জুয়েল রানা নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার দামপুরা এলাকায় ১৬ বিঘা জমিতে আমের বাগান ও সাড়ে ছয় বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করেন। এছাড়াও রয়েছে গরুর খামার। এসবে সেচ ও আলো জ্বালানোর জন্য তিনি সোলার প্যানেল স্থাপন করেছেন। সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করেন। গত রোববার (১৫ মার্চ) রাতের ঝড়ে সেই সোলার প্যানেল নষ্ট হয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত ও সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এই ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় তিনি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
জুয়েল রানা বলেন, আমি ৫ বছর আগে এই এলাকায় নিজস্ব জমি ও বর্গা নিয়ে ড্রাগন ও আম বাগান গড়ে তুলেছি। ড্রাগন বাগানে সেচ ও 'লাইটিং' এবং আম বাগানে সেচ দেওয়ার জন্য এক বছর আগে সোলার প্যানেল লাগিয়েছিলাম। তিন মাসে আগে আরও কিছু প্যানেল লাগিয়েছিলাম। দুইবারে ২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্যানেল বসানো হয়। গত রোববার রাতের ঝড়ে সাত কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্যানেলের ক্ষয়ক্ষতি হয়, বাদবাকিটা ভালোভাবে কাজ করছে না। বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছি।
তিনি বলেন, সোলার প্যানেল নষ্ট হওয়ায় ড্রাগন বাগানে সেচ ও 'লাইটিং', আম বাগানে সেচ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া বিদ্যুৎ না থাকায় গরুর খামারে লাইট জ্বালানো, ফ্যান চালানো, পানি তোলা, খড় কাটা, ঘাস কাটা মেশিন বন্ধ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, 'আমার সোলার প্যানেলে উৎপন্ন বিদ্যুৎ নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে পল্লী বিদ্যুৎতের কাছে সরবরাহ করছিলাম। প্যানেল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটাও বন্ধ হয়ে গেছে।
আমের গাছগুলোতে গুটি আম ধরেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বাগানের পরিচর্যা ব্যাহত হচ্ছে।'
নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়ামতপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ- মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মোহম্মদ মেশবাহুল হক জানান, 'সোলার প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ আমাকে বিষয়টি জানায়নি।' তিনি জুয়েল রানাকে তাঁর কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে বলেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুর্শিদা খাতুন বলেন, রোববার রাতের ঝড়ে উপজেলার অনেকের বাড়ি-ঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার ছবিসহ তাঁর (ইউএনও) বরাবর আবেদন করতে বলেছেন।
জুয়েল রানা বলেন, আমি ৫ বছর আগে এই এলাকায় নিজস্ব জমি ও বর্গা নিয়ে ড্রাগন ও আম বাগান গড়ে তুলেছি। ড্রাগন বাগানে সেচ ও 'লাইটিং' এবং আম বাগানে সেচ দেওয়ার জন্য এক বছর আগে সোলার প্যানেল লাগিয়েছিলাম। তিন মাসে আগে আরও কিছু প্যানেল লাগিয়েছিলাম। দুইবারে ২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্যানেল বসানো হয়। গত রোববার রাতের ঝড়ে সাত কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্যানেলের ক্ষয়ক্ষতি হয়, বাদবাকিটা ভালোভাবে কাজ করছে না। বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছি।
তিনি বলেন, সোলার প্যানেল নষ্ট হওয়ায় ড্রাগন বাগানে সেচ ও 'লাইটিং', আম বাগানে সেচ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া বিদ্যুৎ না থাকায় গরুর খামারে লাইট জ্বালানো, ফ্যান চালানো, পানি তোলা, খড় কাটা, ঘাস কাটা মেশিন বন্ধ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, 'আমার সোলার প্যানেলে উৎপন্ন বিদ্যুৎ নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে পল্লী বিদ্যুৎতের কাছে সরবরাহ করছিলাম। প্যানেল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটাও বন্ধ হয়ে গেছে।
আমের গাছগুলোতে গুটি আম ধরেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বাগানের পরিচর্যা ব্যাহত হচ্ছে।'
নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়ামতপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ- মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মোহম্মদ মেশবাহুল হক জানান, 'সোলার প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ আমাকে বিষয়টি জানায়নি।' তিনি জুয়েল রানাকে তাঁর কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে বলেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুর্শিদা খাতুন বলেন, রোববার রাতের ঝড়ে উপজেলার অনেকের বাড়ি-ঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার ছবিসহ তাঁর (ইউএনও) বরাবর আবেদন করতে বলেছেন।
সবুজ সরকার নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: