ঢাকা , সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ , ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ সদস্যদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি: অর্থমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খোলা নিয়ে ইরানের কঠোর অবস্থান, অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয় স্টাইল ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন মিম নামাজে নিয়মিত হওয়ার ৩ উপায় শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে নতুন বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর ট্রাম্পের ‘মানসিক ভারসাম্য’ নিয়ে প্রশ্ন মার্কিন রাজনীতিতে অরক্ষিত সেচ পাম্পে বোরখা পেঁচিয়ে নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু এক সাধারণ অভ্যাসই বাড়িয়ে দিতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি নাটোরে বাসের চাপায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যু একনেকে উত্থাপিত অধিকাংশ প্রকল্পই অপ্রয়োজনীয় ও রাজনৈতিক বিবেচনায় নেয়া: অর্থমন্ত্রী মহানগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫ নগরীতে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ভারত যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা রাশমিকা মান্দানার জন্মদিনে বিশেষ চমক রাণীনগরে মাদকের আসরে ভ্রাম্যমান আদালতের হানা, যুবকের কারাদন্ড গরমের মরসুমে সব্জি টবেই ফলাতে পারেন মাটি কাটায় প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতার ওপর হামলা, থানায় মামলা কলকাতায় পা রাখলেন সানি লিওনি! মদ্যপান করলেও শরীরের ক্ষতি হবে না! টিপস দিলেন খোদ চিকিৎসক

আম কেনাবেচায় ‘ঢলন’ প্রথা বাতিল, কেজিপ্রতি কমিশন পাবেন ব্যবসায়ীরা

  • আপলোড সময় : ১২-০৬-২০২৫ ০১:২৬:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৬-২০২৫ ০১:২৬:৪৬ অপরাহ্ন
আম কেনাবেচায় ‘ঢলন’ প্রথা বাতিল, কেজিপ্রতি কমিশন পাবেন ব্যবসায়ীরা ছবি: সংগৃহীত
 
রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলতি মৌসুমে আম কেনাবেচায় ‘ঢলন’ প্রথা বাতিল করা হয়েছে। এর পরিবর্তে চালু হয়েছে ‘কমিশন’ পদ্ধতি। আড়তদাররা চাষিদের কাছ থেকে প্রতি কেজিতে দেড় টাকা পর্যন্ত কমিশন নিতে পারবেন।
 
বুধবার (১১ জুন) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ।
 
এর আগে ঢলন প্রথা বাতিলের দাবিতে কৃষক, আড়তদার ও প্রশাসনের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ টানাপড়েন চলছিল। যুগের পর যুগ ধরে রাজশাহী অঞ্চলে এক মণ আমের ওজন ৪২ থেকে ৫৫ কেজি পর্যন্ত ধরা হতো। অথচ দাম দেওয়া হতো ৪০ কেজি ধরে। এ অতিরিক্ত ওজনের অংশটিই ছিল ‘ঢলন’। প্রশাসনের নানা উদ্যোগেও এই অনিয়ম বন্ধ হয়নি।
 
সমস্যা নিরসনে গত ২৮ এপ্রিল বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভায় আলোচনার পর কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে নির্দেশনা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু সাড়া না পেয়ে ৪ জুন কৃষক ও আড়তদাররা কমিশনার কার্যালয়ে যান। পরদিন বিভাগের চার জেলার আম ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, জাত, গ্রেড ও গুণগত মান অনুযায়ী কেজি দরে আম বিক্রি হবে। কোনো কমিশন নেওয়া যাবে না। কিন্তু বাস্তবে আড়তদাররা ৪০ কেজিতে মণ আম কেনা বন্ধ করে দেন। এতে বাধ্য হয়ে অনেক চাষি আবার ঢলন মেনে নেন। গোপনে চলতে থাকে ঢলন প্রথা।
 
এর মধ্যে গত রোববার চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে রাজশাহী বিভাগীয় আম আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতির এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ৪০ কেজিতে মণ ধরা হবে। তবে প্রতি কেজিতে ৩ টাকা করে কমিশন নেওয়া হবে। এতে চাষিদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয় এবং বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
 
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আমচাষি ইসমাইল খান বলেন, ‘ঢলন বা কমিশন না দিতে চাইলে আড়তদাররা আম কেনেন না। অনেকে বাধ্য হয়ে আবার ঢলন দিতে শুরু করেন। কেউ কেউ গোপনে ৫৪ কেজিকে মণ আম বিক্রি করেছেন। এতে বাজারে দাম পড়ে যায়। সাড়ে ৩ হাজার টাকা মণের হিমসাগর এখন ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় নেমে এসেছে।’
 
এ প্রেক্ষাপটে আবারও বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে বসে বুধবারের বৈঠক। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে আলোচনা। এতে অংশ নেন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর আমচাষি, হাট ইজারাদার, আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা।
 
কানসাট হাটের ইজারাদারদের একজন শাহীন মিয়া ছিলেন ওই বৈঠকে। তিনি জানান, বৈঠকে আড়তদাররা কেজিপ্রতি তিন টাকা কমিশনের পক্ষে ছিলেন আর চাষিরা রাজি ছিলেন ১ টাকায়। আলোচনার একপর্যায়ে দুই পক্ষই দেড় টাকা কমিশনে সম্মত হন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫

নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫