ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬ , ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু রামেক হাসপাতালে ছেলের কবরের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সেলিনা এবং সমস্যার কথা জানালেন নায়িকা দিদা আর মায়ের সঙ্গে অভিনয়ে আসছেন রণবীর কপূরের ভাগ্নি সমারা ‘অপ্রয়োজনীয়’ চুম্বনদৃশ্যে আপত্তি, পাননি প্রাপ্য পারিশ্রমিকও! তাই কি বড়পর্দা থেকে সরে গেলেন নৌহীদ? বুড়ো হাড়ে ভেলকি, ৭৬ বছরের নানাকে ট্রাইসেপ ডিপ করতে দেখে হতবাক ভক্তেরা, কী লাভ হয় ব্যায়ামটি করলে? জমে ক্ষীর নয়, বরফ হবে ক্যানসার কোষ! হাড়হিম ঠান্ডায় ধ্বংস হবে, এল নতুন থেরাপি হরমুজ এড়িয়ে দেশে আসছে একের পর এক তেলের জাহাজ ঈদুল আজহা সম্ভাব্য তারিখ বিপদে ‘বন্ধু’ পাকিস্তান! আরব সাগরে বিকল ভারতীয় জাহাজ, উদ্ধারে নামল পাক নৌসেনা ইরানে আক্রমণাত্মক অভিযান শেষ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুঁশিয়ারি ফুটপাতে বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন, ছবি ভাইরাল 'পদত্যাগ করব না, সুপ্রিম কোর্টে যাব, প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতেও যাব', বিস্ফোরক মমতা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামিয়ে ‘সমঝোতার পথে’ ট্রাম্প জীবননগরে ভুয়া ডাক্তারের কারাদণ্ড নওগাঁয় পৃথক পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দুই কৃষকসহ ৩ জনের মৃত্যু প্রবাসীর স্ত্রীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ কর্মজীবনে সর্বোচ্চ ৩ বার বদলি হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নোয়াখালীতে ছাত্রদলের বিশাল শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নতুন উদ্দীপনা নিখোঁজ নারীকে পাওয়া গেল তেঁতুল গাছের মগডালে, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ইরানকে ‘সাদা পতাকা’ ওড়ানোর পরামর্শ দিলেন ট্রাম্প

ফেব্রুয়ারিতে সড়কে ঝরেছে ৪৪৭ প্রাণ

  • আপলোড সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ০২:৩৭:২৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ০২:৩৭:২৭ অপরাহ্ন
ফেব্রুয়ারিতে সড়কে ঝরেছে ৪৪৭ প্রাণ প্রতীকী ছবি
বিগত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ৪৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ১৮১ জন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 
এতে বলা হয়, দেশের গণমাধ্যমে ফেব্রুয়ারি মাসে ৪৪৭ জন নিহত ও ১ হাজার ১৮১ জন আহতের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই সময়ে রেলপথে ৩৪ টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১১ জন আহত, নৌপথে ৬ টি দুর্ঘটনায় নিহত ৪ জন ও আহত ৫ জন হয়েছেন। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৪৮৮ টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৯৭ জন আহত হয়েছেন।
 
এই সময়ে ১৫১ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৭ জন নিহত ও ১৩৭ জন আহত হয়েছেন। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৭০ শতাংশ, নিহতের ৩৭.৩৬ শতাংশ ও আহতের ১১.৬০ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১১৩ টি। এতে ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছেন।
 
সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে। ২২ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছেন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌপথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
 
সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৫৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৯৩ জন চালক, ৭৬ জন পথচারী, ২০ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৮ জন শিক্ষার্থী, ৪ জন শিক্ষক, ৬৩ জন নারী, ৫৫ জন শিশু, ২ জন সাংবাদিক, ২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছেন- ৩ জন পুলিশ সদস্য, ৩ জন সেনা সদস্য, ১ জন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ২ জন আনসার সদস্য, ২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৮৫ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭২ জন পথচারী, ৪৩ জন নারী, ৪১ জন শিশু, ৪৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ৪ জন শিক্ষক ও ৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।
  
এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৬৮৭ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৬.৩৪ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩.৭২ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৫.২৮ শতাংশ বাস, ১৪.২৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ৪.৮০ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৮.৮৭ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.৪৭ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।
 
সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪১.৭৪ শতাংশ গাড়ি চাপা দেয়ার ঘটনা, ৩৩.২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭.১৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৬.৪৭ শতাংশ বিবিধ কারণে, ০.২২ চাকায় ওড়না প্যাঁচিয়ে এবং ১.১১ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।
 
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪২.৬৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৫.৪৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২৭ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩.৩৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৪৪ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১.১১ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।
 
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো- সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় অনভিজ্ঞতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, নীতি ও কৌশলগত দুর্বলতা, সারাদেশে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা ও নসিমন-করিমন সড়ক-মহাসড়কে অবাধে চলাচল, জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং ও সড়ক বাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা, সড়কে মিডিয়ান বা রোড ডিভাইডার না থাকা ও সড়কে গাছপালায় অন্ধ বাঁকের সৃষ্টি, মহাসড়কের নির্মাণ ক্রটি, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা, উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন এবং বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো। 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করল ডিবি

নগরীতে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করল ডিবি