রাজশাহীর তানোরের ঐতিহ্যবাহী তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পচ্ছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে গভর্নিং বডির সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের কতিপয় শিক্ষক।
এঘটনায় গত ১১ জানুয়ারি তালন্দ গ্রামের বাসিন্দা ও অভিভাবক আব্দুস সালাম রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এবং অভিযোগের অনুলিপি ডাকযোগে উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ট্রেজারার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মহাপরিচালক, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, পরিচালক মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর রাজশাহী, মহাপরিচালকের প্রতিনিধি, অধ্যক্ষ রাজশাহী কলেজ, চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সভাপতি গভর্নিং বডি তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ। এছাড়াও রাজনৈতিক প্রভাবে অনিয়মের মাধ্যমে জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে পদায়ন দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিযোগ তদন্তের জন্য উপজেলা প্রকৌশলী ও কৃষি কর্মকর্তাকে নিয়ে দু সদস্যর কমিটি করে দেন। ২৬ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কলেজ বন্ধ থাকায় শুনানির দিন পিছিয়ে এবং কলেজ খোলার পর কলেজে গিয়ে সরেজমিন তদন্ত ও শুনানি নেয়ার দাবি করে লিখিতভাবে আবেদন করেন বাদি আব্দুস সালাম।
এদিন উপজেলা চত্ত্বরে তদন্ত কমিটির সামনে বাদি ও বিবাদী শিক্ষকদের মধ্যে চরম বাকবিতন্ডা, মারমুখি আচরণ ও বাদীকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের উপজেলা পরিষদ চত্বরের কৃষি অফিসের সামনে মব সৃষ্টির চেস্টা করা হয়। এ সময় কলেজ শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন অপর কলেজ শিক্ষক কবির হোসেনকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। একইসময় সাজ্জাদের লোকজন অভিভাবক ফারুক হোসেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেস্টা করে।
সুত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে তদন্ত শুরু হওয়ার আগে অফিসের সামনে নিয়োগ কার্যক্রমের বিপক্ষের শিক্ষকদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ ও মব সৃষ্টির চেস্টা করে শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনসহ তার লোকজন।এমনকি ফারুক হোসেন নামের এক অভিভাবককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেস্টা করা হয়। এদিকে এর আগেও একাধিকবার নিয়োগের চেস্টা করেও নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে বাদী আব্দুস সালাম জানান, গত বুধবার আমাকে তদন্তের জন্য নোটিশ দিয়ে যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে কৃষি অফিসে উপস্থিত হতে বলা হয়। আমি তার আগেই এসে কৃষি অফিসারকে বলি কলেজে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য। এজন্য লিখিত আবেদন নিয়ে যায়। কিন্তু কৃষি অফিসার সাফ জানিয়ে দেয় আমাকে তদন্তের জন্য ইউএনও স্যার নির্দেশ দিয়েছেন,আমি আবেদন গ্রহণ করতে পারি না। তাই বাধ্য হয়ে ইউএনও'র দপ্তরে আবেদন করে তার রিসিভ কপি নিয়েছেন। এখন কলেজ ছুটি চলছে। রমজান মাস ও ঈদ পর কলেজ খোলা হলে সরেজমিনে তদন্তের জন্য আবেদন করেছি। আমি অসুস্থ এজন্য চলে এসেছি। তিনি বলেন, আমাকে কৃষি অফিসার ও প্রকৌশলী মোবাইল করেছিল। আমি কারন জানিয়ে দিয়েছি। আমাকে ছাড়া তারা যদি তদন্ত করে করুক ?
এবিষয়ে কলেজের শিক্ষক কবির ও মুখলেস জানান, এখন কলেজ ছুটি তাই ঘরে বসে এসব তদন্ত হয় না। আর নিয়োগের সাথে যারা জড়িত তারা নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে পড়েছে। নিয়োগের আগেই যদি প্রার্থী ঠিক করা হয় তাহলে তো নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। আমরা চাই মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হোক এবং কলেজ খোলার পর সরেজমিন কলেজে গিয়ে তদন্ত করা হোক।
এবিষয়ে শিক্ষক প্রতিনিধি ও শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কোন ধরনের টাকা পয়সা লেনদেন বা জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করা হয়নি। সালাম না জেনে এসব করেছেন। সময়ে সব কথা হবে বলেও তিনি কিছুটা দাম্ভিকতা দেখান তিনি।
এবিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদকে ফোন দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি। আরেক তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহার জানান, বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী রবিবার শুনানির দিন ধার্য করা হবে। ওই দিন অনুপস্থিত থাকলে সেদিন সিদ্ধান্ত নিয়ে শোনানি বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে স্থানীয় অভিভাবক মহল বলেন, কলেজ ছুটি থাকা অবস্থায় তদন্ত কার্যক্রম সঠিক হবে না,তাই আমরা এটা মেনেও নিবো না,আমরা চাই কলেজ খোলার পর সরেজমিন তদন্ত করা হোক।
এঘটনায় গত ১১ জানুয়ারি তালন্দ গ্রামের বাসিন্দা ও অভিভাবক আব্দুস সালাম রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এবং অভিযোগের অনুলিপি ডাকযোগে উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ট্রেজারার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মহাপরিচালক, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, পরিচালক মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর রাজশাহী, মহাপরিচালকের প্রতিনিধি, অধ্যক্ষ রাজশাহী কলেজ, চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সভাপতি গভর্নিং বডি তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ। এছাড়াও রাজনৈতিক প্রভাবে অনিয়মের মাধ্যমে জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে পদায়ন দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিযোগ তদন্তের জন্য উপজেলা প্রকৌশলী ও কৃষি কর্মকর্তাকে নিয়ে দু সদস্যর কমিটি করে দেন। ২৬ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কলেজ বন্ধ থাকায় শুনানির দিন পিছিয়ে এবং কলেজ খোলার পর কলেজে গিয়ে সরেজমিন তদন্ত ও শুনানি নেয়ার দাবি করে লিখিতভাবে আবেদন করেন বাদি আব্দুস সালাম।
এদিন উপজেলা চত্ত্বরে তদন্ত কমিটির সামনে বাদি ও বিবাদী শিক্ষকদের মধ্যে চরম বাকবিতন্ডা, মারমুখি আচরণ ও বাদীকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের উপজেলা পরিষদ চত্বরের কৃষি অফিসের সামনে মব সৃষ্টির চেস্টা করা হয়। এ সময় কলেজ শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন অপর কলেজ শিক্ষক কবির হোসেনকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। একইসময় সাজ্জাদের লোকজন অভিভাবক ফারুক হোসেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেস্টা করে।
সুত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে তদন্ত শুরু হওয়ার আগে অফিসের সামনে নিয়োগ কার্যক্রমের বিপক্ষের শিক্ষকদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ ও মব সৃষ্টির চেস্টা করে শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনসহ তার লোকজন।এমনকি ফারুক হোসেন নামের এক অভিভাবককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেস্টা করা হয়। এদিকে এর আগেও একাধিকবার নিয়োগের চেস্টা করেও নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে বাদী আব্দুস সালাম জানান, গত বুধবার আমাকে তদন্তের জন্য নোটিশ দিয়ে যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে কৃষি অফিসে উপস্থিত হতে বলা হয়। আমি তার আগেই এসে কৃষি অফিসারকে বলি কলেজে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য। এজন্য লিখিত আবেদন নিয়ে যায়। কিন্তু কৃষি অফিসার সাফ জানিয়ে দেয় আমাকে তদন্তের জন্য ইউএনও স্যার নির্দেশ দিয়েছেন,আমি আবেদন গ্রহণ করতে পারি না। তাই বাধ্য হয়ে ইউএনও'র দপ্তরে আবেদন করে তার রিসিভ কপি নিয়েছেন। এখন কলেজ ছুটি চলছে। রমজান মাস ও ঈদ পর কলেজ খোলা হলে সরেজমিনে তদন্তের জন্য আবেদন করেছি। আমি অসুস্থ এজন্য চলে এসেছি। তিনি বলেন, আমাকে কৃষি অফিসার ও প্রকৌশলী মোবাইল করেছিল। আমি কারন জানিয়ে দিয়েছি। আমাকে ছাড়া তারা যদি তদন্ত করে করুক ?
এবিষয়ে কলেজের শিক্ষক কবির ও মুখলেস জানান, এখন কলেজ ছুটি তাই ঘরে বসে এসব তদন্ত হয় না। আর নিয়োগের সাথে যারা জড়িত তারা নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে পড়েছে। নিয়োগের আগেই যদি প্রার্থী ঠিক করা হয় তাহলে তো নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। আমরা চাই মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হোক এবং কলেজ খোলার পর সরেজমিন কলেজে গিয়ে তদন্ত করা হোক।
এবিষয়ে শিক্ষক প্রতিনিধি ও শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কোন ধরনের টাকা পয়সা লেনদেন বা জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করা হয়নি। সালাম না জেনে এসব করেছেন। সময়ে সব কথা হবে বলেও তিনি কিছুটা দাম্ভিকতা দেখান তিনি।
এবিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদকে ফোন দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি। আরেক তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহার জানান, বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী রবিবার শুনানির দিন ধার্য করা হবে। ওই দিন অনুপস্থিত থাকলে সেদিন সিদ্ধান্ত নিয়ে শোনানি বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে স্থানীয় অভিভাবক মহল বলেন, কলেজ ছুটি থাকা অবস্থায় তদন্ত কার্যক্রম সঠিক হবে না,তাই আমরা এটা মেনেও নিবো না,আমরা চাই কলেজ খোলার পর সরেজমিন তদন্ত করা হোক।
আলিফ হোসেন