যশোরের অভয়নগরে শাশুড়ির সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে নৌকা থেকে ভৈরব নদে ঝাঁপ দিয়ে সাবিনা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূ নিখোঁজ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভাটপাড়া খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ সাবিনা বেগম অভয়নগর উপজেলার বাসিন্দা ও বাঁধন বিশ্বাসের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুলনা থেকে ফেরার পথে বিকেলে ভাটপাড়া খেয়াঘাটে নৌকায় ওঠার পর মাঝনদীতে হঠাৎ করেই সাবিনা বেগম নদীতে ঝাঁপ দেন। এ সময় নৌকার মাঝি ও ঘাটে থাকা কয়েকজন যুবক নদীতে লাফিয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।
সাবিনার শাশুড়ি রহিমা বেগম বলেন, খুলনা থেকে ফেরার পথে সাবিনা তার মোবাইল ফোন হারিয়ে ফেলেন। বিষয়টি নিয়ে বিকেলে খেয়াঘাটে নৌকায় ওঠার পর দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে অভিমান করে মাঝনদীতে ঝাঁপ দেন সাবিনা।
নৌকার মাঝি দ্রুব দাস জানান, শাশুড়ির সঙ্গে অভিমান করে গৃহবধূ হঠাৎ নৌকা থেকে মাঝনদীতে ঝাঁপ দেন। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। তবে নদীতে তীব্র স্রোত ও ঘন ঘন কার্গো জাহাজ চলাচলের কারণে সন্ধ্যার আগে অভিযান স্থগিত করতে হয়েছে।
খুলনা বিভাগীয় অফিসে ডুবুরি দল পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু করা হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভাটপাড়া খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ সাবিনা বেগম অভয়নগর উপজেলার বাসিন্দা ও বাঁধন বিশ্বাসের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুলনা থেকে ফেরার পথে বিকেলে ভাটপাড়া খেয়াঘাটে নৌকায় ওঠার পর মাঝনদীতে হঠাৎ করেই সাবিনা বেগম নদীতে ঝাঁপ দেন। এ সময় নৌকার মাঝি ও ঘাটে থাকা কয়েকজন যুবক নদীতে লাফিয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।
সাবিনার শাশুড়ি রহিমা বেগম বলেন, খুলনা থেকে ফেরার পথে সাবিনা তার মোবাইল ফোন হারিয়ে ফেলেন। বিষয়টি নিয়ে বিকেলে খেয়াঘাটে নৌকায় ওঠার পর দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে অভিমান করে মাঝনদীতে ঝাঁপ দেন সাবিনা।
নৌকার মাঝি দ্রুব দাস জানান, শাশুড়ির সঙ্গে অভিমান করে গৃহবধূ হঠাৎ নৌকা থেকে মাঝনদীতে ঝাঁপ দেন। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। তবে নদীতে তীব্র স্রোত ও ঘন ঘন কার্গো জাহাজ চলাচলের কারণে সন্ধ্যার আগে অভিযান স্থগিত করতে হয়েছে।
খুলনা বিভাগীয় অফিসে ডুবুরি দল পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু করা হবে।
বিশেষ প্রতিনিধি