রাজশাহীতে এক নারীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের রিপোর্টার ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া অ্যাডভাইজার এবং খণ্ডকালীন শিক্ষক গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ ) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত-৩)-এর ১০ ধারায় দায়ের করা মামলায় গোলাম রাব্বানীকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। থানা পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করে বুধবার (৪ মার্চ) আদালতে পাঠিয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাদী গোলাম রাব্বানী পরিচালিত স্কাই বাংলা নেট নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ৪ জুলাই ২০২৫ দুপুর ১২টার দিকে অফিসিয়াল কাজের কথা বলে তাকে চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকার ১ নম্বর রোডের ৩২৯ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত স্কাই বাংলা অফিসে ডেকে পাঠানো হয়।
বাদীর অভিযোগ, সেদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অফিসে গিয়ে আসামির কক্ষে প্রবেশ করলে তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করা হয়। এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির মাধ্যমে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং পরে চাকরি ছেড়ে দেন।
ঘটনার পর বাদী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন এবং সহকর্মী ও পরিচিতদের বিষয়টি জানান। অভিযোগের পর থেকে আসামি বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানি করতে থাকেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রতিকার না পেয়ে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের পরামর্শে তিনি থানায় মামলা করতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, তার পাশাপাশি আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এসব অভিযোগ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য, ট্রাস্টিজ বোর্ডের চেয়ারম্যান, বশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন ও মাছরাঙ্গা টেলিভিশন-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এছাড়া গত ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশ এর সদস্যদের ই-মেইলে বিষয়টি অবহিত করা হয় বলেও জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর আসামি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডির মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও মানহানিকর প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখাচ্ছেন।
চন্দ্রিমা থানা সূত্রে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে আসামি গোলাম রাব্বানীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম মামলার বিষটি নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী নারীর দায়েরকৃত মামলা নং-৩, তাং-০৩-০৩-২০২৬। আসামী গোলাম রাব্বানীকে গ্রেফতার মাঠে কাজ করছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ ) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত-৩)-এর ১০ ধারায় দায়ের করা মামলায় গোলাম রাব্বানীকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। থানা পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করে বুধবার (৪ মার্চ) আদালতে পাঠিয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাদী গোলাম রাব্বানী পরিচালিত স্কাই বাংলা নেট নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ৪ জুলাই ২০২৫ দুপুর ১২টার দিকে অফিসিয়াল কাজের কথা বলে তাকে চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকার ১ নম্বর রোডের ৩২৯ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত স্কাই বাংলা অফিসে ডেকে পাঠানো হয়।
বাদীর অভিযোগ, সেদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অফিসে গিয়ে আসামির কক্ষে প্রবেশ করলে তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করা হয়। এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির মাধ্যমে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং পরে চাকরি ছেড়ে দেন।
ঘটনার পর বাদী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন এবং সহকর্মী ও পরিচিতদের বিষয়টি জানান। অভিযোগের পর থেকে আসামি বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানি করতে থাকেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রতিকার না পেয়ে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের পরামর্শে তিনি থানায় মামলা করতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, তার পাশাপাশি আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এসব অভিযোগ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য, ট্রাস্টিজ বোর্ডের চেয়ারম্যান, বশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন ও মাছরাঙ্গা টেলিভিশন-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এছাড়া গত ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশ এর সদস্যদের ই-মেইলে বিষয়টি অবহিত করা হয় বলেও জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর আসামি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডির মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও মানহানিকর প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখাচ্ছেন।
চন্দ্রিমা থানা সূত্রে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে আসামি গোলাম রাব্বানীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম মামলার বিষটি নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী নারীর দায়েরকৃত মামলা নং-৩, তাং-০৩-০৩-২০২৬। আসামী গোলাম রাব্বানীকে গ্রেফতার মাঠে কাজ করছে পুলিশ।
নিজস্ব প্রতিবেদক