বরগুনার তালতলী থানার চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্বামী মোঃ ফরহাদ পহলান (৩০) এবং তার সহযোগী আব্দুর রব পহলান (৬০) কে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-৮, বরিশালের যৌথ আভিযানিক দল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের জোরালগঞ্জ থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
নিহত মোছাঃ আছিয়া আক্তার (২৩) বরগুনার তালতলী উপজেলার মৌরভী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ছয় বছর আগে তার সঙ্গে ফরহাদ পহলানের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে আছিয়াকে শারীরিক নির্যাতন করা হতো।
গত ৬ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ফরহাদ পহলান ভিকটিমের বাবাকে ফোন করে জানায়, তার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে স্বজনরা শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আছিয়াকে বারান্দায় শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পান এবং তার গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন লক্ষ্য করেন। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আছিয়ার বাবা বাদী হয়ে তালতলী থানায় ৫ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ১১(ক)/৩০ ধারায় নথিভুক্ত হয় (মামলা নং-৭, তারিখ: ৭ মার্চ ২০২৬)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে দুই আসামি চট্টগ্রামের জোরালগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করছে। এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিট ও ৭টা ৩৫ মিনিটে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-৮, বরিশালের যৌথ আভিযানিক দল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের জোরালগঞ্জ থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
নিহত মোছাঃ আছিয়া আক্তার (২৩) বরগুনার তালতলী উপজেলার মৌরভী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ছয় বছর আগে তার সঙ্গে ফরহাদ পহলানের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে আছিয়াকে শারীরিক নির্যাতন করা হতো।
গত ৬ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ফরহাদ পহলান ভিকটিমের বাবাকে ফোন করে জানায়, তার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে স্বজনরা শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আছিয়াকে বারান্দায় শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পান এবং তার গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন লক্ষ্য করেন। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আছিয়ার বাবা বাদী হয়ে তালতলী থানায় ৫ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ১১(ক)/৩০ ধারায় নথিভুক্ত হয় (মামলা নং-৭, তারিখ: ৭ মার্চ ২০২৬)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে দুই আসামি চট্টগ্রামের জোরালগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করছে। এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিট ও ৭টা ৩৫ মিনিটে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
নিজস্ব প্রতিবেদক