ হচ্ছে চাষাবাদে রোগ বালাই আছে কি না ও রোগ বালাই হলে দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। দামের বিষয় কৃষি বিপণন বিভাগের কাজ।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান জানান, কোথাও কোথাও বস্তা সংকট আছে বলে শোনা যাচ্ছে। সমস্যাটা প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক। গত বছরের তুলনায় এবার আলুর আবাদ কিছুটা কমেছে। আলু সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন পদক্ষেপ নিলে চাষিদের সুবিধা হবে। ঝড়-বৃষ্টির মৌসুম হওয়ায় চাষিরা দ্রুত জমি থেকে আলু তুলে ফেলছেন।
রাজশাহী হিমাগার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান জানান, বস্তা সংকট হচ্ছে জ্বালানি সংকটের কারণে। ফলে আলু চাষিরা কিছুটা সমস্যায় আছে। এতে কোনো সিন্ডিকেট কাজ করছে না বলে তিনি দাবি করেন।#

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আরএমপির ৩৪তম পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির

আরএমপির ৩৪তম পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির