ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ , ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তানোরের কৃষকের সামনে চতুর্মুখী সংকট বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটিতে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস-২০২৬ পালিত নোয়াখালীতে প্রকাশ্য জুয়ার আসরে ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৩ নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু রাজশাহী মহাগরীর ৭নং ওয়ার্ডে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা রাজশাহী সীমান্তে বিপুল ভারতীয় মদ জব্দ প্রচন্ড তাপপ্রবাহে ঝরছে কাঁচা আম সচেতনতামূলক নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নোয়াখালীতে প্রকাশ্য জুয়ার আসরে ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৩ হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের অগ্রগতি পর্যালোচনায় বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত শীর্ষ সন্ত্রাসী দেলোয়ার ইয়াবাসহ ধরা পড়ল ডিবির জালে রুয়েটে নানা আয়োজনে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস পালিত বর্ণালী মোড় থেকে হেতেমখাঁ বড় মসজিদ পর্যন্ত সড়কের কাজ বর্ষা মৌসুমের আগেই শেষ করার নির্দেশ রাসিক প্রশাসকের সরকারি গাড়ী চালক সমিতির পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা সড়কের পাশে বালুর স্তুপ, বেপরোয়া ট্রাক চাপায় সিএনজি যাত্রীর মৃত্যু গাজীপুরের টঙ্গীতে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার, এক সদস্য আটক গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ লোডশেডিং অব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়হীনতায় আদমদীঘিতে গৃহবধূকে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ, নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার

আম কেনাবেচায় ‘ঢলন’ প্রথা বাতিল, কেজিপ্রতি কমিশন পাবেন ব্যবসায়ীরা

  • আপলোড সময় : ১২-০৬-২০২৫ ০১:২৬:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৬-২০২৫ ০১:২৬:৪৬ অপরাহ্ন
আম কেনাবেচায় ‘ঢলন’ প্রথা বাতিল, কেজিপ্রতি কমিশন পাবেন ব্যবসায়ীরা ছবি: সংগৃহীত
 
রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলতি মৌসুমে আম কেনাবেচায় ‘ঢলন’ প্রথা বাতিল করা হয়েছে। এর পরিবর্তে চালু হয়েছে ‘কমিশন’ পদ্ধতি। আড়তদাররা চাষিদের কাছ থেকে প্রতি কেজিতে দেড় টাকা পর্যন্ত কমিশন নিতে পারবেন।
 
বুধবার (১১ জুন) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ।
 
এর আগে ঢলন প্রথা বাতিলের দাবিতে কৃষক, আড়তদার ও প্রশাসনের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ টানাপড়েন চলছিল। যুগের পর যুগ ধরে রাজশাহী অঞ্চলে এক মণ আমের ওজন ৪২ থেকে ৫৫ কেজি পর্যন্ত ধরা হতো। অথচ দাম দেওয়া হতো ৪০ কেজি ধরে। এ অতিরিক্ত ওজনের অংশটিই ছিল ‘ঢলন’। প্রশাসনের নানা উদ্যোগেও এই অনিয়ম বন্ধ হয়নি।
 
সমস্যা নিরসনে গত ২৮ এপ্রিল বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভায় আলোচনার পর কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে নির্দেশনা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু সাড়া না পেয়ে ৪ জুন কৃষক ও আড়তদাররা কমিশনার কার্যালয়ে যান। পরদিন বিভাগের চার জেলার আম ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, জাত, গ্রেড ও গুণগত মান অনুযায়ী কেজি দরে আম বিক্রি হবে। কোনো কমিশন নেওয়া যাবে না। কিন্তু বাস্তবে আড়তদাররা ৪০ কেজিতে মণ আম কেনা বন্ধ করে দেন। এতে বাধ্য হয়ে অনেক চাষি আবার ঢলন মেনে নেন। গোপনে চলতে থাকে ঢলন প্রথা।
 
এর মধ্যে গত রোববার চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে রাজশাহী বিভাগীয় আম আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতির এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ৪০ কেজিতে মণ ধরা হবে। তবে প্রতি কেজিতে ৩ টাকা করে কমিশন নেওয়া হবে। এতে চাষিদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয় এবং বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
 
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আমচাষি ইসমাইল খান বলেন, ‘ঢলন বা কমিশন না দিতে চাইলে আড়তদাররা আম কেনেন না। অনেকে বাধ্য হয়ে আবার ঢলন দিতে শুরু করেন। কেউ কেউ গোপনে ৫৪ কেজিকে মণ আম বিক্রি করেছেন। এতে বাজারে দাম পড়ে যায়। সাড়ে ৩ হাজার টাকা মণের হিমসাগর এখন ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় নেমে এসেছে।’
 
এ প্রেক্ষাপটে আবারও বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে বসে বুধবারের বৈঠক। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে আলোচনা। এতে অংশ নেন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর আমচাষি, হাট ইজারাদার, আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা।
 
কানসাট হাটের ইজারাদারদের একজন শাহীন মিয়া ছিলেন ওই বৈঠকে। তিনি জানান, বৈঠকে আড়তদাররা কেজিপ্রতি তিন টাকা কমিশনের পক্ষে ছিলেন আর চাষিরা রাজি ছিলেন ১ টাকায়। আলোচনার একপর্যায়ে দুই পক্ষই দেড় টাকা কমিশনে সম্মত হন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
তানোরের কৃষকের সামনে চতুর্মুখী সংকট

তানোরের কৃষকের সামনে চতুর্মুখী সংকট