বরিশালের বাবুগঞ্জে অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ১০ বছরের এক শিশুকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। শিশু রাইসা আক্তার বাবুগঞ্জের দেহেরগতি ইউনিয়নের দক্ষিণ রাকুদিয়া গ্রামের দিনমজুর নজরুল হাওলাদারের মেয়ে।
অভিযুক্ত বখাটে কিশোর সিফাত সিকদার (১৫) একই গ্রাম দক্ষিণ রাকুদিয়া এলাকার জালাল সিকদারের ছেলে। রাইসার পরিবারের অভিযোগ, সিফাত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। সে রাইসাকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করত। রাইসা তাতে রাজি না হওয়ায় তার শরীরে আগুন দেয় সিফাত। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর রাইসার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর আগে শিশু রাইসার দেওয়া জবানবন্দির একটি ভিডিওতে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে খারাপ জিনিস কইছে, আমি রাজি হই নাই তাই সিফাত আমার গায়ে আগুন দিছে।’
গত রোববার দুপুরে রাইসাকে একা পেয়ে সিফাত তার পথরোধ করে। এ সময় তাকে টেনে নির্জন স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করলে রাইসা চিৎকার শুরু করে। পরে সে পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাইসার শরীরে আগুন দেয়। ঘটনার সময় রাইসার চিৎকারে পাশের বাড়ির বাসিন্দা তসলিম বিষয়টি দেখে স্থানীয় লোকজনকে ডাক দেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় রাইসাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে পাঠানো হয়। ঢাকার হাসপাতালে ভর্তির পর গতকাল সোমবার ভোরে রাইসার মৃত্যু হয়।
ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক মনিরুল ইসলাম বলেন, রাইসার শরীরে থার্ড ডিগ্রি বার্ন হয়েছে। কাপড় পুড়ে চামড়ার সঙ্গে লেগে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা কম থাকে। তারপরও ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরু করা গেলে কিছুটা আশা ছিল।
বাবুগঞ্জ থানার ওসি শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অগ্নিদগ্ধ হয়ে রাইসার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে। এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রাইসা হত্যার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অভিযুক্ত সিফাত সিকদার পলাতক।
অভিযুক্ত বখাটে কিশোর সিফাত সিকদার (১৫) একই গ্রাম দক্ষিণ রাকুদিয়া এলাকার জালাল সিকদারের ছেলে। রাইসার পরিবারের অভিযোগ, সিফাত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। সে রাইসাকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করত। রাইসা তাতে রাজি না হওয়ায় তার শরীরে আগুন দেয় সিফাত। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর রাইসার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর আগে শিশু রাইসার দেওয়া জবানবন্দির একটি ভিডিওতে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে খারাপ জিনিস কইছে, আমি রাজি হই নাই তাই সিফাত আমার গায়ে আগুন দিছে।’
গত রোববার দুপুরে রাইসাকে একা পেয়ে সিফাত তার পথরোধ করে। এ সময় তাকে টেনে নির্জন স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করলে রাইসা চিৎকার শুরু করে। পরে সে পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাইসার শরীরে আগুন দেয়। ঘটনার সময় রাইসার চিৎকারে পাশের বাড়ির বাসিন্দা তসলিম বিষয়টি দেখে স্থানীয় লোকজনকে ডাক দেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় রাইসাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে পাঠানো হয়। ঢাকার হাসপাতালে ভর্তির পর গতকাল সোমবার ভোরে রাইসার মৃত্যু হয়।
ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক মনিরুল ইসলাম বলেন, রাইসার শরীরে থার্ড ডিগ্রি বার্ন হয়েছে। কাপড় পুড়ে চামড়ার সঙ্গে লেগে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা কম থাকে। তারপরও ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরু করা গেলে কিছুটা আশা ছিল।
বাবুগঞ্জ থানার ওসি শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অগ্নিদগ্ধ হয়ে রাইসার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে। এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রাইসা হত্যার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অভিযুক্ত সিফাত সিকদার পলাতক।
অনলাইন ডেস্ক