ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ , ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক কর্মশালা নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এই প্রথম দেশের অর্থনীতির আকার ছাড়াল ৫০০ বিলিয়ন ডলার নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে ফাঁস নিলেন রাবি শিক্ষার্থী রাণীশংকৈলে গ্রাম আদালত বিষয়ক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ‘বলিউডের কেউ আমাকে মেসেজ করে না!’ নতুন ছবির প্রচারে ইন্ডাস্ট্রির একাংশকে বিঁধলেন কঙ্গনা ঢুকতে দেয়নি আমেরিকা, দেশে ফিরতেই বীরের সম্মান পেলেন ‘আফ্রিকার সেরা রেফারি’ ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে কাল, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছে যেসব চমক আসরের পর কাজা নামাজ পড়া যাবে কি? ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা হাম উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু ‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’, অনেক দিন বড়পর্দা থেকে দূরে এনা রাজধানীতে দুই বাসের চাপায় যুবকের মৃত্যু ২৮ ঘন্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার ধর্ষণে প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, যুবক গ্রেফতার নিয়ামতপুরে ২০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে পুলিশের রাতভর অভিযান: ১,৪১৫ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারী আটক নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭

  • আপলোড সময় : ১২-০৬-২০২৫ ০৪:০৬:১৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৬-২০২৫ ০৪:০৬:১৯ অপরাহ্ন
ফুলবাড়ীতে চামড়া কিনে অনিশ্চয়তায় ব্যবসায়ীরা
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর প্রবীণ চামড়া ব্যবসায়ী আলী আকবর হাশমী (৬৫) পৈত্রিক সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। প্রতি বছর কোরবানির মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন খুচরা ও মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া কিনে নিজ আড়তে সংরক্ষণ করেন তিনি। তবে এ বছর কেনা চামড়া নিয়ে পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।

এ বছর তিনি দেড় হাজার গরুর ও এক হাজার ছাগলের কাঁচা চামড়া কিনেছেন। প্রতিটি গরুর চামড়া গড়ে ৮৫০ টাকায় এবং ছাগলের চামড়া ৫০ টাকায় কেনা হয়েছে। এর সঙ্গে সংরক্ষণ খরচ যোগ হয়ে প্রতিটি গরুর চামড়ার মোট খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১০০ টাকা এবং ছাগলের ২০০ টাকা।

এই দামে কেনা চামড়া বিক্রি করতে হলে বাজার থেকে এর চেয়ে বেশি দাম পাওয়া জরুরি। কিন্তু ঢাকার ট্যানারি মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণে বাজার পরিস্থিতি আশানুরূপ নয় বলে জানান আলী আকবর হাশমী। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ১৮ লাখ ৫০০ টাকার চামড়া কিনেছেন। তবে লাভ-লোকসানের হিসাব মিলবে তখনই, যখন ঢাকার ট্যানারি মালিকদের মনোনীত নাটোর, পলাশবাড়ী ও তারাগঞ্জের আড়তদাররা কেনাকাটা শুরু করবেন।

আলী আকবর হাশমী বলেন, ‘একসময় সরাসরি ঢাকার ট্যানারিতে চামড়া পাঠাতাম। কিন্তু টাকার জন্য বছরের পর বছর ঘুরতে হতো। এখনও কয়েকজন ট্যানারি মালিকের কাছে আমার অন্তত ৩০ লাখ টাকা আটকে আছে। একজন তো ব্যবসা গুটিয়ে উধাও হয়ে গেছেন। বাধ্য হয়ে এখন ট্যানারির মনোনীত আড়তদারদের কাছে চামড়া বিক্রি করি। তবুও টাকা তুলতে ৩-৪ মাস সময় লেগে যায়। ফলে ব্যাংকের সুদের বোঝা বাড়তে থাকে।’

তিনি আরও জানান, গত বছর চামড়া বিক্রি করে প্রায় ৫ লাখ টাকা লোকসান গুণতে হয়েছিল। এবারও সরকার নির্ধারিত দাম থাকলেও বাস্তবে সেই দাম পাওয়া যাচ্ছে না। সিন্ডিকেটের কারণে ক্ষুদ্র ও মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চড়া দামে চামড়া কিনে ভালো দামে বিক্রি করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আগামীকাল শুক্রবার (১৩ জুন) ট্যানারির লোকজন মাঠে নামলে বোঝা যাবে এবার লাভ হবে, নাকি আবারও লোকসান গুনতে হবে। একই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ফুলবাড়ীর অন্যান্য চামড়া ব্যবসায়ীরাও।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ
নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়  সভা

নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা