রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন মাসকাটাদীঘি (পশ্চিম পাড়া) এলাকায় জমিজমার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে অতর্কিত হামলা, মারধর ও ব্যাপক লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের কোপে ও বেধড়ক পিটুনিতে নারীসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। গত ১২ মার্চ (২০২৬) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোসা. ফাহমিদা আক্তার মেঘলা (২০) বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনকে আসামি করে মতিহার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- একই এলাকার মো. আরিফ (৪৫), মো. মুকুল (৬০), মো. হায়দার আলী, মো. বকুল (৬০), মো. সাকিব (২৩) এবং জাহিদ হোসেন বাবু (৩২)।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী আসামিদের সাথে ফাহমিদা আক্তার মেঘলার পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১২ মার্চ দুপুরে ফাহমিদা তার বসতবাড়ির সীমানায় টিনের বেড়া দিচ্ছিলেন। এ সময় অভিযুক্তরা এসে বেড়া নির্মাণে বাধা প্রদান করেন। ফাহমিদা এর প্রতিবাদ করলে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেআইনিভাবে তাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলার এক পর্যায়ে অভিযুক্ত আরিফের হাতে থাকা রামদার কোপে ফাহমিদার স্বামী মো. মাহিমের (২০) মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থান কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া অন্যান্য আসামিরা জিআই পাইপ ও লোহার রড দিয়ে ফাহমিদার শ্বশুর মো. মিজান ওরফে কালুকে (৩৫) এবং ফাহমিদাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
মারধরের পাশাপাশি অভিযুক্তরা বাড়ি থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি এলইডি টিভি, ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ফ্রিজ, প্রায় ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের ৮ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার (কানের দুল ও গলার মালা) এবং নগদ ১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা জোরপূর্বক লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। যাওয়ার সময় তারা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে।
পরে ফাহমিদা মোবাইল ফোনে তার খালু শ্বশুর মো. রাজুকে বিষয়টি জানালে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত মাহিমের মাথার বাম পাশে ৪টি ও ডান হাতের আঙুলে ৩টি সেলাই দিতে হয় এবং তার বাবা কালু মাথায় গুরুতর আঘাত (মাইনর হেড ইনজুরি) পান। তারা ১২ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করে কিছুটা বিলম্বে মতিহার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ।
এ বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল কালাম আজাদ জানায়, সীমানা বিরোধের জেরে হামলা ও মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোসা. ফাহমিদা আক্তার মেঘলা (২০) বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনকে আসামি করে মতিহার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- একই এলাকার মো. আরিফ (৪৫), মো. মুকুল (৬০), মো. হায়দার আলী, মো. বকুল (৬০), মো. সাকিব (২৩) এবং জাহিদ হোসেন বাবু (৩২)।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী আসামিদের সাথে ফাহমিদা আক্তার মেঘলার পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১২ মার্চ দুপুরে ফাহমিদা তার বসতবাড়ির সীমানায় টিনের বেড়া দিচ্ছিলেন। এ সময় অভিযুক্তরা এসে বেড়া নির্মাণে বাধা প্রদান করেন। ফাহমিদা এর প্রতিবাদ করলে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেআইনিভাবে তাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলার এক পর্যায়ে অভিযুক্ত আরিফের হাতে থাকা রামদার কোপে ফাহমিদার স্বামী মো. মাহিমের (২০) মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থান কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া অন্যান্য আসামিরা জিআই পাইপ ও লোহার রড দিয়ে ফাহমিদার শ্বশুর মো. মিজান ওরফে কালুকে (৩৫) এবং ফাহমিদাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
মারধরের পাশাপাশি অভিযুক্তরা বাড়ি থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি এলইডি টিভি, ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ফ্রিজ, প্রায় ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের ৮ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার (কানের দুল ও গলার মালা) এবং নগদ ১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা জোরপূর্বক লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। যাওয়ার সময় তারা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে।
পরে ফাহমিদা মোবাইল ফোনে তার খালু শ্বশুর মো. রাজুকে বিষয়টি জানালে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত মাহিমের মাথার বাম পাশে ৪টি ও ডান হাতের আঙুলে ৩টি সেলাই দিতে হয় এবং তার বাবা কালু মাথায় গুরুতর আঘাত (মাইনর হেড ইনজুরি) পান। তারা ১২ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করে কিছুটা বিলম্বে মতিহার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ।
এ বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল কালাম আজাদ জানায়, সীমানা বিরোধের জেরে হামলা ও মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্টাফ রিপোর্টার