ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝে এ বার পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধি করল আমেরিকা। প্রায় ১২টি যুদ্ধবিমান পাঠাল ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ ইজরায়েলে। ‘নিউ ইয়র্ক টাইম্স’ জানাচ্ছে, তার মধ্যে কিছু যুদ্ধবিমান ইতিমধ্যে অবতরণও করে গিয়েছে ইজ়রায়েলে।
চলতি সপ্তাহেই পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে ফের এক দফা বৈঠকে বসার কথা রয়েছে আমেরিকার। আলোচনা চললেও সামরিক উত্তেজনা থামেনি। দু’দেশই একে অন্যকে হুঁশিয়ারি এবং পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিম এশিয়া সংলগ্ন সমুদ্রে আগে থেকেই নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে শুরু করে আমেরিকা। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের কাছাকাছি আমেরিকার যুদ্ধবিমানের আনাগোনাও বৃদ্ধি পায়।
এ বার ইজরায়েলে একসঙ্গে প্রায় এক ডজন এফ-২২ র্যাপ্টর পাঠিয়ে দিল পেন্টাগন (আমেরিকার সামরিক বাহিনীর সদর দফতর এখানেই অবস্থিত)। আধিকারিক সূত্রে ‘নিউ ইয়র্ক টাইম্স’ জানাচ্ছে, ব্রিটেনের কোনও এক বায়ুসেনা ঘাঁটিতে সেগুলি সাময়িক ভাবে রাখা ছিল। সেখান থেকেই ইজরায়েলের উদ্দেশে রওনা দেয় যুদ্ধবিমানগুলি। বস্তুত, গত বছর ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে যখন মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়েছিল, তখন এই এফ-২২ র্যাপ্টরও প্রবেশ করেছিল তেহরানের আকাশসীমায়।
বর্তমানে আমেরিকার এফ-২২ র্যাপ্টরের ইজ়রায়েলে অবতরণ সামরিক উত্তেজনাকে আরও বৃদ্ধি করল বলেই মনে করা হচ্ছে। ‘নিউ ইয়র্ক টাইম্স’ জানাচ্ছে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মাঝে এই প্রথম এমন কোনও পদক্ষেপ করল আমেরিকা। ঘটনাচক্রে, এমন এক সময়ে আমেরিকা এই পদক্ষেপ করল যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইজ়রায়েল সফরে গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আসন্ন বৈঠকের আগে ইরানের উপর চাপ তৈরির জন্যই এই শক্তিপ্রদর্শন করছে আমেরিকা।
মার্কিন বায়ুসেনার অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডেভিড এ ডেপতুলার কথায়, এই যুদ্ধবিমানগুলির মোতায়েন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এটিকে ইরানের বিরুদ্ধে আরও এক পদক্ষেপ হিসাবেই মনে করছেন তিনি। ডেপতুলা বলেন, “এই যুদ্ধবিমান মোতায়েন বোঝায়, ইরান যদি আমেরিকার শর্তে রাজি না হয়, তবে পদক্ষেপ করার জন্য তৈরি থাকবে আমেরিকা।”
চলতি সপ্তাহেই পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে ফের এক দফা বৈঠকে বসার কথা রয়েছে আমেরিকার। আলোচনা চললেও সামরিক উত্তেজনা থামেনি। দু’দেশই একে অন্যকে হুঁশিয়ারি এবং পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিম এশিয়া সংলগ্ন সমুদ্রে আগে থেকেই নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে শুরু করে আমেরিকা। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের কাছাকাছি আমেরিকার যুদ্ধবিমানের আনাগোনাও বৃদ্ধি পায়।
এ বার ইজরায়েলে একসঙ্গে প্রায় এক ডজন এফ-২২ র্যাপ্টর পাঠিয়ে দিল পেন্টাগন (আমেরিকার সামরিক বাহিনীর সদর দফতর এখানেই অবস্থিত)। আধিকারিক সূত্রে ‘নিউ ইয়র্ক টাইম্স’ জানাচ্ছে, ব্রিটেনের কোনও এক বায়ুসেনা ঘাঁটিতে সেগুলি সাময়িক ভাবে রাখা ছিল। সেখান থেকেই ইজরায়েলের উদ্দেশে রওনা দেয় যুদ্ধবিমানগুলি। বস্তুত, গত বছর ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে যখন মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়েছিল, তখন এই এফ-২২ র্যাপ্টরও প্রবেশ করেছিল তেহরানের আকাশসীমায়।
বর্তমানে আমেরিকার এফ-২২ র্যাপ্টরের ইজ়রায়েলে অবতরণ সামরিক উত্তেজনাকে আরও বৃদ্ধি করল বলেই মনে করা হচ্ছে। ‘নিউ ইয়র্ক টাইম্স’ জানাচ্ছে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মাঝে এই প্রথম এমন কোনও পদক্ষেপ করল আমেরিকা। ঘটনাচক্রে, এমন এক সময়ে আমেরিকা এই পদক্ষেপ করল যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইজ়রায়েল সফরে গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আসন্ন বৈঠকের আগে ইরানের উপর চাপ তৈরির জন্যই এই শক্তিপ্রদর্শন করছে আমেরিকা।
মার্কিন বায়ুসেনার অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডেভিড এ ডেপতুলার কথায়, এই যুদ্ধবিমানগুলির মোতায়েন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এটিকে ইরানের বিরুদ্ধে আরও এক পদক্ষেপ হিসাবেই মনে করছেন তিনি। ডেপতুলা বলেন, “এই যুদ্ধবিমান মোতায়েন বোঝায়, ইরান যদি আমেরিকার শর্তে রাজি না হয়, তবে পদক্ষেপ করার জন্য তৈরি থাকবে আমেরিকা।”
আন্তজার্তিক ডেস্ক