শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলেই জয় পেতে পারতো বাংলাদেশ। রিশাদের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন শাহিন আফ্রিদি। উল্টো দিকে ঘুরে বলের লাইনেও গিয়েছিলেন রিশাদ, তবে ক্যাচটা নিতে ব্যর্থ হলেন। তাতে অবশ্য জয় হাতছাড়া হয়নি, শুধু অপেক্ষাটা বেড়েছিল। শেষ বলে শাহিন স্টাম্পড আউট হলে পাকিস্তানের ইনিংস থামে ২৭৯ রানে। আর তাতেই ১১ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সবশেষ ওয়ানডে সিরিজ হয়েছিল ২০১৫ সালে, মিরপুর স্টেডিয়ামে। সেবার সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবিয়েছিল স্বাগতিকরা। মাঝে প্রায় ১১টি বছর কেটে গেলেও এই ফরম্যাটের কোনো সিরিজ হয়নি দুই দলের মধ্যে। দীর্ঘ সময় পর সেই একই ভেন্যুতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি হয় দুই দল।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের দাপুটে জয়, পরের ম্যাচেই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতে হলো টাইগারদের। আর তাতেই তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি হয়ে দাঁড়ায় সিরিজ নির্ধারণী। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে তানজিদ তামিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। স্কোরবোর্ডে ১৭ রান যোগ করতেই টপ-অর্ডারের ৩ ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে তারা। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলেন অধিনায়ক সালমান আলী আগা। তবে শেষ পর্যন্ত আর দলকে জেতাতে পারলেন না। ৪৮তম ওভারে বল করতে এসে টাইগার শিবিরে স্বস্তি এনে দেন তাসকিন আহমেদ। সেঞ্চুরি হাঁকানো সালমান আলী আগার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় বাংলাদেশ। ফেরার আগে ৯৮ বলে ১০৬ রানের ঝলমলে এক ইনিংস খেলেন সালমান আলী আগা।
মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার (১৫ মার্চ) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টসে জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। দুজনে মিলে গড়েন ১০৫ রানের জুটি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৭ রানের ইনিংস খেলেছেন তানজিদ হাসান তামিম। এরপর লিটন দাসের ৫১ বলে ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের অপরাজিত ৪৪ বলে ৪৮ রানের ওপর ভর করে ২৯০ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই শাহিবজাদা ফারহানের উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। এরপর মাজ সাদাকাত ও মোহাম্মদ রিজওয়ানও ফেরেন দ্রুত। ৩ ওভারে ১৭ রান করতেই টপ-অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাকিস্তান।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে গাজী ঘোরি ও আব্দুল সামাদ ম্যাচের হাল ধরেন। দুজনে মিলে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৬৭ বলে ৫০ রান। দলীয় ৬৭ রানের মাথায় গাজী ঘোরিকে বোল্ড করেন নাহিদ রানা। আর দলীয় ৮২ রানে আব্দুল সামাদের উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজুর রহমান। ৮২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে হারের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান।
এরপর সাদ মাসুদকে নিয়ে এগোতে থাকেন অধিনায়ক সালমান আলী আগা। দুজনের জুটি থেকে আসে ৮২ বলে ৭৯ রান। দলীয় ১৬১ রানের মাথায় সাদ মাসুদকে বোল্ড আউট করে সাজঘরে ফেরত পাঠান মোস্তাফিজুর রহমান।
সপ্তম উইকেট জুটিতে ফাহিম আশরাফকে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন সালমান। তবে এই জুটিকে বেশি দূর এগোতে দেননি তাসকিন আহমেদ। ২০৯ রানের মাথায় ২০ বলে ৯ রান করা ফাহিম আশরাফকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন তাসকিন।
তবে সালমান আলী আগা দলকে জয়ের পথে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়া হলো না এই ব্যাটারের। ৯৮ বলে ১০৬ রানের ইনিংস খেলে ৪৮তম ওভারের চতুর্থ বলে তাসকিনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত’র হাতে ধরা পড়েন সালমান।
তবুও শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়েছেন অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত টিকে থাকলেও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ৩৮ বলে ৩৭ রান করেন পাকিস্তান দলপতি। বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেছেন তাসকিন আহমেদ। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান ৩টি, নাহিদ রানা ২টি ও রিশাদ নেন ১টি উইকেট।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ক্রিজে দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতেই সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে করেন ১০৫ রান। ৫৫ বলে ৩ চারের মারে ৩৬ রান করে ১৯তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির শিকার হন সাইফ। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৫৩ রানের জুটি গড়েন তানজিদ তামিম। ৩৪ বলে ৩ চারের মারে ২৭ রান করে আউট হন শান্ত।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন তানজিদ। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ৭ ছক্কা ও ৬ চারের মারে ১০৭ রান করে বিদায় নেন তিনি। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৩৬.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান। তার বিদায়ের পর বাংলাদেশের রানের গতি কিছুটা মন্থর হয়ে যায়।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৬৮ রান করেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। তাদের জুটি ভাঙে ইনিংসের ৪৭তম ওভারের তৃতীয় বলে। ৫১ বলে ১ ছক্কা ও ১ চারের মারে ৪১ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন। পরের বলেই হারিস রউফের শিকার হন রিশাদ হোসেন। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন আফিফ হোসেন। তিনি ৮ বলে ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। অন্যদিকে ৪৪ বলে ৪ চারের মারে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়।
পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে এদিন সবচেয়ে সফল ছিলেন হারিস রউফ। ১০ ওভার বল করে ৫২ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এছাড়া ১টি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সবশেষ ওয়ানডে সিরিজ হয়েছিল ২০১৫ সালে, মিরপুর স্টেডিয়ামে। সেবার সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবিয়েছিল স্বাগতিকরা। মাঝে প্রায় ১১টি বছর কেটে গেলেও এই ফরম্যাটের কোনো সিরিজ হয়নি দুই দলের মধ্যে। দীর্ঘ সময় পর সেই একই ভেন্যুতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি হয় দুই দল।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের দাপুটে জয়, পরের ম্যাচেই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতে হলো টাইগারদের। আর তাতেই তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি হয়ে দাঁড়ায় সিরিজ নির্ধারণী। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে তানজিদ তামিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। স্কোরবোর্ডে ১৭ রান যোগ করতেই টপ-অর্ডারের ৩ ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে তারা। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলেন অধিনায়ক সালমান আলী আগা। তবে শেষ পর্যন্ত আর দলকে জেতাতে পারলেন না। ৪৮তম ওভারে বল করতে এসে টাইগার শিবিরে স্বস্তি এনে দেন তাসকিন আহমেদ। সেঞ্চুরি হাঁকানো সালমান আলী আগার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় বাংলাদেশ। ফেরার আগে ৯৮ বলে ১০৬ রানের ঝলমলে এক ইনিংস খেলেন সালমান আলী আগা।
মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার (১৫ মার্চ) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টসে জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। দুজনে মিলে গড়েন ১০৫ রানের জুটি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৭ রানের ইনিংস খেলেছেন তানজিদ হাসান তামিম। এরপর লিটন দাসের ৫১ বলে ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের অপরাজিত ৪৪ বলে ৪৮ রানের ওপর ভর করে ২৯০ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই শাহিবজাদা ফারহানের উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। এরপর মাজ সাদাকাত ও মোহাম্মদ রিজওয়ানও ফেরেন দ্রুত। ৩ ওভারে ১৭ রান করতেই টপ-অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাকিস্তান।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে গাজী ঘোরি ও আব্দুল সামাদ ম্যাচের হাল ধরেন। দুজনে মিলে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৬৭ বলে ৫০ রান। দলীয় ৬৭ রানের মাথায় গাজী ঘোরিকে বোল্ড করেন নাহিদ রানা। আর দলীয় ৮২ রানে আব্দুল সামাদের উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজুর রহমান। ৮২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে হারের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান।
এরপর সাদ মাসুদকে নিয়ে এগোতে থাকেন অধিনায়ক সালমান আলী আগা। দুজনের জুটি থেকে আসে ৮২ বলে ৭৯ রান। দলীয় ১৬১ রানের মাথায় সাদ মাসুদকে বোল্ড আউট করে সাজঘরে ফেরত পাঠান মোস্তাফিজুর রহমান।
সপ্তম উইকেট জুটিতে ফাহিম আশরাফকে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন সালমান। তবে এই জুটিকে বেশি দূর এগোতে দেননি তাসকিন আহমেদ। ২০৯ রানের মাথায় ২০ বলে ৯ রান করা ফাহিম আশরাফকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন তাসকিন।
তবে সালমান আলী আগা দলকে জয়ের পথে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়া হলো না এই ব্যাটারের। ৯৮ বলে ১০৬ রানের ইনিংস খেলে ৪৮তম ওভারের চতুর্থ বলে তাসকিনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত’র হাতে ধরা পড়েন সালমান।
তবুও শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়েছেন অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত টিকে থাকলেও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ৩৮ বলে ৩৭ রান করেন পাকিস্তান দলপতি। বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেছেন তাসকিন আহমেদ। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান ৩টি, নাহিদ রানা ২টি ও রিশাদ নেন ১টি উইকেট।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ক্রিজে দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতেই সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে করেন ১০৫ রান। ৫৫ বলে ৩ চারের মারে ৩৬ রান করে ১৯তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির শিকার হন সাইফ। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৫৩ রানের জুটি গড়েন তানজিদ তামিম। ৩৪ বলে ৩ চারের মারে ২৭ রান করে আউট হন শান্ত।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন তানজিদ। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ৭ ছক্কা ও ৬ চারের মারে ১০৭ রান করে বিদায় নেন তিনি। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৩৬.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান। তার বিদায়ের পর বাংলাদেশের রানের গতি কিছুটা মন্থর হয়ে যায়।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৬৮ রান করেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। তাদের জুটি ভাঙে ইনিংসের ৪৭তম ওভারের তৃতীয় বলে। ৫১ বলে ১ ছক্কা ও ১ চারের মারে ৪১ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন। পরের বলেই হারিস রউফের শিকার হন রিশাদ হোসেন। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন আফিফ হোসেন। তিনি ৮ বলে ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। অন্যদিকে ৪৪ বলে ৪ চারের মারে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়।
পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে এদিন সবচেয়ে সফল ছিলেন হারিস রউফ। ১০ ওভার বল করে ৫২ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এছাড়া ১টি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।
ক্রীড়া ডেস্ক