পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন।
রোববার (১ মার্চ) করাচির মাই কোলাচি সড়কে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।
করাচির সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের (সিএইচকে) নির্বাহী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ সাবির মেমন বলেন, কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং নিহতরা সবাই পুরুষ। আহত ৩২ জনের প্রত্যেকেই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে নিহতের সংখ্যা ৬ জন বলে দাবি করা হয়েছে।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। করাচির মাই কোলাচি সড়কে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট ঘিরে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এদিকে দেশটির তথ্যমন্ত্রীর মুখপাত্র হুসাইন মানসুরের শেয়ার করা এক সরকারি বিবৃতিতে সিন্ধ সরকার সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। ঘটনার সব দিক ‘নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা’ করতে উচ্চপর্যায়ের যৌথ তদন্ত দল (জেআইটি) গঠন করা হয়েছে। তদন্ত দল ঘটনার প্রেক্ষাপট, কারণ, সংঘর্ষের পরিস্থিতি এবং দায়ীদের শনাক্ত করবে বলে জানানো হয়েছে।
সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করার সাংবিধানিক অধিকার নাগরিকদের রয়েছে। তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সবার যৌথ দায়িত্ব। কোনো ধরনের ভাঙচুর, সহিংসতা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। নাগরিকদের আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিজেদের আবেগ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
রোববার (১ মার্চ) করাচির মাই কোলাচি সড়কে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।
করাচির সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের (সিএইচকে) নির্বাহী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ সাবির মেমন বলেন, কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং নিহতরা সবাই পুরুষ। আহত ৩২ জনের প্রত্যেকেই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে নিহতের সংখ্যা ৬ জন বলে দাবি করা হয়েছে।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। করাচির মাই কোলাচি সড়কে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট ঘিরে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এদিকে দেশটির তথ্যমন্ত্রীর মুখপাত্র হুসাইন মানসুরের শেয়ার করা এক সরকারি বিবৃতিতে সিন্ধ সরকার সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। ঘটনার সব দিক ‘নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা’ করতে উচ্চপর্যায়ের যৌথ তদন্ত দল (জেআইটি) গঠন করা হয়েছে। তদন্ত দল ঘটনার প্রেক্ষাপট, কারণ, সংঘর্ষের পরিস্থিতি এবং দায়ীদের শনাক্ত করবে বলে জানানো হয়েছে।
সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করার সাংবিধানিক অধিকার নাগরিকদের রয়েছে। তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সবার যৌথ দায়িত্ব। কোনো ধরনের ভাঙচুর, সহিংসতা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। নাগরিকদের আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিজেদের আবেগ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
আন্তজার্তিক ডেস্ক