রাজশাহীর তানোর উপজেলায় সরিষা কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। তবে ফলন কম ও বাজারদর প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়ায় অসন্তোষ দেখা দিয়েছে কৃষকদের মধ্যে। চলতি মৌসুমে সার, বীজ, কীটনাশক ও সেচ খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও সেই অনুপাতে ফলন ও দাম না পাওয়ায় অনেক কৃষক লোকসানের আশঙ্কা করছেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর অধিকাংশ কৃষক প্রতি বিঘা জমিতে ৫ থেকে ৭ মণ সরিষা পেয়েছেন। যা অনেকের মতে গত বছরের তুলনায় কম। একই সঙ্গে বাজারে সরিষার দামও খুব বেশি বাড়েনি।
উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের কৃষক তাছের ম-ল জানান, তিনি এ বছর তিন বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। প্রতি বিঘায় প্রায় ৬মণ করে ফলন পেয়েছেন। তবে খরচ বেশি হওয়ায় তেমন লাভ হচ্ছে না বলে তিনি জানান।
সুমন নামের আরেক কৃষক বলেন, তিনি দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। কাঁচা অবস্থায় মাড়াই করে প্রায় ১২ মণ সরিষা পেয়েছেন। তিনি বলেন, সরিষায় কয়েকবার রোগ হয়েছিল। মূলত এ কারণেই ফলন কম হয়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, প্রতি বিঘা জমিতে বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ মিলিয়ে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। যাদের নিজস্ব জমি রয়েছে তারা কিছুটা লাভ করতে পারলেও যারা লিজের জমিতে চাষ করেছেন তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।
সরিষা ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম জানান, বাজারে সরিষার সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম। বর্তমানে প্রতি মণ সরিষা মানভেদে ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক বছরে তানোরে সরিষা চাষ কমে গেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে আলুর ব্যাপক আবাদকে দায়ী করছেন তারা। কৃষকদের মতে, বেশি লাভের আশায় অনেকেই জমি বর্গা দিয়ে সেখানে আলু চাষ করাচ্ছেন।
তানোরের আদর্শ কৃষক জাইদুর রহমান বলেন, কয়েক বছর আগেও শীত মৌসুমে উপজেলার মাঠজুড়ে সরিষার হলুদ ফুলের সমাহার দেখা যেত। বাধাইড় ইউনিয়নের জুমারপাড়া, জোতগরিব, কামারগাঁ ইউনিয়নের হাতিশাইল মাঠ, বিল কুমারী মাঠ, মালশিরা মাঠ, পাঁচন্দর এলাকার কচুয়া মাঠ ও কলমা ইউনিয়নের কুজিশহর মাঠসহ পুরো উপজেলায় ব্যাপক সরিষা আবাদ হতো। এখন সেই দৃশ্য খুব একটা দেখা যায় না।
তিনি বলেন, কৃষকদের অনাগ্রহ ও সচেতনতার অভাবে প্রতিবছর সরিষা চাষ কমছে। বেশি লাভের আশায় অনেকেই আলু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে সরিষা চাষ এখন অনেকটা শৌখিনতায় পরিণত হয়েছে।
তবে তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, এ বছর উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩ হাজার হেক্টর কম। তিনি বলেন, সরিষা চাষ বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন এলাকায় কৃষক মাঠ দিবস ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এছাড়া সারের কোনো ঘাটতি নেই বলেও জানান তিনি।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর অধিকাংশ কৃষক প্রতি বিঘা জমিতে ৫ থেকে ৭ মণ সরিষা পেয়েছেন। যা অনেকের মতে গত বছরের তুলনায় কম। একই সঙ্গে বাজারে সরিষার দামও খুব বেশি বাড়েনি।
উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের কৃষক তাছের ম-ল জানান, তিনি এ বছর তিন বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। প্রতি বিঘায় প্রায় ৬মণ করে ফলন পেয়েছেন। তবে খরচ বেশি হওয়ায় তেমন লাভ হচ্ছে না বলে তিনি জানান।
সুমন নামের আরেক কৃষক বলেন, তিনি দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। কাঁচা অবস্থায় মাড়াই করে প্রায় ১২ মণ সরিষা পেয়েছেন। তিনি বলেন, সরিষায় কয়েকবার রোগ হয়েছিল। মূলত এ কারণেই ফলন কম হয়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, প্রতি বিঘা জমিতে বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ মিলিয়ে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। যাদের নিজস্ব জমি রয়েছে তারা কিছুটা লাভ করতে পারলেও যারা লিজের জমিতে চাষ করেছেন তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।
সরিষা ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম জানান, বাজারে সরিষার সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম। বর্তমানে প্রতি মণ সরিষা মানভেদে ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক বছরে তানোরে সরিষা চাষ কমে গেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে আলুর ব্যাপক আবাদকে দায়ী করছেন তারা। কৃষকদের মতে, বেশি লাভের আশায় অনেকেই জমি বর্গা দিয়ে সেখানে আলু চাষ করাচ্ছেন।
তানোরের আদর্শ কৃষক জাইদুর রহমান বলেন, কয়েক বছর আগেও শীত মৌসুমে উপজেলার মাঠজুড়ে সরিষার হলুদ ফুলের সমাহার দেখা যেত। বাধাইড় ইউনিয়নের জুমারপাড়া, জোতগরিব, কামারগাঁ ইউনিয়নের হাতিশাইল মাঠ, বিল কুমারী মাঠ, মালশিরা মাঠ, পাঁচন্দর এলাকার কচুয়া মাঠ ও কলমা ইউনিয়নের কুজিশহর মাঠসহ পুরো উপজেলায় ব্যাপক সরিষা আবাদ হতো। এখন সেই দৃশ্য খুব একটা দেখা যায় না।
তিনি বলেন, কৃষকদের অনাগ্রহ ও সচেতনতার অভাবে প্রতিবছর সরিষা চাষ কমছে। বেশি লাভের আশায় অনেকেই আলু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে সরিষা চাষ এখন অনেকটা শৌখিনতায় পরিণত হয়েছে।
তবে তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, এ বছর উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩ হাজার হেক্টর কম। তিনি বলেন, সরিষা চাষ বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন এলাকায় কৃষক মাঠ দিবস ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এছাড়া সারের কোনো ঘাটতি নেই বলেও জানান তিনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক