মিষ্টি অধিকাংশ মানুষের কাছে জনপ্রিয় একটি খাবার। বিশেষ করে ভোজন রসিকদের কাছে তো আর আরো জনপ্রিয়। তাইতো বাংলাদেশের খাদ্যাভ্যাসে ভাত খাওয়ার পর একটু মিষ্টি না হলে যেন একসাজ যায় না। এসব ভোজন রসিকদের মন জোগাতে বাজারে মেলে হরেক রকমের মিষ্টি।
এবার কুড়িগ্রামে পাওয়া যাচ্ছে কাঁচা মরিচের রসগোল্লা। বাংলাদেশে আগে থেকে বেশকিছু এলাকায় এটি পাওয়া গেলেও সম্প্রতি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বড় বড় পাত্র ভরে আসছে দুধ। সে দুধ ফেটিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ছানা।
পানি নিংড়িয়ে সে ছানায় অনেকগুলো কাচা মরিচের পেইস্ট দিয়ে বানানো হচ্ছে মণ্ড। সবুজ রং ধারণ করা সে মণ্ড থেকে কিছু কিছু করে নিয়ে গোল গোল বল তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে লোহার বড় একটি কড়াইয়ে আগে থেকে জাল হওয়া হালকা চিনির সিরায়। এরপর বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে জাল ও নাড়াচাড়া। যতক্ষণ পর্যন্ত না সেগুলো ফুলে-ফেঁপে বড় না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত।
এরপর সেগুলো দেওয়া হচ্ছে চিনি বা গুড়ের গাঢ় সিরায়। সেখানে সিরা চুষে কিছুক্ষণেই তা তৈরি হয় রসগোল্লায়। এরপর তা পরিবেশিত হয় খাবার টেবিলে।
সাধারণত রসগোল্লার স্বাদ সুমিষ্ট হলেও এগুলোর স্বাদ ঝাল-মিষ্টি। ঝাল ও মিষ্টি এ রসগোল্লা এখন তৈরি হচ্ছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটায়।
ধীরে ধীরে বাড়ছে এর প্রচার ও প্রসার। তাইতো ভোজনরসিকরা তাদের তৃষ্ণা মেটাতে দূর থেকে ছুটে আসছেন। উপজেলার কচাকাটা বাজারে সাইনবোর্ড বিহীন মিষ্টির ছোট একটি দোকান ‘বনফুল সুইটমিট’। র্যাকে স্তরে স্তরে সাজানো সাদা, লালচে বাদামি ও সবুজ রঙের স্পঞ্জ, সাধারণ, শুকনা কয়েক রকমের মিষ্টি। কেউ বসে খাচ্ছেন, কেউ প্যাকেটে করে নিয়ে যাচ্ছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষেই নিচ্ছেন কাচা মরিচের রসগোল্লা।
দোকান মালিক রিয়াজুল ইসলাম জানান, প্রতিবছর শীত এলেই চাহিদা বাড়ে কাঁচা মরিচের রসগোল্লার। দুই বছর থেকে তার দোকানে তৈরি করা হচ্ছে কাঁচা মরিচের এ রসগোল্লা। সর চাহিদা অনেক। এর স্বাদ পেতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ আসেন এখানে। অন্যান্য মিষ্টির মতই ২৪০-২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন কাঁচা মরিচের এ রসগোল্লা। এছাড়াও ২০ ধরনের মিষ্টি তৈরি করা হয় তার দোকানে।
রফিকুল ইসলাম জানান, তারা চার পাঁচজন মিলে কাঁচা মরিচের রসগোল্লার স্বাদ পরখ করতে এসেছেন। খেয়ে তারা সন্তুষ্ট।
দীলিপ কর্মকার জানান, কাঁচা মরিচের মিষ্টি খেতে ঝাল-মিষ্টি। তাছাড়া কাঁচা মরিচের যে সুগন্ধ সেটাও অটুট রয়েছে মিষ্টিতে। সবমিলিয়ে আমাদের কাছে অসাধারণ মনে হয়েছে।
এবার কুড়িগ্রামে পাওয়া যাচ্ছে কাঁচা মরিচের রসগোল্লা। বাংলাদেশে আগে থেকে বেশকিছু এলাকায় এটি পাওয়া গেলেও সম্প্রতি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বড় বড় পাত্র ভরে আসছে দুধ। সে দুধ ফেটিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ছানা।
পানি নিংড়িয়ে সে ছানায় অনেকগুলো কাচা মরিচের পেইস্ট দিয়ে বানানো হচ্ছে মণ্ড। সবুজ রং ধারণ করা সে মণ্ড থেকে কিছু কিছু করে নিয়ে গোল গোল বল তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে লোহার বড় একটি কড়াইয়ে আগে থেকে জাল হওয়া হালকা চিনির সিরায়। এরপর বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে জাল ও নাড়াচাড়া। যতক্ষণ পর্যন্ত না সেগুলো ফুলে-ফেঁপে বড় না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত।
এরপর সেগুলো দেওয়া হচ্ছে চিনি বা গুড়ের গাঢ় সিরায়। সেখানে সিরা চুষে কিছুক্ষণেই তা তৈরি হয় রসগোল্লায়। এরপর তা পরিবেশিত হয় খাবার টেবিলে।
সাধারণত রসগোল্লার স্বাদ সুমিষ্ট হলেও এগুলোর স্বাদ ঝাল-মিষ্টি। ঝাল ও মিষ্টি এ রসগোল্লা এখন তৈরি হচ্ছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটায়।
ধীরে ধীরে বাড়ছে এর প্রচার ও প্রসার। তাইতো ভোজনরসিকরা তাদের তৃষ্ণা মেটাতে দূর থেকে ছুটে আসছেন। উপজেলার কচাকাটা বাজারে সাইনবোর্ড বিহীন মিষ্টির ছোট একটি দোকান ‘বনফুল সুইটমিট’। র্যাকে স্তরে স্তরে সাজানো সাদা, লালচে বাদামি ও সবুজ রঙের স্পঞ্জ, সাধারণ, শুকনা কয়েক রকমের মিষ্টি। কেউ বসে খাচ্ছেন, কেউ প্যাকেটে করে নিয়ে যাচ্ছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষেই নিচ্ছেন কাচা মরিচের রসগোল্লা।
দোকান মালিক রিয়াজুল ইসলাম জানান, প্রতিবছর শীত এলেই চাহিদা বাড়ে কাঁচা মরিচের রসগোল্লার। দুই বছর থেকে তার দোকানে তৈরি করা হচ্ছে কাঁচা মরিচের এ রসগোল্লা। সর চাহিদা অনেক। এর স্বাদ পেতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ আসেন এখানে। অন্যান্য মিষ্টির মতই ২৪০-২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন কাঁচা মরিচের এ রসগোল্লা। এছাড়াও ২০ ধরনের মিষ্টি তৈরি করা হয় তার দোকানে।
রফিকুল ইসলাম জানান, তারা চার পাঁচজন মিলে কাঁচা মরিচের রসগোল্লার স্বাদ পরখ করতে এসেছেন। খেয়ে তারা সন্তুষ্ট।
দীলিপ কর্মকার জানান, কাঁচা মরিচের মিষ্টি খেতে ঝাল-মিষ্টি। তাছাড়া কাঁচা মরিচের যে সুগন্ধ সেটাও অটুট রয়েছে মিষ্টিতে। সবমিলিয়ে আমাদের কাছে অসাধারণ মনে হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক