ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬ , ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দুই মামলা পরীক্ষাকেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ দায়ী: শিক্ষামন্ত্রী চুল ঝরতে পারে শোয়ার ভুলেই! সমস্যার কারণ না জানলে বিপদ উপজেলা নির্বাচনে আলোচনায় তরুণ নেতৃত্ব মিজান ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানজুড়ে নিহতের সংখ্যা প্রায় ৮০০ রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮ ওমান উপসাগরে ইরানের ১১টি জাহাজ ধ্বংসের দাবি মার্কিন সেনার রোজায় মিথ্যা বর্জনের ‍গুরুত্ব ইরানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে ইসরাইলের হামলা! নগরীর কর্ণহার ও কাশিয়াডাঙ্গা থানায় মাদক কারবারী গ্রেফতার ৪ রাণীশংকৈলে কৃষি মেলার উদ্বোধন মতিহারে নিখোঁজ দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী উদ্ধার শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক নেতৃত্বে সফলতার জন্য ভিবিডি কর্তৃক সংবর্ধিত হলেন অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী সিঁড়ি ভাঙলে বুক ধড়ফড়, মাথা ঘোরার সমাধানে সহজ কিছু ব্যায়াম ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত: এজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল শিক্ষাবোর্ডের ভুলে পাল্টে গেল ৩৮ হাজার ছাত্রের লিঙ্গ হামলার আশঙ্কায় প্রায় ৭০০ ট্যাঙ্কার দাঁড়িয়ে রয়েছে হরমুজ প্রণালীতে! ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে-২১ পিস ইয়াবাসহ নারী আটক, স্বামী পলাতক দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ

তানোরে সজিনা গাছ ফুলে ফুলে ভরে গেছে

  • আপলোড সময় : ০৩-০৩-২০২৬ ০৪:০১:১৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-০৩-২০২৬ ০৪:০১:১৯ অপরাহ্ন
তানোরে সজিনা গাছ ফুলে ফুলে ভরে গেছে তানোরে সজিনা গাছ ফুলে ফুলে ভরে গেছে
রাজশাহীর তানোরে সাদা সাদা গুচ্ছ ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ। ডালের গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ফুল আর ফুল। এ সময় সজিনা গাছের পাতা ঝরে পড়তে শুরু করে। তাই পাতা শুন্য ডালে থোকা থোকা সাদা ফুলের শোভা দেখে সকলে বিমোহিত হয়। বাংলাদেশের অতি পরিচিত এক সবজি সজিনা বা সজনে পাতা। মূলত বিভিন্ন ধরনের খাবারের আনুষাঙ্গিক উপকরণ হিসেবে আমাদের দেশে এর ব্যবহার দেখা যায়। তবে এই সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান। এমনকি বৈশ্বিকভাবেই সজিনা ‘সুপার ফুড’ হিসেবে পরিচিত। সজিনার পাতা, শিকড় এবং অপরিণত শুঁটি সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। এছাড়া এই গাছের বাকল, শুঁটি, পাতা, বাদাম, বীজ, কন্দ, শিকড় এবং ফুলসহ গোটা অংশই খাওয়া যায়।প্রচন্ড খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলে সজিনা চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার রাস্তার ধারে ও পতিত জমিতে হাজার হাজার সজিনা গাছ রয়েছে। এমকি প্রায় প্রতি বাড়ীতে দু'একটি করে সজিনা গাছ রয়েছে। এসব গাছ বাড়ীর পাশে,রাস্তার ধারে ও জমির আইলে লাগানো। যত্ন ছাড়াই এসব গাছ বেড়ে উঠেছে। গাছে ফলনও বেশী হয়। প্রতি বছর সজিনার শাখা বা ডাল রোপন করা হয়। তবে রোপনকৃত ডালের প্রায় ৩০ শতাংশ মারা যায়।

জানা গেছে, দেশে ২টি জাত আছে, একটি হালো সজিনা ও আর একটি নজিনা। সজিনার ফুল আসে জানুয়ারীতে আর নজিনা ফুল আসে মার্চ মাস থেকে। তবে সব ফুল থেকে ফল হয় না। একটি থোকায় সর্বাধিক ১৫০টি মত ফুল ধরে। ফুল ৪০ সেন্টিমিটার থেকে ৮০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। ফুল ফুটার ২ মাস পর ফল তোলা যায়। একটি বড় গাছে ৪শ' থেকে ৫শ' ফল ধরে। প্রতিটি ফলে ৩০ থেকে ৪০ টি বীজ হয়। দেশে সাধারণ ডাল কেটে ডাল রোপন করে সজিনা গাছ লাগানো হয়। ভারত থেকে হাইব্রিড সজিনার জাত এদেশে এসেছে। এ জাতের বীজ বপন করে লাগাতে হয়। হাইব্রিড জাতের সজিনা গাছে দু’বার ফুল আসে। ফেব্রুয়ারী-মার্চ ও জুন-জুলাই মাস।

কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর উপজেলায় বারোমাসি সজিনার ডাল বিতরণ ও রোপন করা হয়। এর মধ্যে এসব ডাল থেকে গাছ হয়েছে। সজিনার মৌসুম শেষে এ বছরও ডাল রোপন করা হবে।এ উপজেলার লবণামুক্ত মাটিতে সজিনা আবাদ ভাল হচ্ছে। উপজেলার প্রায় প্রতি বাড়ীতে কমবেশি  সজিনা গাছ আছে।বসতবাড়ীর আশে পাশে রাস্তার ধারে জমির আইলে লাগানো সজিনা গাছ যত্ন ছাড়াই অবহেলার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। সজিনা চাষিরা উচ্চ মূল্য পাওয়ায় সজিনার ডাল রোপন করতে উৎসাহিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, ঠান্ডা-গরম, লবণ, খরা সহিষ্ণু এ গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রই জন্ম নেয়। এ বছর সজিনা গাছে ব্যাপক ফুল ধরেছে। বড় ধরণের দূর্যোগ না হলে সজিনার বাম্পার ফলন আশা করা যায়। সজিনা পুষ্টি ও ভেজষ গুনে ভরা সবজি হিসাবে খুব দামী। সজিনার ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মুল্যে বিক্রি হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা এখন পতিত জমিতে পরিকল্পিতভাবে সজিনা গাছ লাগিয়ে লাভবান হচ্ছে। সজিনা পুষ্টিকর সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনাখেত গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
মতিহারে  নিখোঁজ দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী উদ্ধার

মতিহারে নিখোঁজ দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী উদ্ধার