মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার এক আসামির জামিন করাতে এক কোটি টাকা ঘুস চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সদ্য পদত্যাগ করা প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের বিষয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় চট্টগ্রামে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। তাকে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা চেয়েছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার- এমন ফোনালাপ প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন মাধ্যমে।
এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এটা সিরিয়াস অভিযোগ, এই অভিযোগ আমাদের কোনো প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ওঠার কথা ছিল না। অভিযোগ যখন উঠেছে তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। এর প্রশ্রয় কেন দিয়েছে জানি না। হতে পারে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ তার (সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম) কাছে আসেনি।
তিনি বলেন, মিডিয়াতে নানান অভিযোগ থাকলেও যতক্ষণ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে না আসবে, আমাদের পক্ষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে না।
আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমি এ বিষয়ে (সাইমুমের) তদন্ত করবো। ৫ আগস্টের পরে আমাদের এই ট্রাইব্যুনাল গঠন হওয়ার পরের সব বিষয় তদন্ত করে দেখবো। কোনো অনিয়ম পেলে সেটা আমি আমার কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করবো। এ বিষয়ে প্রয়োজনে সাবেক চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গেও কথা বলবো। আমরা প্রসিকিউটররা বৈঠক করেছি। সেখানে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি আমরা অভ্যন্তরীণ তদন্ত করবো। দুর্নীতির সঙ্গে কারও সুতা পরিমাণ সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘুস চাওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয় কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ রকম কোনো বিষয় ঘটলে অবশ্যই ট্রাইব্যুনাল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, আমাদের ইমেজ সংকট হয়, বিচার প্রক্রিয়া শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় চট্টগ্রামে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। তাকে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা চেয়েছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার- এমন ফোনালাপ প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন মাধ্যমে।
এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এটা সিরিয়াস অভিযোগ, এই অভিযোগ আমাদের কোনো প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ওঠার কথা ছিল না। অভিযোগ যখন উঠেছে তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। এর প্রশ্রয় কেন দিয়েছে জানি না। হতে পারে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ তার (সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম) কাছে আসেনি।
তিনি বলেন, মিডিয়াতে নানান অভিযোগ থাকলেও যতক্ষণ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে না আসবে, আমাদের পক্ষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে না।
আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমি এ বিষয়ে (সাইমুমের) তদন্ত করবো। ৫ আগস্টের পরে আমাদের এই ট্রাইব্যুনাল গঠন হওয়ার পরের সব বিষয় তদন্ত করে দেখবো। কোনো অনিয়ম পেলে সেটা আমি আমার কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করবো। এ বিষয়ে প্রয়োজনে সাবেক চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গেও কথা বলবো। আমরা প্রসিকিউটররা বৈঠক করেছি। সেখানে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি আমরা অভ্যন্তরীণ তদন্ত করবো। দুর্নীতির সঙ্গে কারও সুতা পরিমাণ সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘুস চাওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয় কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ রকম কোনো বিষয় ঘটলে অবশ্যই ট্রাইব্যুনাল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, আমাদের ইমেজ সংকট হয়, বিচার প্রক্রিয়া শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
অনলাইন ডেস্ক