গণহত্যা দিবস উপলক্ষে ২৫ মার্চ দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারি কলেজে এক তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও প্রেক্ষাপট নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে কলেজের শিক্ষক পরিষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক পরিষদের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর খন্দকার মো. হুমায়ুন রেজা কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক মো. মতিউর রহমান।
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কাসেম (৯নং সেক্টর)। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রির বিভীষিকাময় ঘটনাবলি তুলে ধরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সংঘটিত নির্মম গণহত্যার স্মৃতি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের মাঝে পৌঁছে দেওয়া এবং সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উদযাপন উপ-কমিটির আহ্বায়ক মো. মোহাইমিনুল ইসলাম। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর ও শোকাবহ অধ্যায়, যা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব ও নৈতিক অঙ্গীকার।
আলোচনা সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও প্রেক্ষাপট নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে কলেজের শিক্ষক পরিষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক পরিষদের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর খন্দকার মো. হুমায়ুন রেজা কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক মো. মতিউর রহমান।
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কাসেম (৯নং সেক্টর)। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রির বিভীষিকাময় ঘটনাবলি তুলে ধরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সংঘটিত নির্মম গণহত্যার স্মৃতি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের মাঝে পৌঁছে দেওয়া এবং সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উদযাপন উপ-কমিটির আহ্বায়ক মো. মোহাইমিনুল ইসলাম। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর ও শোকাবহ অধ্যায়, যা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব ও নৈতিক অঙ্গীকার।
আলোচনা সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
কংকনা রায়, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: