মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যা আমদানিনির্ভর দেশগুলোকে বেশি প্রভাবিত করছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। দেশের মজুত সক্ষমতার তুলনায় তেল-গ্যাসের মজুত মাত্র ২০ শতাংশেরও কম, যা দিয়ে চলা সম্ভব ৮ থেকে ১২ দিন।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান পাল্টা আক্রমণ চালায়, ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চরম আকার ধারণ করেছে। এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানিখাতেও পড়েছে। সরবরাহে ঘাটতি, মজুত কম এবং দাম বাড়ার কারণে আমদানিনির্ভর দেশগুলো কঠিন অবস্থার মুখোমুখি।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, ২১ মার্চ পর্যন্ত ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল, ফার্নেস ওয়েল ও জেট ফুয়েলসহ ৫ ক্যাটাগরির জ্বালানি মজুত ছিল ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৫৯ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের মজুত ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫৮৪ মেট্রিক টন।
চাহিদা অনুযায়ী, এই মজুত দিয়ে চলা যাবে ৮ থেকে ১২ দিন। বিপিসির ২৬টি ডিপোতে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল সংরক্ষণের সক্ষমতা ৮ লাখ ১২ হাজার ৫৬১ মেট্রিক টন হলেও, ২১ মার্চ পর্যন্ত মজুত ছিল মাত্র সক্ষমতার ২০ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান স্টোরেজ এবং বিতরণ ব্যবস্থায় দুর্বলতা রয়েছে। সাপ্লাই চেইন বিশেষজ্ঞ মো. মজিবুল হক বলেন, স্টোরেজ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল শক্তিশালী করতে হবে। না হলে কৃষি, শিল্প ও পরিবহন খাত সবই হুমকির মুখে পড়বে।
তবে বিপিসি আশ্বাস দিয়েছে, মজুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। তারা জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সংরক্ষণ সময় ৫৫ দিন থেকে ৯০ দিনে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে। বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের স্টোরেজ ক্ষমতা ৫৫ দিন। আমরা এটাকে ৯০ দিনে নিতে চাই। যদি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফুয়েল ঠিকমতো নেয়া হয়, আর কোনো সমস্যা হবে না।’
ঈদের পর একযোগে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সংযম ও সাশ্রয়ী ব্যবহার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি আমাদের হাতে নয়, তবে আমরা এর ভুক্তভোগী। এজন্য সংযমী হতে হবে, সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। সবাই মিলে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।
এদিকে, সরকার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ ও আমদানি বাড়িয়ে জ্বালানি সংকট নিরসনে কাজ করছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান পাল্টা আক্রমণ চালায়, ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চরম আকার ধারণ করেছে। এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানিখাতেও পড়েছে। সরবরাহে ঘাটতি, মজুত কম এবং দাম বাড়ার কারণে আমদানিনির্ভর দেশগুলো কঠিন অবস্থার মুখোমুখি।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, ২১ মার্চ পর্যন্ত ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল, ফার্নেস ওয়েল ও জেট ফুয়েলসহ ৫ ক্যাটাগরির জ্বালানি মজুত ছিল ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৫৯ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের মজুত ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫৮৪ মেট্রিক টন।
চাহিদা অনুযায়ী, এই মজুত দিয়ে চলা যাবে ৮ থেকে ১২ দিন। বিপিসির ২৬টি ডিপোতে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল সংরক্ষণের সক্ষমতা ৮ লাখ ১২ হাজার ৫৬১ মেট্রিক টন হলেও, ২১ মার্চ পর্যন্ত মজুত ছিল মাত্র সক্ষমতার ২০ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান স্টোরেজ এবং বিতরণ ব্যবস্থায় দুর্বলতা রয়েছে। সাপ্লাই চেইন বিশেষজ্ঞ মো. মজিবুল হক বলেন, স্টোরেজ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল শক্তিশালী করতে হবে। না হলে কৃষি, শিল্প ও পরিবহন খাত সবই হুমকির মুখে পড়বে।
তবে বিপিসি আশ্বাস দিয়েছে, মজুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। তারা জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সংরক্ষণ সময় ৫৫ দিন থেকে ৯০ দিনে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে। বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের স্টোরেজ ক্ষমতা ৫৫ দিন। আমরা এটাকে ৯০ দিনে নিতে চাই। যদি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফুয়েল ঠিকমতো নেয়া হয়, আর কোনো সমস্যা হবে না।’
ঈদের পর একযোগে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সংযম ও সাশ্রয়ী ব্যবহার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি আমাদের হাতে নয়, তবে আমরা এর ভুক্তভোগী। এজন্য সংযমী হতে হবে, সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। সবাই মিলে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।
এদিকে, সরকার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ ও আমদানি বাড়িয়ে জ্বালানি সংকট নিরসনে কাজ করছে।
অনলাইন ডেস্ক