জুলাই আন্দোলনের চেতনা ও পরিচয়কে ব্যবহার করে রাজশাহীতে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অর্পিত সম্পত্তি দখল, প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জমি নিজের নামে নেওয়া, টেন্ডার কারসাজি এবং একাধিক যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি গোলাম রাব্বানী, যিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক এবং নিজেকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গোলাম রাব্বানী ২০২৩ সালে রাজশাহীর তানোর উপজেলার সাদিপুর ও মুণ্ডুমালা মৌজায় প্রায় ৮.৩০ একর (২৪ বিঘার বেশি) জমি ক্রয় করেন, যার দলিলমূল্য প্রায় ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। তবে স্থানীয়দের দাবি, জমিগুলো সরকারের ‘খ’ তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি, যা দীর্ঘদিন ধরে ভূমিহীন পরিবারগুলো লিজ নিয়ে ভোগদখল করে আসছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কৌশলে প্রথমে জমি অন্যের নামে দেখিয়ে পরে নিজের নামে দলিল করে নেন রাব্বানী। বর্তমানে সেখানে বসবাসরত পরিবারগুলোকে উচ্ছেদের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
যদিও রাব্বানীর দাবি, তিনি বৈধভাবেই জমি কিনেছেন এবং এটি অর্পিত সম্পত্তি নয়।
তানোরে আরও প্রায় ৩০ বিঘা অর্পিত সম্পত্তি ব্যক্তিমালিকানায় নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দেবাশীষ রায় নামের এক ব্যক্তির আবেদনে গোলাম রাব্বানীর সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও শুনানিতে প্রমাণ না পাওয়ায় নামজারি বাতিল করা হয়।
রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) অধীনে নির্মিত একটি ভবন, যা ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে ব্যবহারের কথা ছিল, তা পরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেওয়ার ঘটনায়ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট টেন্ডারে প্রভাব খাটিয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে আরডিএর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি।
গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে অন্তত দুই নারী সাংবাদিক যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন। এর মধ্যে একটি ঘটনায় মামলা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পাওয়ার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।
অভিযোগকারী এক নারী সাংবাদিক দাবি করেন, অফিসে ডেকে নিয়ে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন এবং আইনি পদক্ষেপ নেন।
রাব্বানী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এগুলো তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।
এ ছাড়া রাজশাহী সিটি করপোরেশন থেকে অর্থ আত্মসাৎ, মামলাবাণিজ্য এবং প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। এসব বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।
তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়গুলো তদন্তসাপেক্ষ এবং কিভাবে এত সম্পত্তি এককভাবে অর্জিত হয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশ বলছে, যৌন হয়রানির মামলাগুলো তদন্তাধীন এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোলাম রাব্বানী সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এসব মনগড়া ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত সত্য যাচাই করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গোলাম রাব্বানী ২০২৩ সালে রাজশাহীর তানোর উপজেলার সাদিপুর ও মুণ্ডুমালা মৌজায় প্রায় ৮.৩০ একর (২৪ বিঘার বেশি) জমি ক্রয় করেন, যার দলিলমূল্য প্রায় ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। তবে স্থানীয়দের দাবি, জমিগুলো সরকারের ‘খ’ তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি, যা দীর্ঘদিন ধরে ভূমিহীন পরিবারগুলো লিজ নিয়ে ভোগদখল করে আসছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কৌশলে প্রথমে জমি অন্যের নামে দেখিয়ে পরে নিজের নামে দলিল করে নেন রাব্বানী। বর্তমানে সেখানে বসবাসরত পরিবারগুলোকে উচ্ছেদের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
যদিও রাব্বানীর দাবি, তিনি বৈধভাবেই জমি কিনেছেন এবং এটি অর্পিত সম্পত্তি নয়।
তানোরে আরও প্রায় ৩০ বিঘা অর্পিত সম্পত্তি ব্যক্তিমালিকানায় নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দেবাশীষ রায় নামের এক ব্যক্তির আবেদনে গোলাম রাব্বানীর সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও শুনানিতে প্রমাণ না পাওয়ায় নামজারি বাতিল করা হয়।
রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) অধীনে নির্মিত একটি ভবন, যা ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে ব্যবহারের কথা ছিল, তা পরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেওয়ার ঘটনায়ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট টেন্ডারে প্রভাব খাটিয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে আরডিএর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি।
গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে অন্তত দুই নারী সাংবাদিক যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন। এর মধ্যে একটি ঘটনায় মামলা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পাওয়ার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।
অভিযোগকারী এক নারী সাংবাদিক দাবি করেন, অফিসে ডেকে নিয়ে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন এবং আইনি পদক্ষেপ নেন।
রাব্বানী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এগুলো তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।
এ ছাড়া রাজশাহী সিটি করপোরেশন থেকে অর্থ আত্মসাৎ, মামলাবাণিজ্য এবং প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। এসব বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।
তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়গুলো তদন্তসাপেক্ষ এবং কিভাবে এত সম্পত্তি এককভাবে অর্জিত হয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশ বলছে, যৌন হয়রানির মামলাগুলো তদন্তাধীন এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোলাম রাব্বানী সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এসব মনগড়া ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত সত্য যাচাই করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক