ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ)সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আল্লামা আল ওয়াদুদ বিন নূর আলিফ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাবের আলী, শফিউল হাসান, মামুনুর রশিদ, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক আনোয়ারুল ইসলামসহ উপকারভোগী কৃষকরা। চলতি অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় পাট, গ্রীষ্মকালীন মুগডাল ও আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলার কৃষকদের মাঝে নির্ধারিত হারে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।
পাট চাষের জন্য ১৫০ জন কৃষক প্রত্যেকে পেয়েছেন ১ কেজি পাট বীজ, ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার। মুগডাল চাষের জন্য ১৮০ জন কৃষক পেয়েছেন ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার। এছাড়া আউশ ধান চাষের জন্য ৩ হাজার ২০০ জন কৃষক প্রত্যেকে পেয়েছেন ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে এবং খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বুধবার (২৫ মার্চ)সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আল্লামা আল ওয়াদুদ বিন নূর আলিফ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাবের আলী, শফিউল হাসান, মামুনুর রশিদ, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক আনোয়ারুল ইসলামসহ উপকারভোগী কৃষকরা। চলতি অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় পাট, গ্রীষ্মকালীন মুগডাল ও আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলার কৃষকদের মাঝে নির্ধারিত হারে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।
পাট চাষের জন্য ১৫০ জন কৃষক প্রত্যেকে পেয়েছেন ১ কেজি পাট বীজ, ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার। মুগডাল চাষের জন্য ১৮০ জন কৃষক পেয়েছেন ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার। এছাড়া আউশ ধান চাষের জন্য ৩ হাজার ২০০ জন কৃষক প্রত্যেকে পেয়েছেন ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে এবং খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি