ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ , ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড সৌদি পৌঁছেছেন ২৭ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী জেলা পরিষদের প্রশাসকগণের প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত নগরীতে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ৩ নতুন বাসভাড়া না মানলে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রী কমলো সোনা ও রুপার দাম ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনা নিয়ে আশাবাদী ট্রাম্প জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ল গুরুদাসপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে কৃষকের মৃত্যু দারোয়ানের কক্ষে বিদেশি মদের আস্তানা, আটক ১ নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২০ রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযান: ভারতীয় মদ ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ নগরীতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ মাদক কারবারী গ্রেফতার ২ তানোরের আলোচিত প্রধান শিক্ষক আমিরুলের গুরুপাপে লঘুদণ্ড মানিকগঞ্জে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ! বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড রাজশাহীতে লাইভ শোতে ‘লিপসিঙ্ক’ বিতর্কে গায়িকা জ্যাসমিন সন্ডলাস, নেটদুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ভিটামিন ডি একটানা কত দিন খাওয়া যায় খুদের জ্বর মাপার সময়ে ৩টি ভুল অনেক মা-বাবাই! ভুল শুধরে না নিলে বাড়বে সমস্যা

মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ১০-০৩-২০২৬ ১০:১২:২২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৩-২০২৬ ১০:১২:২২ অপরাহ্ন
মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা। নদীর দুই দিকেই ভাঙছে।  ভবিষ্যতে একনেক কমিটিতে মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্প পাস হবে। এরপর মুছাপুর রেগুলেটর ও মুছাপুর ক্লোজারের কাজ শুরু হবে।

মঙ্গলবার (১০মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিস্কাশন ব্যবস্থানর উন্নয়ন (অংশ-১) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন কর্মসূচিতে এসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, পানিসম্পদমন্ত্রীর সাথে আমি স্থানীয় এমপিসহ কথা বলেছি। আমরা তাকে আমাদের সমস্যার কথা অবহিত করি। তিনি বলেছেন, মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে তিনি ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। আপনারা ভবিষ্যতে দেখতে পাবেন।  

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন,মুছাপুর রেগুলেটর শুধু মুছাপুরের সমস্যা না, এটা পুরো নোয়াখালীর সমস্যা। প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ বেঁচে আছে।

এ্যানি আরও বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি অবহিত আছেন। মুছাপুর রেগুলেটর সরজমিনে পরিদর্শন করে আমাকে প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট করতে বলেছেন। এক কৃষকের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, নোয়াখালীকে বাঁচাতে, নোয়াখালীর মানুষকে বাঁচাতে হবে। মুছাপুর রেগুলেটর নোয়াখালী মানুষের জীবন মরণ সমস্যা 

এ সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী ৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো.এনায়েত উল্যাহ, ঢাকা বাপাউবো (পূর্ব রিজিয়ন) অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো.মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো.আবু বক্কর সিদ্দিক, ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্কেল তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ, নোয়াখালী পুলিশ পুলিশ সুপার টি, এম মোশারেফ হোসেন।  

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল প্রমূখ। এতে সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম সিকদার।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুরে অবস্থিত ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এর ফলে কোম্পানীগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী ও দাগনভূঁইয়া উপজেলায় ব্যাপক নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

ভাঙন প্রতিরোধ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ওই স্থানে নতুন একটি আধুনিক রেগুলেটর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি বড় প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেলেই দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে বলে জানা গেছে।  প্রাক্কলিত ব্যয়ে চলতি মাস থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

২০০৫ সালে কোম্পানীগঞ্জ উপকূলে নদীভাঙন ও পানি নিষ্কাশন সমস্যা সমাধানে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ‘নতুন ডাকাতিয়া ও পুরাতন ডাকাতিয়া-ছোট ফেনী নদীর পানি নিষ্কাশন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। প্রায় ১৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৩ ভেন্টের মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ করা হয়, যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রেগুলেটরটির পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা প্রতি সেকেন্ডে ৭৫৬.১৫ ঘনমিটার। স্থানীয়রা আশা করছেন, নতুন রেগুলেটর নির্মাণ হলে কোম্পানীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
জেলা পরিষদের প্রশাসকগণের প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত

জেলা পরিষদের প্রশাসকগণের প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত