নওগাঁ সদর উপজেলার শশীর মোড়ে একটি ট্রাক্টরের চাপায় এক শিক্ষক নিহত হওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা নওগাঁ-বদলগাছী আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে অভিযুক্ত ইটভাটা মালিকে গ্রেপ্তার, ইটভাটা বন্ধ ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শশীর মোড় এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আগত একটি ট্রাক্টর গতির চাপে স্থানীয় এক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, তিনি ট্রাক্টরের চাপায় ছিটকে গিয়ে গুরুতর আহত হলে পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা নওগাঁ–বদলগাছী আঞ্চলিক মহাসড়কে অবস্থান নেয় ও যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে সড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহনের দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা অভিযুক্ত ইটভাটা মালিককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি ওই ইটভাটাটি স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানান।
অবরোধকারীরা আরও বলেন, সড়কে ভারী যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা এবং নিরাপত্তা জোরদারের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নওগাঁ জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন। অভিযোগ ও দাবিসমূহ গুরুত্বসহকারে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শশীর মোড় এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আগত একটি ট্রাক্টর গতির চাপে স্থানীয় এক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, তিনি ট্রাক্টরের চাপায় ছিটকে গিয়ে গুরুতর আহত হলে পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা নওগাঁ–বদলগাছী আঞ্চলিক মহাসড়কে অবস্থান নেয় ও যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে সড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহনের দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা অভিযুক্ত ইটভাটা মালিককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি ওই ইটভাটাটি স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানান।
অবরোধকারীরা আরও বলেন, সড়কে ভারী যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা এবং নিরাপত্তা জোরদারের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নওগাঁ জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন। অভিযোগ ও দাবিসমূহ গুরুত্বসহকারে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।
তাসমিরা তাবাসসুম :