ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি-আলোচনায় মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছে পাকিস্তান। রয়টার্সের সাথে কথা বলা ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, আমেরিকার প্রস্তাব ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পৌঁছেছে। যদিও ইরান সরকার এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় বসার নিশ্চয়তা দেয়নি, পাকিস্তানের ‘দৌত্য’ কূটনৈতিক উদ্যোগে ইরানের আগ্রহের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
ওই ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনা পাকিস্তানের মাটিতে বা বিকল্পভাবে তুরস্কেও অনুষ্ঠিত হতে পারে। তুরস্কও ইরান-আমেরিকা মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং একাধিকবার এ সংক্রান্ত আলোচনা তেহরানের সঙ্গে করেছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ বুধবার প্রকাশ করেছেন, তিনি ইরান ও আমেরিকার প্রতিনিধিদের মুখোমুখি বসানোর ইচ্ছা রাখেন। এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে পাকিস্তানের প্রস্তাবকে আপাতভাবে সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তবে তেহরান তুরস্কের ভূমিকাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। তুরস্কের শাসক দলের শীর্ষনেতা হারুন আর্মাগান রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বার্তা আদানপ্রদানে তারা সক্রিয়, তবে ইরান সরাসরি এখনও কোনো সমঝোতা স্বীকার করেনি। ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বেঘায়েই সতর্ক করে বলেছেন, “আমেরিকার কূটনীতিতে সম্পূর্ণ ভরসা করা যাবে না। দেশরক্ষা ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান দায়িত্ব।”
এদিকে, ইজরায়েলও আলোচনার দিকে নজর রাখছে। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তার নিরাপত্তা পরিষদকে আমেরিকার প্রস্তাব সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেছেন।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতার আগে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ দাবি করেছিলেন। তবে যুদ্ধের চতুর্থ সপ্তাহে তিনি মনোভাব কিছুটা নরম করেছেন এবং ইতিবাচক আলোচনার সংকেত দিয়েছেন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কতটা ফল মিলবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ওই ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনা পাকিস্তানের মাটিতে বা বিকল্পভাবে তুরস্কেও অনুষ্ঠিত হতে পারে। তুরস্কও ইরান-আমেরিকা মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং একাধিকবার এ সংক্রান্ত আলোচনা তেহরানের সঙ্গে করেছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ বুধবার প্রকাশ করেছেন, তিনি ইরান ও আমেরিকার প্রতিনিধিদের মুখোমুখি বসানোর ইচ্ছা রাখেন। এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে পাকিস্তানের প্রস্তাবকে আপাতভাবে সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তবে তেহরান তুরস্কের ভূমিকাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। তুরস্কের শাসক দলের শীর্ষনেতা হারুন আর্মাগান রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বার্তা আদানপ্রদানে তারা সক্রিয়, তবে ইরান সরাসরি এখনও কোনো সমঝোতা স্বীকার করেনি। ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বেঘায়েই সতর্ক করে বলেছেন, “আমেরিকার কূটনীতিতে সম্পূর্ণ ভরসা করা যাবে না। দেশরক্ষা ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান দায়িত্ব।”
এদিকে, ইজরায়েলও আলোচনার দিকে নজর রাখছে। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তার নিরাপত্তা পরিষদকে আমেরিকার প্রস্তাব সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেছেন।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতার আগে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ দাবি করেছিলেন। তবে যুদ্ধের চতুর্থ সপ্তাহে তিনি মনোভাব কিছুটা নরম করেছেন এবং ইতিবাচক আলোচনার সংকেত দিয়েছেন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কতটা ফল মিলবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
আন্তজার্তিক ডেস্ক