ভাল চাকরি, বেতনও ভাল। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় কর্মী তা ছাড়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। তাঁর হাতে যে ভাল আর একটি কাজের খোঁজ রয়েছে তাও নয়। কিন্তু তিনি হয়তো পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না বা কর্মক্ষেত্র পছন্দ হচ্ছে না।
কাজের পরিবেশ এবং পরিসর ঠিক না থাকলে, তা যেমন ব্যক্তি বিশেষের কেরিয়ারে প্রভাব ফেলে, তেমনই তার জের এসে পড়ে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক জীবনেও। কর্মক্ষেত্রে শান্তি বজায় থাকলে শুধু যে কাজে মন দেওয়া সহজ হয় তা নয়, পেশাগত জীবনে সুখ থাকলে, ব্যক্তিজীবনেও শান্তি বজায় রাখা অনেক সহজ হয়।
কিন্তু পেশাগত জীবন যে সকলের মসৃণ হবে এমনটা নয়। সেখানেও থাকে মন কষাকষি, রেষারেষি, ধমক, প্রতিযোগিতা।এমন খুঁটিনাটি বিষয় সামলাতে হলে কর্মক্ষেত্রে নিজের কোন আচরণ নিয়ে সংযত থাকা দরকার?
সহকর্মীরা বন্ধু নন: কাজের সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে হলে সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকা জরুরি। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে কতটা মন খুলে কথা বলা যায় তা নিজেকেই বুঝতে হবে। ব্যক্তিগত জীবন অন্যের কাছে হাট করে খুলে দেওয়া ঠিক নয়। বিশেষত কর্পোরেট জগতেরও আদব-কায়দা আছে। তা ছাড়া, আজ কেউ এক জায়গায় চাকরি করছেন, পরে তিনি অন্য জায়গায় যাবেন। কিন্তু কাকে বলা, কোন কথা কী ভাবে ছড়িয়ে পড়বে তা কেউ জানেন না।
অফিস ঘরবাড়ি নয়: অফিস কর্মক্ষেত্র, বাড়ি নয়। এটা মনে রাখা দরকার। যত দ্রুত অফিসের কাজ সারতে পারবেন, ততই পরিবার, বন্ধু বা প্রিয় মানুষকে সময় দিতে পারবেন। কাজের ফাঁকে অন্যকে নিয়ে সমালোচনা, এর-ওর কাছে ঊর্ধ্বতনের নামে নিন্দার জন্য পরে বিপাকে পড়তে হতে পারে। অফিসের কাজ হয়ে গেলে গালগল্প না করে, বেরিয়ে পড়াই ভাল।
সময়ে শেষ করা: কাজেরও সময়সীমা থাকা প্রয়োজন। অনেকে অফিসের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পেরে, তা বাড়িতে বয়ে আনেন। কিন্তু ক্লান্ত মস্তিষ্কে কাজ চালিয়ে যাওয়া কোনও কাজের কথা নয়। এতে ভুলভ্রান্তি বাড়তে পারে। সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পরে অফিসেও নম্রভাবে বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন, ছুটির পরে কাজের বোঝা টেনে নিয়ে যেতে চান না।
কাজের পরিবেশ এবং পরিসর ঠিক না থাকলে, তা যেমন ব্যক্তি বিশেষের কেরিয়ারে প্রভাব ফেলে, তেমনই তার জের এসে পড়ে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক জীবনেও। কর্মক্ষেত্রে শান্তি বজায় থাকলে শুধু যে কাজে মন দেওয়া সহজ হয় তা নয়, পেশাগত জীবনে সুখ থাকলে, ব্যক্তিজীবনেও শান্তি বজায় রাখা অনেক সহজ হয়।
কিন্তু পেশাগত জীবন যে সকলের মসৃণ হবে এমনটা নয়। সেখানেও থাকে মন কষাকষি, রেষারেষি, ধমক, প্রতিযোগিতা।এমন খুঁটিনাটি বিষয় সামলাতে হলে কর্মক্ষেত্রে নিজের কোন আচরণ নিয়ে সংযত থাকা দরকার?
সহকর্মীরা বন্ধু নন: কাজের সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে হলে সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকা জরুরি। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে কতটা মন খুলে কথা বলা যায় তা নিজেকেই বুঝতে হবে। ব্যক্তিগত জীবন অন্যের কাছে হাট করে খুলে দেওয়া ঠিক নয়। বিশেষত কর্পোরেট জগতেরও আদব-কায়দা আছে। তা ছাড়া, আজ কেউ এক জায়গায় চাকরি করছেন, পরে তিনি অন্য জায়গায় যাবেন। কিন্তু কাকে বলা, কোন কথা কী ভাবে ছড়িয়ে পড়বে তা কেউ জানেন না।
অফিস ঘরবাড়ি নয়: অফিস কর্মক্ষেত্র, বাড়ি নয়। এটা মনে রাখা দরকার। যত দ্রুত অফিসের কাজ সারতে পারবেন, ততই পরিবার, বন্ধু বা প্রিয় মানুষকে সময় দিতে পারবেন। কাজের ফাঁকে অন্যকে নিয়ে সমালোচনা, এর-ওর কাছে ঊর্ধ্বতনের নামে নিন্দার জন্য পরে বিপাকে পড়তে হতে পারে। অফিসের কাজ হয়ে গেলে গালগল্প না করে, বেরিয়ে পড়াই ভাল।
সময়ে শেষ করা: কাজেরও সময়সীমা থাকা প্রয়োজন। অনেকে অফিসের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পেরে, তা বাড়িতে বয়ে আনেন। কিন্তু ক্লান্ত মস্তিষ্কে কাজ চালিয়ে যাওয়া কোনও কাজের কথা নয়। এতে ভুলভ্রান্তি বাড়তে পারে। সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পরে অফিসেও নম্রভাবে বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন, ছুটির পরে কাজের বোঝা টেনে নিয়ে যেতে চান না।
ফারহানা জেরিন