বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগতে এখন তারকাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড গড়ে তোলা যেন নতুন স্বাভাবিক বাস্তবতা। কেউ পোশাক, কেউ সৌন্দর্যচর্চা, কেউ আবার শিক্ষা বা ফিটনেস খাতে বিনিয়োগ করছেন। এই ধারায় নতুন সংযোজন হলেন তামান্না ভাটিয়া। অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেই তিনি আত্মপ্রকাশ করেছেন ফাইন জুয়েলারির দুনিয়ায়। তবে লক্ষ্য একেবারেই স্পষ্ট, নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন জি।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারি‘তামান্না ফাইন জুয়েলারি’ নামের এই উদ্যোগ কেবল একটি গয়নার ব্র্যান্ড নয়, বরং একটি দৃষ্টিভঙ্গি। উৎসবকেন্দ্রিক ভারী অলংকারের বাইরে এসে এখানে গুরুত্ব পেয়েছে প্রতিদিনের ব্যবহারযোগ্য গয়না যা সকালবেলার অফিস, দুপুরের আড্ডা কিংবা রাতের অনুষ্ঠান সবখানেই মানানসই। এমনকি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেন বারবার খুলে রাখার ঝামেলাও না থাকে।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিএই ব্যবসায়িক পদক্ষেপ তামান্নার জন্য হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্ত নয়। পারিবারিকভাবে জুয়েলারি ব্যবসার সঙ্গে তার গভীর সংযোগ রয়েছে। তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে এই পেশায় যুক্ত। ছোটবেলায় মন খারাপ হলে বা কোনো অজানা ভয়ে কাঁপলে বাবার দোকানে গিয়ে সময় কাটানোর স্মৃতি আজও তার কাছে উজ্জ্বল। তখন গয়না ছিল না কোনো বিলাসিতা বা সামাজিক মর্যাদার প্রতীক; বরং ছিল স্নেহ, নিরাপত্তা আর মানসিক সান্ত্বনার জায়গা। বড় হয়ে সেই অনুভূতিকেই নতুন আকার দিতে চেয়েছেন তিনি।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিঅভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতাও তার ভাবনায় বড় ভূমিকা রেখেছে। নিয়মিত ফিটিং, ভারী পোশাক, জাঁকজমকপূর্ণ অলংকার সব মিলিয়ে তিনি উপলব্ধি করেন, ফ্যাশনের নামে অস্বস্তিকে আমরা অনেক সময় খুব সহজেই মেনে নিই। একবার অস্বস্তিকর একটি টাইট পোশাক ও ভারী গয়না পরে নিজেকেই কথা দিয়েছিলেন আর কখনো শুধুই দেখানোর জন্য কষ্ট সহ্য করবেন না। সেখান থেকেই জন্ম নেয় তার ‘ক্যাজুয়াল গ্ল্যামার’ ধারণা; যেখানে আভিজাত্য থাকবে, কিন্তু আরামকে বিসর্জন দিতে হবে না।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিব্র্যান্ডটির বিশেষত্ব এর ব্যবহারিক দিক। সহজ ক্লিক-লক ক্ল্যাস্প, হালকা কিন্তু মজবুত গঠন, এবং দীর্ঘ সময় পরলেও স্বস্তি এই তিন বিষয়কে সামনে রেখেই ডিজাইন করা হয়েছে প্রতিটি অলংকার। তামান্না নিজেই নাকি প্রতিটি পিস পরে পরীক্ষা করেন। ব্যস্ত শুটিং, দীর্ঘ দিন কিংবা রাত সব পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে পারলেই সেটি জায়গা পায় কালেকশনে। তার বিশ্বাস, যে গয়না পরার পর আলাদা করে টেরই পাওয়া যায় না, সেটিই প্রকৃত সফল ডিজাইন।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিএখানে নকশা ও কার্যকারিতা একে অপরের পরিপূরক। ক্ল্যাস্প শুধু বন্ধ করার যন্ত্র নয়, সেটিই হয়ে ওঠে নান্দনিকতার অংশ। সোনার রঙ এমনভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, যাতে দৈনন্দিন পোশাকের বোতাম বা চেইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না লাগে। এই সূক্ষ্ম বিষয়গুলোতেই তামান্নার যত্ন সবচেয়ে বেশি।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিকালেকশন শুরু হয়েছে হুপ কানের দুল দিয়ে, এ সিদ্ধান্তের পেছনেও রয়েছে বাস্তব চিন্তা। তামান্নার মতে, হুপ এমন এক অলংকার যা প্রায় সব বয়স, স্টাইল ও উপলক্ষের সঙ্গে মানিয়ে যায়। যে গয়নাটি না ভেবেই প্রতিদিন হাতে তুলে নেওয়া যায়, সেটিকেই তিনি সফল ডিজাইনের উদাহরণ হিসেবে দেখেন।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারি‘তামান্না ফাইন জুয়েলারি’ নামের এই উদ্যোগ কেবল একটি গয়নার ব্র্যান্ড নয়, বরং একটি দৃষ্টিভঙ্গি। উৎসবকেন্দ্রিক ভারী অলংকারের বাইরে এসে এখানে গুরুত্ব পেয়েছে প্রতিদিনের ব্যবহারযোগ্য গয়না যা সকালবেলার অফিস, দুপুরের আড্ডা কিংবা রাতের অনুষ্ঠান সবখানেই মানানসই। এমনকি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেন বারবার খুলে রাখার ঝামেলাও না থাকে।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিএই ব্যবসায়িক পদক্ষেপ তামান্নার জন্য হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্ত নয়। পারিবারিকভাবে জুয়েলারি ব্যবসার সঙ্গে তার গভীর সংযোগ রয়েছে। তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে এই পেশায় যুক্ত। ছোটবেলায় মন খারাপ হলে বা কোনো অজানা ভয়ে কাঁপলে বাবার দোকানে গিয়ে সময় কাটানোর স্মৃতি আজও তার কাছে উজ্জ্বল। তখন গয়না ছিল না কোনো বিলাসিতা বা সামাজিক মর্যাদার প্রতীক; বরং ছিল স্নেহ, নিরাপত্তা আর মানসিক সান্ত্বনার জায়গা। বড় হয়ে সেই অনুভূতিকেই নতুন আকার দিতে চেয়েছেন তিনি।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিঅভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতাও তার ভাবনায় বড় ভূমিকা রেখেছে। নিয়মিত ফিটিং, ভারী পোশাক, জাঁকজমকপূর্ণ অলংকার সব মিলিয়ে তিনি উপলব্ধি করেন, ফ্যাশনের নামে অস্বস্তিকে আমরা অনেক সময় খুব সহজেই মেনে নিই। একবার অস্বস্তিকর একটি টাইট পোশাক ও ভারী গয়না পরে নিজেকেই কথা দিয়েছিলেন আর কখনো শুধুই দেখানোর জন্য কষ্ট সহ্য করবেন না। সেখান থেকেই জন্ম নেয় তার ‘ক্যাজুয়াল গ্ল্যামার’ ধারণা; যেখানে আভিজাত্য থাকবে, কিন্তু আরামকে বিসর্জন দিতে হবে না।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিব্র্যান্ডটির বিশেষত্ব এর ব্যবহারিক দিক। সহজ ক্লিক-লক ক্ল্যাস্প, হালকা কিন্তু মজবুত গঠন, এবং দীর্ঘ সময় পরলেও স্বস্তি এই তিন বিষয়কে সামনে রেখেই ডিজাইন করা হয়েছে প্রতিটি অলংকার। তামান্না নিজেই নাকি প্রতিটি পিস পরে পরীক্ষা করেন। ব্যস্ত শুটিং, দীর্ঘ দিন কিংবা রাত সব পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে পারলেই সেটি জায়গা পায় কালেকশনে। তার বিশ্বাস, যে গয়না পরার পর আলাদা করে টেরই পাওয়া যায় না, সেটিই প্রকৃত সফল ডিজাইন।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিএখানে নকশা ও কার্যকারিতা একে অপরের পরিপূরক। ক্ল্যাস্প শুধু বন্ধ করার যন্ত্র নয়, সেটিই হয়ে ওঠে নান্দনিকতার অংশ। সোনার রঙ এমনভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, যাতে দৈনন্দিন পোশাকের বোতাম বা চেইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না লাগে। এই সূক্ষ্ম বিষয়গুলোতেই তামান্নার যত্ন সবচেয়ে বেশি।
জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারিকালেকশন শুরু হয়েছে হুপ কানের দুল দিয়ে, এ সিদ্ধান্তের পেছনেও রয়েছে বাস্তব চিন্তা। তামান্নার মতে, হুপ এমন এক অলংকার যা প্রায় সব বয়স, স্টাইল ও উপলক্ষের সঙ্গে মানিয়ে যায়। যে গয়নাটি না ভেবেই প্রতিদিন হাতে তুলে নেওয়া যায়, সেটিকেই তিনি সফল ডিজাইনের উদাহরণ হিসেবে দেখেন।
বিনোদন ডেস্ক