ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ , ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে রাজপাড়া থানা বিএনপির উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ নোবিপ্রবিতে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালন নোয়াখালীতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে দোয়া ও মেজবানি লালপুরে ঈদের ছুটিতে গ্রামের মানুষের পাশে চিকিৎসক দম্পতি তৈমুর ও রেজওয়ানা জিয়াউর রহমান ছিলেন গণমানুষের নেতা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের কারিগর: এমপি মিলন গোদাগাড়ীর শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ১৭ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ১৭ রাণীনগরে রানারদের অংশগ্রহনে ১০কিলোমিটার দৌড় অনুষ্ঠিত প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়ামতপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালিত এক টুকরো বরফেই হবে জাদু! কখন কোন রং দরকার, বেছে নিয়ে ত্বকচর্চা করুন ঈশ্বরদীর পদ্মায় নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার আত্রাইয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে রাসিক প্রশাসকের বাণী জিয়ার আদর্শে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হল না যুদ্ধবিরতি নিয়ে! পাঠানপাড়া নিবাসী এস. এম নুরুদৌলা মন্জুরের মৃত্যুতে রাসিক প্রশাসকের শোক

নারীদের ইতেকাফের নিয়ম ও মাসায়েল

  • আপলোড সময় : ০৮-০৩-২০২৬ ০৫:২৯:১৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৩-২০২৬ ০৫:২৯:১৬ অপরাহ্ন
নারীদের ইতেকাফের নিয়ম ও মাসায়েল প্রতীকী ছবি
রমজানের শেষ দশ দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল ইতেকাফ করা। নবীজি (সা.) প্রতি রমজানেই শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) রমজানের শেষ দশ দিন ইতেকাফ করতেন। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

আয়েশা (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত রমজানের শেষ দশ দিন ইতেকাফ করেছেন। এরপর তার স্ত্রীগণও (তার সুন্নত অনুসরণ করে রমজানের শেষ দশ দিন) ইতেকাফ করতেন। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানের প্রথম দশ দিন ইতেকাফ করেছিলেন। এরপর তিনি মাঝের দশ দিন একটি তুর্কি তাবুতে ইতেকাফ করলেন, যার দরজায় একটি চাটাই ছিল। একদিন রাসুল (সা.) চাটাইটি হাতে নিয়ে একপাশে সরিয়ে রাখলেন, তারপর মাথা বের করে লোকদের সাথে কথা বললেন। লোকেরা তার কাছে এগিয়ে গেলো। তিনি বললেন, আমি প্রথম দশ দিন ইতেকাফ করেছি এই রাত (লাইলাতুল কদর) অনুসন্ধানের জন্য। এরপর আমি মাঝের দশ দিন ইতেকাফ করেছি। তারপর আমাকে জানানো হয়েছে যে, এটি (লাইলাতুল কদর) শেষ দশকে রয়েছে। তাই আপনাদের মধ্যে যারা ইতেকাফ করতে চান, তারা যেন ইতেকাফ করেন। এরপর লোকেরা তার সাথে ইতেকাফ করল। (সহিহ মুসলিম)

রমজানের শেষ দশকে পুরুষদের মতো নারীরাও মসজিদে ইতেকাফ করতে পারেন যদি নারীদের ইতেকাফ করার জন্য নিরাপদ ও উপযোগী মসজিদ পাওয়া যায়। এ রকম মসজিদ না পাওয়া গেলে নারীরা নিজেদের ঘরের নির্দিষ্ট ইবাদতের কক্ষে ইতেকাফে বসবেন। ইবাদতের নির্দিষ্ট কক্ষ না থাকলে ইতেকাফের জন্য একটি কক্ষ নির্দিষ্ট করে ইতেকাফের নিয়ত করবেন। খাওয়া-দাওয়া ওই কক্ষেই করবেন এবং শরিয়ত সমর্থিত কারণ ছাড়া ওই কক্ষ ছেড়ে অন্যত্র যাবেন না। ইতেকাফের জন্য যথাসম্ভব ছোট কক্ষ নির্ধারণ করা উচিত যা শুধু তার থাকা ও ইবাদতের জন্যই ব্যবহৃত হবে। এ রকম কক্ষ না পাওয়া গেলে বড় ঘরের কিছু জায়গাও নির্দিষ্ট করেও ইতেকাফের নিয়ত করা যায়।

ইতেকাফে বসার পর শরঈ ওজর ছাড়া ইতেকাফের কক্ষ বা জায়গা থেকে বের হলে ইতেকাফ ভেঙে যাবে। প্রস্রাব-পায়খানা, অজু ও ফরজ গোসল গ্রহণযোগ্য ওজর; এসব প্রয়োজনে ইতেকাফের জায়গা থেকে বের হওয়া যাবে। ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার লোক না থাকলে খাবার আনার জন্য বাইরে যাওয়া যাবে। তবে পানাহার ইতেকাফের জায়গায়ই করতে হবে। বাইরে করা যাবে না। ইতেকাফের জায়গায় থেকে রান্না-বান্নার দিক নির্দেশনা দেওয়া যাবে। রান্না-বান্নার লোক না থাকলে ইতেকাফের স্থানে থেকে রান্না -বান্নার কাজ করা সম্ভব হলে করা যাবে। কিন্তু এ সব প্রয়োজনে ইতেকাফের জায়গা থেকে বের হওয়া যাবে না।

ইতেকাফরত অবস্থায় সহবাস সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। ইতেকাফে বসার পর সহবাস করলে ইতেকাফ ভেঙে যাবে। তাই বিবাহিত নারীদের ইতেকাফে বসার আগে স্বামীর অনুমতি নিয়ে নেওয়া জরুরি। ইতেকাফের অনুমতি দিয়ে দেওয়ার পর স্ত্রীর ইতেকাফে ব্যাঘাত সৃষ্টি না করার স্বামী কর্তব্য।

ইতেকাফরত অবস্থায় রোজা রাখা জরুরি। কেউ যদি কোনো প্রয়োজনে রোজা ভেঙে ফেলে বা কোনোভাবে রোজা ভেঙে যায়, তাহলে তার ইতেকাফও ভেঙে যাবে। যেমন কেউ যদি অসুস্থতার কারণে রোজা ভেঙে ফেলে, তাহলে তার ইতেকাফও ভেঙে যাবে। একইভাবে ইচ্ছাকৃত পানাহার, সহবাস বা জাগ্রত অবস্থায় ইচ্ছাকৃত বীর্যস্খলন ঘটানোর কারণে কারো রোজা ভেঙে গেলে তার ইতেকাফও ভেঙে যাবে। ইতেকাফরত অবস্থায় নারীদের পিরিয়ড বা মাসিক শুরু হলে ইতেকাফ ভেঙে যাবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে রাসিক প্রশাসকের বাণী

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে রাসিক প্রশাসকের বাণী