রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এখানো ঢের বাঁকি। তবে নির্বাচনের আগাম হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ইতমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকগণ নিজ নিজ নেতার প্রার্থী হবার যোগ্যতা তুলে ধরে চায়ের কাপে ঝড় তুলেছে।স্থানীয় বিএনপির তৃণমুলে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য,তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র, বিশিস্ট ব্যবসায়ী, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সম্পন্ন, আদর্শিক,পরিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব মিজানুর রহমান মিজান।
এদিকে এবার উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হবেন কে সেটা নিয়ে চায়ের কাপে আলোচনার ঝড় উঠেছে। আর এই আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন তরুণ নেতৃত্ব মিজান।
স্থানীয়রা বলছে, প্রার্থীর আর্থিক অবস্থা, উন্নয়ন মানসিকতা, জনসমর্থন ও ভোটারদের মানসিকতা বিবেচনা করে প্রার্থী দেয়া হলে আগামী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন মিজানুর রহমান মিজান এটা প্রায় নিশ্চিত।
বিএনপির নীতিনির্ধারক মহল চেয়ারম্যান পদে মিজানকে সবুজ সঙ্কেত ও মাঠ গোছানোর পরামর্শ দিয়ে মাঠে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা চেয়ারম্যান পদে মিজানকে প্রার্থী বিবেচনা করেই মাঠে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে। ফলে বিএনপির রাজনীতি সক্রিয ও সাংগঠনিক কর্মকান্ড গতিশীল রাখতে উপজেলা চেয়ারম্যানের চেয়ারে বিএনপির প্রতিনিধি বসানোর কোনো বিকল্প নাই।অন্যদিকে উপজেলা জুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে এক কাতারে নিয়ে রাজনীতি করার মতো নেতৃত্ব মিজান ব্যতিত অন্য কারো নাই। মিজানের দীর্ঘদিনের রাজনীতির পথ চলাতে তার দুএকটি কাজ বা সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা থাকতেই পারে এটা যেমন ঠিক,তেমনি তানোর বিএনপিকে ধরে রাখতে বিএনপিতে তার যে অবদান তা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নাই সেটিও ঠিক। উপজেলা চেয়ারম্যানের চেয়ার পেতে মিজানের কোনো বিকল্প নাই।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেদের ভুল উপলব্ধি করে নিজেদের মধ্যকার ক্ষোভ আর মান-অভিমান দুর করেছে। উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।
আগামিতে বিএনপির রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যর কোনো বিকল্প নাই।
উপজেলা নির্বাচন ঘিরে ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দীর্ঘদিনের মান-অভিমান ও মতবিরোধ ভুলে একে-অপরকে কাছে টানছে, এতে তাদের মধ্য দীর্ঘদিনের বিরাজমান ক্ষোভ-অসন্তোষের বরফ গলতে শুরু করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে, চাওয়া-পাওয়া না পাওয়া ও মান-অভিমানসহ নানা কারণে যেসব নেতাকর্মীরা এতোদিন নিস্ক্রীয় ছিল, তারাও নির্বাচন সামনে রেখে নবউদ্দ্যেমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে দীর্ঘদিন পর দলটির দলীয় কার্যালয় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পদচারণা মুখর জমজমাট হয়ে উঠেছে।রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরেছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য।
বিএনপির আদর্শিক,প্রবীণ,ত্যাগী, পরিক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীর পাশাপাশি তৃনমূলের নেতাকর্মীরাও এখন উজ্জীবিত ,ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য।
অন্যদিকে সাধারণ মানুষ বলছে,রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় বিএনপি কাজেই বিএনপির বিপক্ষের মানুষকে নির্বাচিত করে এলাকার উন্নয়ন করা সম্বব নয়।তারা মোহের বসে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে ভুল করেছেন,আগামিতে বিএনপির প্রার্থীদের বিজয়ী করে সেই ভুর শুধরাতে চাই।আর বিএনপির নেতা ও কর্মী-সমর্থকেরা বলছে,পদ-পদবী বা চাওয়া-পাওয়া বা না পাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে মতপার্থক্যের অবসান ঘটিয়ে তারা উপজেলাতে বসার একটা জায়গা পেতে চাই। তাই যেকোনো মুল্য উপজেলা নির্বাচনে তারা বিএনপি প্রার্থীর বিজয় চাই।
এদিকে এবার উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হবেন কে সেটা নিয়ে চায়ের কাপে আলোচনার ঝড় উঠেছে। আর এই আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন তরুণ নেতৃত্ব মিজান।
স্থানীয়রা বলছে, প্রার্থীর আর্থিক অবস্থা, উন্নয়ন মানসিকতা, জনসমর্থন ও ভোটারদের মানসিকতা বিবেচনা করে প্রার্থী দেয়া হলে আগামী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন মিজানুর রহমান মিজান এটা প্রায় নিশ্চিত।
বিএনপির নীতিনির্ধারক মহল চেয়ারম্যান পদে মিজানকে সবুজ সঙ্কেত ও মাঠ গোছানোর পরামর্শ দিয়ে মাঠে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা চেয়ারম্যান পদে মিজানকে প্রার্থী বিবেচনা করেই মাঠে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে। ফলে বিএনপির রাজনীতি সক্রিয ও সাংগঠনিক কর্মকান্ড গতিশীল রাখতে উপজেলা চেয়ারম্যানের চেয়ারে বিএনপির প্রতিনিধি বসানোর কোনো বিকল্প নাই।অন্যদিকে উপজেলা জুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে এক কাতারে নিয়ে রাজনীতি করার মতো নেতৃত্ব মিজান ব্যতিত অন্য কারো নাই। মিজানের দীর্ঘদিনের রাজনীতির পথ চলাতে তার দুএকটি কাজ বা সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা থাকতেই পারে এটা যেমন ঠিক,তেমনি তানোর বিএনপিকে ধরে রাখতে বিএনপিতে তার যে অবদান তা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নাই সেটিও ঠিক। উপজেলা চেয়ারম্যানের চেয়ার পেতে মিজানের কোনো বিকল্প নাই।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেদের ভুল উপলব্ধি করে নিজেদের মধ্যকার ক্ষোভ আর মান-অভিমান দুর করেছে। উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।
আগামিতে বিএনপির রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যর কোনো বিকল্প নাই।
উপজেলা নির্বাচন ঘিরে ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দীর্ঘদিনের মান-অভিমান ও মতবিরোধ ভুলে একে-অপরকে কাছে টানছে, এতে তাদের মধ্য দীর্ঘদিনের বিরাজমান ক্ষোভ-অসন্তোষের বরফ গলতে শুরু করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে, চাওয়া-পাওয়া না পাওয়া ও মান-অভিমানসহ নানা কারণে যেসব নেতাকর্মীরা এতোদিন নিস্ক্রীয় ছিল, তারাও নির্বাচন সামনে রেখে নবউদ্দ্যেমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে দীর্ঘদিন পর দলটির দলীয় কার্যালয় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পদচারণা মুখর জমজমাট হয়ে উঠেছে।রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরেছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য।
বিএনপির আদর্শিক,প্রবীণ,ত্যাগী, পরিক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীর পাশাপাশি তৃনমূলের নেতাকর্মীরাও এখন উজ্জীবিত ,ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য।
অন্যদিকে সাধারণ মানুষ বলছে,রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় বিএনপি কাজেই বিএনপির বিপক্ষের মানুষকে নির্বাচিত করে এলাকার উন্নয়ন করা সম্বব নয়।তারা মোহের বসে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে ভুল করেছেন,আগামিতে বিএনপির প্রার্থীদের বিজয়ী করে সেই ভুর শুধরাতে চাই।আর বিএনপির নেতা ও কর্মী-সমর্থকেরা বলছে,পদ-পদবী বা চাওয়া-পাওয়া বা না পাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে মতপার্থক্যের অবসান ঘটিয়ে তারা উপজেলাতে বসার একটা জায়গা পেতে চাই। তাই যেকোনো মুল্য উপজেলা নির্বাচনে তারা বিএনপি প্রার্থীর বিজয় চাই।
আলিফ হোসেন