ঝিনাইদহে বিএনপির দু‘পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কালীগঞ্জ থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি আলোচনা সভা চলাকালে দু‘পক্ষের কথা কাটাকাটির জেরে ঘটনার সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে চেষ্টা চালায়। এ সময় সংঘর্ষে জড়িতরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়।
কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা লুৎফুর রহমান লেন্টু জানান, রাশেদ খানের নেতৃত্বে পার্টি অফিসে আমাদের আলোচনা সভা চলছিল। এ সময় মহারাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম তার সমর্থকদের নিয়ে অফিসের বাইরে অবস্থান নেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জেল্লাল হোসেন বলেন, থানায় একটি প্রেস ব্রিফিং চলছিল। এ সময় বিএনপির পার্টি অফিসে দু‘পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে পুলিশসহ ১২জন আহত হন। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কালীগঞ্জ থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি আলোচনা সভা চলাকালে দু‘পক্ষের কথা কাটাকাটির জেরে ঘটনার সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে চেষ্টা চালায়। এ সময় সংঘর্ষে জড়িতরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়।
কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা লুৎফুর রহমান লেন্টু জানান, রাশেদ খানের নেতৃত্বে পার্টি অফিসে আমাদের আলোচনা সভা চলছিল। এ সময় মহারাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম তার সমর্থকদের নিয়ে অফিসের বাইরে অবস্থান নেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জেল্লাল হোসেন বলেন, থানায় একটি প্রেস ব্রিফিং চলছিল। এ সময় বিএনপির পার্টি অফিসে দু‘পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে পুলিশসহ ১২জন আহত হন। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক