রাজশাহীর মোহনপুরে সোমবার ৯ই মার্চ দুপুরে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এমপি তার বক্তব্যে বলেন, কেশরহাট এলাকায় একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। ধর্মীয় বিষয় নিয়ে দলের কেউ যেন কোনো ধরনের দলবাজিতে না জড়ায় সে জন্য তিনি সবাইকে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, পাঁচ আগস্টের পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হঠাৎ করে বিপ্লবী হয়ে উঠেছে। দুপুর পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ ছিল না। তারা যে সংস্কৃতি শুরু করেছে, এর ফল তাদের ভোগ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এমপি মিলন আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী ইচ্ছাকৃতভাবে গণ্ডগোল সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। যে ব্যক্তির গায়ে কেউ হাত দেয়নি, তিনি এমনিতেই হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা মিথ্যাচার করছে। তারা বলছে মাটি রক্তে ভিজে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, “পবা-মোহনপুরের কোনো কর্মীর ক্ষতি হওয়ার আগে যেন আমার ক্ষতি হয়। বক্তব্যে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। বেগম জিয়া ছিলেন নারী জাগরণের অন্যতম কর্ণধার। নারীদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের জন্য তিনি বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ এবং চাকরির ক্ষেত্রে নারী কোটা চালু করেছিলেন। পাশাপাশি নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে নারীদের আরও সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। তার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, যারা ত্যাগী এবং দীর্ঘদিন ধরে দলের হয়ে কাজ করেছেন, তাদের সমন্বয়ে মহিলা দলের কমিটি গঠন করা হবে। অন্যান্য নারীরাও কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।
কর্মীসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসাদ বেগম মিতালী। মোহনপুর উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রুমেনা হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামীমুল ইসলাম মুন, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আর রশিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজিম উদ্দিন সরকার ও আব্দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু রহমান এবং মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মকবুল হোসেন।
এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান বক্তা অ্যাডভোকেট শামসাদ বেগম মিতালী তার বক্তব্যে বলেন, দেশের উন্নয়ন করতে হলে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। অবমূল্যায়ন করে কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিগত সময়ে অনেক চেষ্টা করেও এই কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। এই কমিটি থাকলে বিগত নির্বাচনে আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে কাজ করা যেত। আগামীতে এই কমিটি দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত অতিথিরা বলেন, মোহনপুর উপজেলায় প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার ভোটারের মধ্যে ৭২ হাজারই নারী। তাই নারীদের সংগঠিত করে শক্তিশালী মহিলা দলের কমিটি গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আরও বলেন, গত ১৭ বছরে পতিত সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এজন্য দ্রুত একটি শক্তিশালী মহিলা দলের কমিটি গঠনের আহ্বান জানান বক্তারা।
কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এমপি তার বক্তব্যে বলেন, কেশরহাট এলাকায় একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। ধর্মীয় বিষয় নিয়ে দলের কেউ যেন কোনো ধরনের দলবাজিতে না জড়ায় সে জন্য তিনি সবাইকে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, পাঁচ আগস্টের পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হঠাৎ করে বিপ্লবী হয়ে উঠেছে। দুপুর পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ ছিল না। তারা যে সংস্কৃতি শুরু করেছে, এর ফল তাদের ভোগ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এমপি মিলন আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী ইচ্ছাকৃতভাবে গণ্ডগোল সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। যে ব্যক্তির গায়ে কেউ হাত দেয়নি, তিনি এমনিতেই হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা মিথ্যাচার করছে। তারা বলছে মাটি রক্তে ভিজে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, “পবা-মোহনপুরের কোনো কর্মীর ক্ষতি হওয়ার আগে যেন আমার ক্ষতি হয়। বক্তব্যে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। বেগম জিয়া ছিলেন নারী জাগরণের অন্যতম কর্ণধার। নারীদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের জন্য তিনি বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ এবং চাকরির ক্ষেত্রে নারী কোটা চালু করেছিলেন। পাশাপাশি নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে নারীদের আরও সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। তার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, যারা ত্যাগী এবং দীর্ঘদিন ধরে দলের হয়ে কাজ করেছেন, তাদের সমন্বয়ে মহিলা দলের কমিটি গঠন করা হবে। অন্যান্য নারীরাও কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।
কর্মীসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসাদ বেগম মিতালী। মোহনপুর উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রুমেনা হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামীমুল ইসলাম মুন, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আর রশিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজিম উদ্দিন সরকার ও আব্দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু রহমান এবং মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মকবুল হোসেন।
এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান বক্তা অ্যাডভোকেট শামসাদ বেগম মিতালী তার বক্তব্যে বলেন, দেশের উন্নয়ন করতে হলে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। অবমূল্যায়ন করে কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিগত সময়ে অনেক চেষ্টা করেও এই কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। এই কমিটি থাকলে বিগত নির্বাচনে আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে কাজ করা যেত। আগামীতে এই কমিটি দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত অতিথিরা বলেন, মোহনপুর উপজেলায় প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার ভোটারের মধ্যে ৭২ হাজারই নারী। তাই নারীদের সংগঠিত করে শক্তিশালী মহিলা দলের কমিটি গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আরও বলেন, গত ১৭ বছরে পতিত সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এজন্য দ্রুত একটি শক্তিশালী মহিলা দলের কমিটি গঠনের আহ্বান জানান বক্তারা।
রতন কুমার প্রামাণিক