রমজান উপলক্ষ্যে হঠাৎ ডিমের দাম কমে যাওয়ায় লোকশানে পড়েছে নাটোরের সিংড়া উপজেলার শতাধিক হাঁস খামারী। আগে ডিমের দাম পাইকারি প্রতি পিস ১৫ থেকে ১৭ টাকায় বিক্রি হলেও সেই ডিমের দাম কমে গিয়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৯ থেকে ১১ টাকায়।
উপজেলার ইটালী ইউনিয়নের কুমগ্রামের হাঁস খামারী মোঃ আয়ুব আলী জানান, চলনবিলের সিংড়া বারুহাস রাস্তার ডুবো ব্রীজে আমার খামার আছে। খামারের ১২শ হাঁসের মধ্যে ৭শ হাঁস ডিম দেয়। মাত্র ৭ দিনের ব্যবধানে ডিমের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দাম কমে যাওয়ায় ৭শ ডিম বিক্রি করে আমি যে টাকা পাচ্ছি সেই টাকায় খামারের ১২শ হাঁসের খাবার কিনতে পারছি না।
উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের আয়েশ গ্রামের খামারী বাচ্চু মিয়া জানান, ২৭ বছর ধরে খামার করে এবছরই প্রথম এত লোকশানে পড়েছি।
ফিট সহ সব খাবারের দাম বেশি। অথচ ডিমের ন্যায্য দাম পাচ্ছিনা। খামার ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইটালী ইউনিয়নের ইন্দ্রাসন গ্রামের খামারী আলা উদ্দিন জানান, আমার খামারে ৭শ হাঁস আছে। খাবার জোগান দিতে পারছিনা। দুরের হালতির বিল থেকে ছোট শামুক সংগ্রহ করে কোন রকম খাবার খাওয়াচ্ছি। ৭শ হাঁসের মধ্যে আগে ডিম দিতো ৪শ হাঁস। এখন ডিম দিচ্ছে ৩শ হাঁস।
সরেজমিনে চলনবিলের বৃহত্তম হাঁসের ডিমের হাট সিংড়া হাটে গিয়ে দেখা যায়, হাঁসের বাচ্চা ফোটানোর জন্য হ্যাচারির বড় ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১১ টাকা পিস আর ছোট ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯ থেকে সাড়ে ৯ টাকা পিস। বগুড়া থেকে ডিম কিনতে আসা পাইকারি মনতাজ মন্ডল জানান, পোল্ট্রি ডিমের আমদানি এখন বেশি। দামও কম সে কারণেই হাঁসের ডিমের চাহিদা কমে গেছে। আমরা আগের মত ডিম কিনে বাজারে বিক্রি করতে পারছিনা।
চলনবিল ডিম আড়তদার মোঃ আলহাজ উদ্দিন জানান, রমজান উপলক্ষে প্রতি বছর পোল্ট্রি মুরগির আমাদানি সাধারণ ভাবেই বেশি হয়। এ কারনে সব ডিমের বাজার কিছুটা কমে যায়।
তবে আমরা আশা করছি অল্প দিনের মধ্যে এ বাজার থাকবে না। আগের দামে ফিরে আসবে।
উপজেলার ইটালী ইউনিয়নের কুমগ্রামের হাঁস খামারী মোঃ আয়ুব আলী জানান, চলনবিলের সিংড়া বারুহাস রাস্তার ডুবো ব্রীজে আমার খামার আছে। খামারের ১২শ হাঁসের মধ্যে ৭শ হাঁস ডিম দেয়। মাত্র ৭ দিনের ব্যবধানে ডিমের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দাম কমে যাওয়ায় ৭শ ডিম বিক্রি করে আমি যে টাকা পাচ্ছি সেই টাকায় খামারের ১২শ হাঁসের খাবার কিনতে পারছি না।
উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের আয়েশ গ্রামের খামারী বাচ্চু মিয়া জানান, ২৭ বছর ধরে খামার করে এবছরই প্রথম এত লোকশানে পড়েছি।
ফিট সহ সব খাবারের দাম বেশি। অথচ ডিমের ন্যায্য দাম পাচ্ছিনা। খামার ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইটালী ইউনিয়নের ইন্দ্রাসন গ্রামের খামারী আলা উদ্দিন জানান, আমার খামারে ৭শ হাঁস আছে। খাবার জোগান দিতে পারছিনা। দুরের হালতির বিল থেকে ছোট শামুক সংগ্রহ করে কোন রকম খাবার খাওয়াচ্ছি। ৭শ হাঁসের মধ্যে আগে ডিম দিতো ৪শ হাঁস। এখন ডিম দিচ্ছে ৩শ হাঁস।
সরেজমিনে চলনবিলের বৃহত্তম হাঁসের ডিমের হাট সিংড়া হাটে গিয়ে দেখা যায়, হাঁসের বাচ্চা ফোটানোর জন্য হ্যাচারির বড় ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১১ টাকা পিস আর ছোট ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯ থেকে সাড়ে ৯ টাকা পিস। বগুড়া থেকে ডিম কিনতে আসা পাইকারি মনতাজ মন্ডল জানান, পোল্ট্রি ডিমের আমদানি এখন বেশি। দামও কম সে কারণেই হাঁসের ডিমের চাহিদা কমে গেছে। আমরা আগের মত ডিম কিনে বাজারে বিক্রি করতে পারছিনা।
চলনবিল ডিম আড়তদার মোঃ আলহাজ উদ্দিন জানান, রমজান উপলক্ষে প্রতি বছর পোল্ট্রি মুরগির আমাদানি সাধারণ ভাবেই বেশি হয়। এ কারনে সব ডিমের বাজার কিছুটা কমে যায়।
তবে আমরা আশা করছি অল্প দিনের মধ্যে এ বাজার থাকবে না। আগের দামে ফিরে আসবে।
সৌরভ সোহরাব সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ