নারীদের সম্মান কারও কাছে ভিক্ষা চাওয়ার বিষয় নয়, নিজেদের দায়িত্ব ও আচরণের মাধ্যমেই সেই সম্মান প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আফিয়া আখতার। তিনি বলেন, যার সম্মান বেশি তাকেই সমাজে অনেক সময় অসম্মানিত করার চেষ্টা করা হয়। তবে নারীদের সম্মান সৃষ্টিকর্তা, সমাজ ও প্রতিটি ধর্মই দিয়েছে-তারপরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের অসম্মান করার প্রবণতা দেখা যায়।
রবিবার (৮ মার্চ) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার-সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহী জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থা যৌথভাবে দিবসটি পালন করে।
জেলা প্রশাসক বলেন, সমাজে অনেকেই নারীদের শ্রমিক হিসেবে গ্রহণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, কিন্তু মানুষ হিসেবে ভালোবাসতে কম চায়। ঘরের কাজ, বাইরের কাজ-সব ক্ষেত্রেই নারীর শ্রমকে মূল্যায়ন করা হলেও জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেকের সংকীর্ণতা দেখা যায়। তবে কারও পছন্দের হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, একজন নারী ভালো আছেন কিনা এবং তিনি তার সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা দিতে পারছেন কিনা-সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সব শ্রমের মূল্য দিয়ে নিজেদের অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়, কারণ কিছু শ্রম রয়েছে যার মূল্য অর্থ দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না।
আফিয়া আখতার আরও বলেন, নারী ও পুরুষ কেউ কারও প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং সমাজের উন্নয়নের জন্য উভয়েই একে অপরের সহযোগী। নারী-পুরুষ একসঙ্গে কাজ না করলে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
নারীর প্রতি নির্যাতনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেউ যেন নির্যাতন করে পার পেয়ে যেতে না পারে। এর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে উঠতে হবে পরিবার থেকে, পরে সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভূমিকা রাখতে হবে।
শারমিন শাপলা-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সবুর আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আক্তার এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. তামান্না কবীর।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিও প্রতিনিধি, প্রশিক্ষণার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জেলা প্রশাসক চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
রবিবার (৮ মার্চ) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার-সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহী জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থা যৌথভাবে দিবসটি পালন করে।
জেলা প্রশাসক বলেন, সমাজে অনেকেই নারীদের শ্রমিক হিসেবে গ্রহণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, কিন্তু মানুষ হিসেবে ভালোবাসতে কম চায়। ঘরের কাজ, বাইরের কাজ-সব ক্ষেত্রেই নারীর শ্রমকে মূল্যায়ন করা হলেও জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেকের সংকীর্ণতা দেখা যায়। তবে কারও পছন্দের হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, একজন নারী ভালো আছেন কিনা এবং তিনি তার সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা দিতে পারছেন কিনা-সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সব শ্রমের মূল্য দিয়ে নিজেদের অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়, কারণ কিছু শ্রম রয়েছে যার মূল্য অর্থ দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না।
আফিয়া আখতার আরও বলেন, নারী ও পুরুষ কেউ কারও প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং সমাজের উন্নয়নের জন্য উভয়েই একে অপরের সহযোগী। নারী-পুরুষ একসঙ্গে কাজ না করলে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
নারীর প্রতি নির্যাতনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেউ যেন নির্যাতন করে পার পেয়ে যেতে না পারে। এর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে উঠতে হবে পরিবার থেকে, পরে সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভূমিকা রাখতে হবে।
শারমিন শাপলা-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সবুর আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আক্তার এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. তামান্না কবীর।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিও প্রতিনিধি, প্রশিক্ষণার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জেলা প্রশাসক চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :