নাটোরের লালপুরে নিজেকে বিপদগ্রস্ত দাবি করে একটি পরিবারের কাছে আশ্রয় নিয়ে এক মাস বয়সী কন্যাশিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরদিন উপজেলার একটি মাঠের পাশ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের নবীননগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে রোববার (১৫ মার্চ) সকালে উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের লক্ষণবাড়ি মাঠের পাশ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া শিশু নিঝুম নবীননগর গ্রামের অটোভ্যানচালক লালন উদ্দিন লালুর মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে শিশুটির চিকিৎসার জন্য মা বিজলি খাতুন লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। এ সময় ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত তরুণী বিজলির পিছু নেন। নিজেকে বিপদগ্রস্ত ও অসহায় দাবি করে সাহায্য চাইলে মানবিক কারণে বিজলি খাতুন ও তার পরিবার ওই তরুণীকে নিজেদের বাড়িতে আশ্রয় দেন। দিনভর ওই বাড়িতে অবস্থান করার পর সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে কোলে নেওয়ার কথা বলে কৌশলে নিয়ে পালিয়ে যান ওই তরুণী। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের
সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং রাতেই শিশুটির মা বিজলি খাতুন লালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পরদিন রোববার সকালে লক্ষণবাড়ি মাঠের পাশ থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে সেখানে গিয়ে তারা শিশু নিঝুমকে পড়ে থাকতে দেখেন এবং উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন।
এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, শিশুটির মা শনিবার রাতেই থানায় মামলা করেছেন। এরপরই পুলিশের একাধিক দল শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে। রোববার সকালে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের নবীননগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে রোববার (১৫ মার্চ) সকালে উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের লক্ষণবাড়ি মাঠের পাশ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া শিশু নিঝুম নবীননগর গ্রামের অটোভ্যানচালক লালন উদ্দিন লালুর মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে শিশুটির চিকিৎসার জন্য মা বিজলি খাতুন লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। এ সময় ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত তরুণী বিজলির পিছু নেন। নিজেকে বিপদগ্রস্ত ও অসহায় দাবি করে সাহায্য চাইলে মানবিক কারণে বিজলি খাতুন ও তার পরিবার ওই তরুণীকে নিজেদের বাড়িতে আশ্রয় দেন। দিনভর ওই বাড়িতে অবস্থান করার পর সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে কোলে নেওয়ার কথা বলে কৌশলে নিয়ে পালিয়ে যান ওই তরুণী। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের
সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং রাতেই শিশুটির মা বিজলি খাতুন লালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পরদিন রোববার সকালে লক্ষণবাড়ি মাঠের পাশ থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে সেখানে গিয়ে তারা শিশু নিঝুমকে পড়ে থাকতে দেখেন এবং উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন।
এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, শিশুটির মা শনিবার রাতেই থানায় মামলা করেছেন। এরপরই পুলিশের একাধিক দল শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে। রোববার সকালে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
নাহিদ হোসেন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি