নাগপুরের কাছে একটি বিস্ফোরক উৎপাদনকারী কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন। রবিবার সকালে কাটোল এলাকার রাউলগাঁওয়ে ‘এসবিএল এনার্জি লিমিটেড’ নামে ওই কারখানায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও কয়েকজন আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে এই বিস্ফোরণটি ঘটে। প্রতিদিনের মতোই শ্রমিকরা তখন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ডেটোনেটর তৈরির প্রক্রিয়ার সময়ই হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, কারখানার সংশ্লিষ্ট ইউনিটের একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। বিস্ফোরণের পর আকাশজুড়ে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে, বহুদূর পর্যন্ত এলাকা কেঁপে ওঠে এবং গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল এবং জরুরি পরিষেবা বিভাগের কর্মীরা। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শ্রমিকদের উদ্ধারের কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল এবং নাগপুরের অরেঞ্জ সিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নাগপুর গ্রামীণের পুলিশ সুপার হর্ষ পোদ্দার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি, তদন্ত শুরু হয়েছে।
মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং উদ্ধারকাজ চলছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) থেকে মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে এই বিস্ফোরণটি ঘটে। প্রতিদিনের মতোই শ্রমিকরা তখন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ডেটোনেটর তৈরির প্রক্রিয়ার সময়ই হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, কারখানার সংশ্লিষ্ট ইউনিটের একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। বিস্ফোরণের পর আকাশজুড়ে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে, বহুদূর পর্যন্ত এলাকা কেঁপে ওঠে এবং গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল এবং জরুরি পরিষেবা বিভাগের কর্মীরা। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শ্রমিকদের উদ্ধারের কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল এবং নাগপুরের অরেঞ্জ সিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নাগপুর গ্রামীণের পুলিশ সুপার হর্ষ পোদ্দার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি, তদন্ত শুরু হয়েছে।
মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং উদ্ধারকাজ চলছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) থেকে মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করা হয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক