ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের জবাবে ইসরাইলের পাশাপাশি আরব দেশগুলোর শহরগুলোতে বিশেষ করে যেসব অঞ্চলে আমেরিকানরা থাকে মুহুর্মুহু ড্রোন ও হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালাচ্ছে ইরান। এতে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে পালানোর চেষ্টা করছে আমেরিকান নাগরিকেরা। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মার্কিন দূতাবাসগুলো তাদের সহায়তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে।
ইরানে মার্কিন ও ইসরাইলি আগ্রাসনের পর মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে অঞ্চলে থাকা মার্কিন নাগরিকরা সরকারি পরামর্শ মেনে নিরাপদে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে একাধিক মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, তারা সরাসরি সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা করতে পারছে না।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় জানায়, এই মুহূর্তে তারা ইসরাইল থেকে মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নিতে বা সরাসরি সহায়তা করতে সক্ষম নয়। দূতাবাস জানায়, ইসরাইলের পর্যটন মন্ত্রণালয় মিসর-ইসরাইল সীমান্তের তাবা শহর পর্যন্ত শাটল বাস চালু করেছে। তবে কেউ এই পথে যেতে চাইলে তার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা মার্কিন সরকার দিতে পারবে না বলেও সতর্ক করা হয়।
এদিন ওভাল অফিসে সাংবাদিকরা প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প-কে জিজ্ঞেস করেন, আগে থেকে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা কেন করা হয়নি এবং মার্কিনিদের ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হবে কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে গেছে এবং সংঘাত হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে’।
এদিকে পররাষ্ট্র দফতরের গ্লোবাল পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের সহকারী সচিব ডিলান জনসন সামাজিক মাধ্যমে জানান, মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে ইচ্ছুক মার্কিন নাগরিকদের জন্য সামরিক বিমান ও চার্টার ফ্লাইটের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থানরত প্রায় ৩ হাজার মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
কাতারে ইরানের পাল্টা হামলায় গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় আঘাত হানার পর সেখানে থাকা মার্কিন দূতাবাস মঙ্গলবার ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে। তারা জানায়, মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার মতো অবস্থায় তারা নেই। সম্ভব হলে বাণিজ্যিক ফ্লাইট বা অন্যান্য স্বাভাবিক পরিবহন ব্যবস্থার সুযোগ নিতে বলা হয়েছে।
কাতারে থাকা মার্কিন নাগরিকদের যারা অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন, তাদের বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। তবে সেই পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তায় সরিয়ে নেয়ার ওপর নির্ভর না করতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
অঞ্চলের বেশিরভাগ মার্কিন দূতাবাস স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থগিত করেছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অনেক জায়গায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছেন, আর কিছু দূতাবাস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় শহর দাহরানে থাকা কনস্যুলেট থেকে নাগরিকদের দূরে থাকতে কড়া সতর্কতা দেয়। শহরটির ওপর আসন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হুমকির কথা উল্লেখ করে বলা হয়, কেউ যেন কনস্যুলেটে না যান।
একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন দূতাবাস জানায়, আবুধাবির দূতাবাস ও দুবাইয়ের কনস্যুলেট পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এবং কোনো সেবা দেয়া সম্ভব নয়। নাগরিকদের অকারণে এসব স্থাপনার কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। নিরাপদ মনে হলে সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতেও বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুবাই ও আবুধানির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সীমিতসংখ্যক ফ্লাইট চলাচল করছিল। তবে যাত্রীদের বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন সরাসরি যোগাযোগ না করলে বিমানবন্দরে না যেতে। আগের দিন সোমবার )২ মার্চ) জর্ডানে মার্কিন দূতাবাস জানায়, নিরাপত্তা হুমকির কারণে তাদের সব কর্মী সাময়িকভাবে দূতাবাস প্রাঙ্গণ ছেড়েছেন। হুমকির ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ওর মধ্যে রয়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, দুবাইয়ের বুরজ আল আরব হোটেল এবং রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।
ইরানে মার্কিন ও ইসরাইলি আগ্রাসনের পর মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে অঞ্চলে থাকা মার্কিন নাগরিকরা সরকারি পরামর্শ মেনে নিরাপদে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে একাধিক মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, তারা সরাসরি সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা করতে পারছে না।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় জানায়, এই মুহূর্তে তারা ইসরাইল থেকে মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নিতে বা সরাসরি সহায়তা করতে সক্ষম নয়। দূতাবাস জানায়, ইসরাইলের পর্যটন মন্ত্রণালয় মিসর-ইসরাইল সীমান্তের তাবা শহর পর্যন্ত শাটল বাস চালু করেছে। তবে কেউ এই পথে যেতে চাইলে তার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা মার্কিন সরকার দিতে পারবে না বলেও সতর্ক করা হয়।
এদিন ওভাল অফিসে সাংবাদিকরা প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প-কে জিজ্ঞেস করেন, আগে থেকে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা কেন করা হয়নি এবং মার্কিনিদের ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হবে কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে গেছে এবং সংঘাত হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে’।
এদিকে পররাষ্ট্র দফতরের গ্লোবাল পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের সহকারী সচিব ডিলান জনসন সামাজিক মাধ্যমে জানান, মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে ইচ্ছুক মার্কিন নাগরিকদের জন্য সামরিক বিমান ও চার্টার ফ্লাইটের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থানরত প্রায় ৩ হাজার মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
কাতারে ইরানের পাল্টা হামলায় গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় আঘাত হানার পর সেখানে থাকা মার্কিন দূতাবাস মঙ্গলবার ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে। তারা জানায়, মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার মতো অবস্থায় তারা নেই। সম্ভব হলে বাণিজ্যিক ফ্লাইট বা অন্যান্য স্বাভাবিক পরিবহন ব্যবস্থার সুযোগ নিতে বলা হয়েছে।
কাতারে থাকা মার্কিন নাগরিকদের যারা অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন, তাদের বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। তবে সেই পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তায় সরিয়ে নেয়ার ওপর নির্ভর না করতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
অঞ্চলের বেশিরভাগ মার্কিন দূতাবাস স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থগিত করেছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অনেক জায়গায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছেন, আর কিছু দূতাবাস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় শহর দাহরানে থাকা কনস্যুলেট থেকে নাগরিকদের দূরে থাকতে কড়া সতর্কতা দেয়। শহরটির ওপর আসন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হুমকির কথা উল্লেখ করে বলা হয়, কেউ যেন কনস্যুলেটে না যান।
একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন দূতাবাস জানায়, আবুধাবির দূতাবাস ও দুবাইয়ের কনস্যুলেট পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এবং কোনো সেবা দেয়া সম্ভব নয়। নাগরিকদের অকারণে এসব স্থাপনার কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। নিরাপদ মনে হলে সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতেও বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুবাই ও আবুধানির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সীমিতসংখ্যক ফ্লাইট চলাচল করছিল। তবে যাত্রীদের বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন সরাসরি যোগাযোগ না করলে বিমানবন্দরে না যেতে। আগের দিন সোমবার )২ মার্চ) জর্ডানে মার্কিন দূতাবাস জানায়, নিরাপত্তা হুমকির কারণে তাদের সব কর্মী সাময়িকভাবে দূতাবাস প্রাঙ্গণ ছেড়েছেন। হুমকির ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ওর মধ্যে রয়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, দুবাইয়ের বুরজ আল আরব হোটেল এবং রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।
আন্তজার্তিক ডেস্ক