চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২২ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় বিদেশি ও দেশীয় পিস্তলসহ বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, ককটেল এবং অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্য অংশ নেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসীরা ঘাঁটি গড়ে তোলে। সরকারি পাহাড় কেটে গড়ে ওঠা কয়েক হাজার অবৈধ বসতি ও প্লট-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে সেখানে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিভিন্ন সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্র। এসব চক্র পাহাড়ের চূড়ায় নজরদারি টাওয়ার ও সিসি ক্যামেরা বসিয়ে এলাকায় সশস্ত্র পাহারা দিত।
অভিযানের সময় যৌথবাহিনী জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ২২ জনকে আটক করে। এ সময় উদ্ধার করা হয় ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র-এর মধ্যে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় পিস্তল ও একটি এলজি। এছাড়া ২৭টি পাইপগান, ৩০টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৫৭টি অস্ত্র তৈরির পাইপ, ৬১টি কার্তুজ এবং বিভিন্ন ধরনের ১ হাজার ১১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ১১টি ককটেল, পাইপগান তৈরির লেদ মেশিনসহ বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে অপরাধীদের নজরদারির কাজে ব্যবহৃত ১৯টি সিসি ক্যামেরা, তিনটি ডিডিআর, একটি পাওয়ার বক্স এবং দুটি বাইনোকুলারও উদ্ধার করা হয়। আলীনগর এলাকার বিভিন্ন পাহাড়ে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের আস্তানা ও অস্ত্র তৈরির কারখানা ধ্বংস করে যৌথবাহিনী। একই সঙ্গে পাহাড়ের চূড়ায় স্থাপিত নজরদারি টাওয়ারগুলো ভেঙে দেওয়া হয়, যেগুলো ব্যবহার করে সন্ত্রাসীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করত।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি একই এলাকায় অভিযান চালাতে গেলে সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় র্যাবের চার সদস্য গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে চিকিৎসক একজন র্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
অভিযান শেষে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে জঙ্গল সলিমপুরে অস্থায়ীভাবে দুটি পুলিশ ও র্যাব ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় বাসিন্দারা যৌথবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার (৯ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্য অংশ নেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসীরা ঘাঁটি গড়ে তোলে। সরকারি পাহাড় কেটে গড়ে ওঠা কয়েক হাজার অবৈধ বসতি ও প্লট-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে সেখানে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিভিন্ন সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্র। এসব চক্র পাহাড়ের চূড়ায় নজরদারি টাওয়ার ও সিসি ক্যামেরা বসিয়ে এলাকায় সশস্ত্র পাহারা দিত।
অভিযানের সময় যৌথবাহিনী জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ২২ জনকে আটক করে। এ সময় উদ্ধার করা হয় ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র-এর মধ্যে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় পিস্তল ও একটি এলজি। এছাড়া ২৭টি পাইপগান, ৩০টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৫৭টি অস্ত্র তৈরির পাইপ, ৬১টি কার্তুজ এবং বিভিন্ন ধরনের ১ হাজার ১১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ১১টি ককটেল, পাইপগান তৈরির লেদ মেশিনসহ বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে অপরাধীদের নজরদারির কাজে ব্যবহৃত ১৯টি সিসি ক্যামেরা, তিনটি ডিডিআর, একটি পাওয়ার বক্স এবং দুটি বাইনোকুলারও উদ্ধার করা হয়। আলীনগর এলাকার বিভিন্ন পাহাড়ে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের আস্তানা ও অস্ত্র তৈরির কারখানা ধ্বংস করে যৌথবাহিনী। একই সঙ্গে পাহাড়ের চূড়ায় স্থাপিত নজরদারি টাওয়ারগুলো ভেঙে দেওয়া হয়, যেগুলো ব্যবহার করে সন্ত্রাসীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করত।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি একই এলাকায় অভিযান চালাতে গেলে সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় র্যাবের চার সদস্য গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে চিকিৎসক একজন র্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
অভিযান শেষে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে জঙ্গল সলিমপুরে অস্থায়ীভাবে দুটি পুলিশ ও র্যাব ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় বাসিন্দারা যৌথবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক