ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় এখন মুখর দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কাপড়ের বাজার। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ক্রেতাদের চাপ। সকাল থেকে শুরু হওয়া ভিড় সন্ধ্যার পর রূপ নিচ্ছে উপচে পড়া জনসমাগমে। ক্রেতাদের সুবিধার্থে অনেক দোকান রাত পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌর শহরের প্রধান মার্কেট ও বিপণিবিতানগুলোতে পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা। শিশু, নারী ও পুরুষ; সবার জন্য বাহারি পোশাকের সমারোহ চোখে পড়ার মতো। পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্ট, থ্র্রি-পিস, শাড়ি, গাউন ও লেহেঙ্গাসহ বিভিন্ন নতুন ডিজাইনের পোশাকে ভরপুর দোকানগুলো।
বিশেষ করে নারীদের পোশাকের ক্ষেত্রে পাকিস্তানি, ফারসি (ইরানি), তুর্কি ও ভারতীয় ডিজাইনের থ্রি-পিস ও গাউনের চাহিদা বেশি। নকশা, কারুকাজ ও রঙের বৈচিত্র্য ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।
দাম বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাঞ্জাবি ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, শার্ট ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা, প্যান্ট ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। নারীদের থ্রি-পিস ১ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, গাউন ২ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা এবং শাড়ি ১ হাজার ৫০০ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। শিশুদের পোশাক ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
ক্রেতা জুলফিকার আলী বলেন, শেষ সময়ে ভিড় বেশি হলেও পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। নতুন ডিজাইন ভালো লাগছে, তবে দাম কিছুটা বেশি।
তরুণী ক্রেতা সাবরিনা আক্তার বেবি বলেন, বিদেশি ডিজাইনের পোশাকগুলো আকর্ষণীয়, তবে দামের তারতম্য থাকায় যাচাই করে কিনতে হচ্ছে।
ক্রেতা মো. মোস্তাকিম বাবু বলেন, বাচ্চাদের পোশাক কিনতে এসেছি। ঈদের আনন্দের জন্য ভিড়ের মধ্যেও কেনাকাটা করতেই হয়।
ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরুতে বিক্রি কম থাকলেও শেষ সপ্তাহে এসে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরেছে। ফুলবাড়ী বাজারের ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, এখন প্রতিদিনই ভালো বিক্রি হচ্ছে। সন্ধ্যার পর ক্রেতার চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। শেষ দুই-তিন দিনে বিক্রি আরও বাড়বে।
আরেক ব্যবসায়ী মুক্তার শেখ বলেন, দেশি পোশাকের পাশাপাশি পাকিস্তানি, ভারতীয় ও তুর্কি ডিজাইনের কাপড়ের চাহিদা বেশি। নতুন কালেকশন আনার ফলে ক্রেতাদের সাড়া মিলছে।
এদিকে বাজারের শৃঙ্খলা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে তৎপর রয়েছে পৌর প্রশাসন। ফুলবাড়ী পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামিউল ইসলাম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে বাজার এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। যানজট নিরসন ও নিরাপদ কেনাকাটা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌর শহরের প্রধান মার্কেট ও বিপণিবিতানগুলোতে পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা। শিশু, নারী ও পুরুষ; সবার জন্য বাহারি পোশাকের সমারোহ চোখে পড়ার মতো। পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্ট, থ্র্রি-পিস, শাড়ি, গাউন ও লেহেঙ্গাসহ বিভিন্ন নতুন ডিজাইনের পোশাকে ভরপুর দোকানগুলো।
বিশেষ করে নারীদের পোশাকের ক্ষেত্রে পাকিস্তানি, ফারসি (ইরানি), তুর্কি ও ভারতীয় ডিজাইনের থ্রি-পিস ও গাউনের চাহিদা বেশি। নকশা, কারুকাজ ও রঙের বৈচিত্র্য ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।
দাম বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাঞ্জাবি ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, শার্ট ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা, প্যান্ট ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। নারীদের থ্রি-পিস ১ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, গাউন ২ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা এবং শাড়ি ১ হাজার ৫০০ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। শিশুদের পোশাক ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
ক্রেতা জুলফিকার আলী বলেন, শেষ সময়ে ভিড় বেশি হলেও পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। নতুন ডিজাইন ভালো লাগছে, তবে দাম কিছুটা বেশি।
তরুণী ক্রেতা সাবরিনা আক্তার বেবি বলেন, বিদেশি ডিজাইনের পোশাকগুলো আকর্ষণীয়, তবে দামের তারতম্য থাকায় যাচাই করে কিনতে হচ্ছে।
ক্রেতা মো. মোস্তাকিম বাবু বলেন, বাচ্চাদের পোশাক কিনতে এসেছি। ঈদের আনন্দের জন্য ভিড়ের মধ্যেও কেনাকাটা করতেই হয়।
ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরুতে বিক্রি কম থাকলেও শেষ সপ্তাহে এসে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরেছে। ফুলবাড়ী বাজারের ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, এখন প্রতিদিনই ভালো বিক্রি হচ্ছে। সন্ধ্যার পর ক্রেতার চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। শেষ দুই-তিন দিনে বিক্রি আরও বাড়বে।
আরেক ব্যবসায়ী মুক্তার শেখ বলেন, দেশি পোশাকের পাশাপাশি পাকিস্তানি, ভারতীয় ও তুর্কি ডিজাইনের কাপড়ের চাহিদা বেশি। নতুন কালেকশন আনার ফলে ক্রেতাদের সাড়া মিলছে।
এদিকে বাজারের শৃঙ্খলা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে তৎপর রয়েছে পৌর প্রশাসন। ফুলবাড়ী পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামিউল ইসলাম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে বাজার এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। যানজট নিরসন ও নিরাপদ কেনাকাটা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কংকনা রায়, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: