রাজশাহী নগরীর মতিহার থানাধীন খোঁজাপুর এলাকায় শ্রমিক গোলাম মোস্তফা হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামী উকিলকে (৫২) গ্রেফতার করেছে র্যাব।
শুক্রবার দিনহত রাত ১২ টার পরে রাজশাহীর চারঘাট থানাধীন ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
নিহত গোলাম মোস্তফা (৫২), নগরীর মতিহার থানাধীন ডাঁসমারি এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন।
শনিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের মুখপাত্র উপ-পরিচালক মেজর আসিফ আল-রাজেক।
তিনি জানান, গত (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় খোঁজাপুর শাহী জামে মসজিদে এশার নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে খোঁজাপুর মোড়ের পাশে একই গ্রামের হাসিবুল মোল্লা ও তার সহযোগীদের সাথে নিয়ে আসামি উকিলের নেতৃত্বে গোলাম মোস্তফাকে গুলি করে গুরুতর করে আহত করে।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ৯টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নাজেরা বেগম বাদী হয়ে (১৫ ফেব্রুয়ারি) মতিহার থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি উকিলকে গ্রেফতার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার উকিল ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। পরে তাকে মতিহার থানার হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানায় র্যাব।
মতিহার থানার সেকেন্ড অফিসার আব্দুল মতিন জানান, শনিবার সকালে হত্যা মামলার আসামী উকিলকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার দিনহত রাত ১২ টার পরে রাজশাহীর চারঘাট থানাধীন ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
নিহত গোলাম মোস্তফা (৫২), নগরীর মতিহার থানাধীন ডাঁসমারি এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন।
শনিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের মুখপাত্র উপ-পরিচালক মেজর আসিফ আল-রাজেক।
তিনি জানান, গত (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় খোঁজাপুর শাহী জামে মসজিদে এশার নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে খোঁজাপুর মোড়ের পাশে একই গ্রামের হাসিবুল মোল্লা ও তার সহযোগীদের সাথে নিয়ে আসামি উকিলের নেতৃত্বে গোলাম মোস্তফাকে গুলি করে গুরুতর করে আহত করে।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ৯টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নাজেরা বেগম বাদী হয়ে (১৫ ফেব্রুয়ারি) মতিহার থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি উকিলকে গ্রেফতার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার উকিল ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। পরে তাকে মতিহার থানার হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানায় র্যাব।
মতিহার থানার সেকেন্ড অফিসার আব্দুল মতিন জানান, শনিবার সকালে হত্যা মামলার আসামী উকিলকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :