ঢাকা , শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ , ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অতীত সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন অনন্যা, ভাইরাল মালাইকা–সোরাবের ভিডিও অতীত সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন অনন্যা, ভাইরাল মালাইকা–সোরাবের ভিডিও তাহিরপুরে বিশেষ অভিযানে ১ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার রাণীশংকৈলে সড়ক দুর্ঘটনা ও কালবৈশাখী ঝড়ে দেয়াল ধসে স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ নগরীতে মাদক কারবারী গ্রেফতার ২ তানোরে প্রয়াত আজাহার মাস্টারের স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল বেগম খালেদা জিয়া এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বাগবাড়ী'তে দোয়া ও ইফতার মাহফিল তানোরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ৭ টেন্ডার বক্সে জোর করে সিডিউল জমা, শ্রমিকদল নেতার কারাদণ্ড রাজশাহী বার সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে ২১টি পদের মধ্যে ২০ টিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয় ঝিনাইদহে জামায়াতের মহিলা কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ, সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৮ আদিত্যের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পরে কোন মোহভঙ্গ হয় অনন্যার রাণীনগরে প্রবাসীর স্ত্রী গলায় দড়ি দিয়ে আত্নহত‍্যা ইরাকে মার্কিন বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ৪ ক্রু নিহত ধনী সেলিব্রিটিদের তালিকায় টেলর সুইফট ও কিম কার্দাশিয়ানও ‘চলমান প্রেক্ষাপটে ইরান আর আগের ইরান নেই’: নেতানিয়াহু চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু শবে কদরের দোয়া মানিকছড়িতে পিকআপের ধাক্কায় আট বছরের শিশু নিহত ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

রমজানের শেষ দশকে পরিবারকে নিয়ে যেসব আমল করবেন

  • আপলোড সময় : ১১-০৩-২০২৬ ০২:৩২:৪৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৩-২০২৬ ০২:৩২:৪৪ অপরাহ্ন
রমজানের শেষ দশকে পরিবারকে নিয়ে যেসব আমল করবেন ছবি: সংগৃহীত
রমজানের শেষ দশ রাত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মর্যাদা ও ফজিলতপূর্ণ। এ সময়টিকে ইবাদত, দোয়া ও নেক আমলে ভরিয়ে তুলতে পরিবারকেও সম্পৃক্ত করা জরুরি। কীভাবে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে এই সময়কে আরও অর্থবহ করা যায়, সে বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরা হলো।

রমজানের শেষ দশ রাত সম্পর্কে প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ইবনে কাইয়্যিম বলেন, সব মাসের মধ্যে রমজান সর্বোত্তম এবং রমজানের রাতগুলোর মধ্যে শেষ দশ রাত সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ।

এই সময়ে বেশি বেশি নেক আমল করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শ্রেষ্ঠ সুযোগ। পাশাপাশি পরিবারকে নিয়ে এই সময় কাটালে সন্তানদের মধ্যেও ধর্মীয় মূল্যবোধ গড়ে ওঠে এবং পারিবারিক বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।

নিচে পরিবারের জন্য শেষ দশ রাতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় তুলে ধরা হলো—

নিয়ত ঠিক করা
ইসলামে প্রতিটি কাজের আগে নিয়ত ঠিক করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই রমজানের শেষ দশ রাত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়ত করা উচিত। নিজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের জন্যও দোয়া করতে হবে এবং সন্তানদেরও দোয়া করতে উৎসাহিত করতে হবে।

পরিবারের সঙ্গে তাহাজ্জুদ
তারাবি ও তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। চেষ্টা করা উচিত পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসব নামাজ আদায় করার। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আধ্যাত্মিক বন্ধন তৈরি হয়।

যদি সন্তানরা ছোট হয়  তবে সপ্তাহান্তে তাদের মসজিদে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। এতে তারা মসজিদের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হবে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে শিখবে।

একসঙ্গে বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত
রমজানজুড়ে প্রতিদিন কোরআন তিলাওয়াত করা উচিত। তবে শেষ দশ রাতে তা আরও বাড়ানো ভালো। পরিবারে একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে সবাই মিলে কোরআন তিলাওয়াত করা যেতে পারে।

পরিবারের সদস্যরা পালা করে সুরা পড়তে পারেন। চাইলে এটিকে আনন্দময় করতে ছোট একটি প্রতিযোগিতাও রাখা যেতে পারে, যাতে দেখা যায় কে বেশি তিলাওয়াত করতে পারে। এতে শিশুদের কোরআনের প্রতি আগ্রহ বাড়বে।

দোয়ার তালিকা তৈরি করা
রমজান রহমত ও বরকতের মাস। এ সময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও বিভিন্ন কল্যাণ কামনার জন্য বেশি বেশি দোয়া করা উচিত। শেষ দশ দিনে সন্তানদের সঙ্গে বসে একটি দোয়ার তালিকা তৈরি করা যেতে পারে। এতে তারা বুঝতে শিখবে যে আল্লাহ সব দোয়া শোনেন।

সন্তানদের মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শেখানো একটি বিখ্যাত দোয়াও শেখানো যেতে পারে—হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করুন।

বেশি বেশি সদকা করা
সদকা শুধু অর্থ দানেই সীমাবদ্ধ নয়। পরিবার মিলে রান্না করে আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুদের ইফতারে দাওয়াত দেওয়া যেতে পারে।

সন্তানদের তাদের অপ্রয়োজনীয় খেলনা বা ছোট হয়ে যাওয়া কাপড় গরিবদের দান করতে উৎসাহিত করা যেতে পারে। পরিবারের সবাই মিলে পার্কে গিয়ে পাখিদের খাবার দেওয়া বা আশপাশের বৃদ্ধ প্রতিবেশীদের খোঁজ নেওয়াও সদকার একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত।

যদি সামর্থ্য থাকে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দান করা যেতে পারে। সন্তানদেরও তাদের হাতখরচের কিছু অংশ দান করতে উৎসাহিত করা যেতে পারে। এতে তাদের মধ্যে সহমর্মিতা ও উদারতার মানসিকতা গড়ে উঠবে।

পরিবারকে সময় দেওয়া
রমজানের শেষ দশ রাতকে পরিবারকেন্দ্রিক সময় হিসেবে নেওয়া যেতে পারে। সন্তানদের বোঝানো দরকার কেন এই রাতগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ।

সম্ভব হলে বাবা-মা বা আত্মীয়দের সঙ্গে একসঙ্গে ইফতার ও ইবাদতে সময় কাটানো যেতে পারে। এতে পরিবারে ভালোবাসা বাড়ে এবং সন্তানরা অন্যের প্রতি সহমর্মিতা ও সাহায্যের মানসিকতা শিখে।

রমজান খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাই শেষ দশ রাতকে অবহেলায় কাটিয়ে না দিয়ে যতটা সম্ভব ইবাদত ও ভালো কাজে ব্যয় করা উচিত।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহী বার সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে ২১টি পদের মধ্যে ২০ টিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়

রাজশাহী বার সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে ২১টি পদের মধ্যে ২০ টিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়